বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, রাষ্ট্রপতির ছবি থাকবে কি না তা নিয়ে সরকার যেভাবে ব্যস্ত, তার চেয়ে যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা ও জনগণের নিরাপত্তায় মনোযোগী হতো, দেশ অনেকটাই সঠিক পথে এগোতো।
বুধবার (২০ আগস্ট) জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাসুদ কামালের সঞ্চালনায় প্রচারিত ‘অন্য মঞ্চে’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, গত এক বছরে সরকারের মূল দায়িত্ব ছিল জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং ল অ্যান্ড অর্ডার স্থিতিশীল করা। কিন্তু সরকার এসব মূল কাজের পরিবর্তে ছোটখাটো বিষয়ে মনোযোগ দিয়েছে।
তিনি প্রশ্ন রাখেন—রাষ্ট্রপতির পোর্ট্রেট সরানো হলো কেন? যদি ‘নো পোর্ট্রেট’ নীতি গ্রহণ করা হয়ে থাকে, তবে তা একটি প্রজ্ঞাপন দিয়ে জানানো উচিত ছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকার এখনো নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এক বছর পার হয়ে গেলেও জনগণ কোনো নিশ্চয়তা পাচ্ছে না। তার ভাষায়, “ফেব্রুয়ারিতে ভোট হবে কি না—তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহের কারণ আছে। ১৭ বছর ধরে মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। অথচ নির্বাচন ঘিরে যে উচ্ছ্বাস ও প্রাণচাঞ্চল্য থাকার কথা, তা নেই।”
রুমিন ফারহানা দাবি করেন, দেশের সাধারণ মানুষ এখন ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে এবং তারা দ্রুত একটি রাজনৈতিক সরকার দেখতে চায়। তিনি বলেন, “যে কোনো নির্বাচিত সরকারই অনির্বাচিত সরকারের চেয়ে ভালো—এটা মানুষ বুঝতে পেরেছে।”
তার মতে, জনগণের আস্থা ফেরাতে হলে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনের রোডম্যাপ স্পষ্টভাবে তুলে ধরা জরুরি। অন্যথায়, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে উঠতে পারে।