আওয়ামী শাসনামলের দমন-পীড়ন মোকাবিলা করে টিকে থাকা বিএনপি বর্তমানে নয়াপল্টন কার্যালয়ে সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও রাষ্ট্র মেরামতের কাজে মনোযোগী।
আগের মতো তীব্র রাজনৈতিক কর্মসূচির পরিবর্তে এখন দলীয় কার্যক্রমে গঠনমূলক উদ্যোগই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ দিবসকেন্দ্রিক কিছু আয়োজন ছাড়া কার্যালয়ে তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’। এই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি সংস্কার পরিষদের পরিবর্তে একটি ‘বিশেষ কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিরোধী জোটের সমর্থন না থাকায় মতপার্থক্য রাজপথে গড়িয়েছে।
দলের যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ বলেছেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে বিরোধীদের এমন তৎপরতা উদ্দেশ্যমূলক হতে পারে। তিনি সতর্ক করে দেন, কেউ যদি গণতন্ত্রের পথে বাধা সৃষ্টি করে অরাজকতা তৈরি করে, তাহলে জনগণের স্বার্থে বিএনপি রাজপথে অবস্থান নিতে পিছপা হবে না।
এদিকে দলটির নেতারা মনে করছেন, সংসদীয় বিষয়ে মতানৈক্য সংসদের ভেতরেই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত। তারা রাজপথে সংঘাত এড়িয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।