শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেশের মানুষ এইবার জামায়াতকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়: মাসুদ সাঈদী

যারা জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিল, আল্লাহ তাদেরকেই নিষিদ্ধ করেছেন। জামায়াত-শিবির এই দেশের মানুষের হৃদয়ে রয়েছে, এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা যাবে না

দেশের মানুষ এইবার জামায়াতকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়: মাসুদ সাঈদী

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০২৫, ১৩:০০

পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী আওয়ামী লীগের রাজনীতি ও নেতৃত্বকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে বলেছেন—“৫ আগস্টে জনগণ আওয়ামী লীগের রাজনীতির মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে।” মঙ্গলবার জাতীয় মুক্তি দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত গণমিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব বলেন।

মাসুদ সাঈদী বলেন,

“যিনি নিজেকে সবসময় বলতেন ‘পালাই না, পালাতে জানি না’ সেই শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মধ্যাহ্নেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। জনগণের রোষ, অন্যায়-জুলুম ও অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের কারণে এদেশ থেকে আওয়ামী লীগকে বিতাড়িত হতে হয়েছে।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,

“যারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করবে, তাদেরকেও জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে।”

তার দাবি, বাংলাদেশে এখন থেকে চলবে কেবল ইসলামপন্থী এবং বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি। যারা মুজিববাদী বা দিল্লির আজ্ঞাবহ হয়ে রাজনীতি করতে চাইবে, তাদের কঠোর প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে। তিনি বলেন,

“আওয়ামী লীগের নামে আর কেউ রাজনীতি করতে পারবে না। যারা করতে চাইবে, জনগণ তাদের ধুয়ে মুছে সাফ করে দেবে।”

তিনি আগস্ট মাসে কোরআনের পাখি আল্লামা সাঈদীর শাহাদাতকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড আখ্যা দিয়ে বলেন,

“যারা জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিল, আল্লাহ তাদেরকেই নিষিদ্ধ করেছেন। জামায়াত-শিবির এই দেশের মানুষের হৃদয়ে রয়েছে, এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা যাবে না।”

সাম্প্রতিক সময়ে এটিএম আজহারুল ইসলামের বেকসুর খালাসকে সামনে টেনে তিনি বলেন,

“এটা প্রমাণ করে আওয়ামী লীগের বিচারিক নাটক ছিল সাজানো। যেসব বিচারপতি ও প্রসিকিউটর এ নাটকে অংশ নিয়েছেন, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে।”

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন,

“৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে বিচারের মুখোমুখি করা হোক। খুনি হাসিনার প্রকাশ্য ফাঁসি না হলে জনগণ তা মেনে নেবে না।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ জামায়াত-শিবির ও অন্যান্য বিরোধী মতকে নিশ্চিহ্ন করতে চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু ইসলামপন্থীরা আন্দোলনের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে, তারা এই দেশের ভবিষ্যৎ গড়তে প্রস্তুত। ৫ আগস্ট এসেছে নতুন বাংলাদেশ গঠনের দিন হিসেবে।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে মাসুদ সাঈদী বলেন,

“নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, বিচার বিভাগসহ সব ক্ষেত্রে সংস্কার ও পরিবর্তন জরুরি। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি না করে কোনো নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না।”

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন,

“আওয়ামী লীগ তার রাজনীতির মূলধন, রাজাকার তাস, আমছালা সব হারিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। এখন আবার কেউ কেউ সেই পুরনো ‘রাজাকার রাজাকার’ খেলায় মেতেছে। কিন্তু জনগণ এবার আর সেই ফাঁদে পা দেবে না। এই রাজনীতির ব্যবসা এখন লসের ব্যবসা। জনগণ এই বস্তাপচা নাটক প্রত্যাখ্যান করে জামায়াতকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায়।”

তিনি বলেন,

“এবার দেশের মানুষ ৫৩ বছর ধরে দেখা সব নাটকের শেষ দেখতে চায়। তাদের হৃদয় থেকে ওঠা আকাঙ্ক্ষা—ইসলামপন্থী শক্তি যেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যায়। জামায়াতকে ঠেকাতে গিয়ে যারা গলা ফাটিয়ে রাজাকার রাজাকার চিৎকার করছিল, আজ তারা নিজেরাই অস্তিত্ব সংকটে। সময় এসেছে সৎ নেতৃত্বের বিজয়ের।”

সমাবেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন ফরিদ, মাওলানা আব্দুর রব, জহিরুল হক, শেখ আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা ইসহাক আলী এবং শিবিরের জেলা সভাপতি ইমরান হোসেনসহ জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

এই সমাবেশ ছিল কেবল একটি রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং ক্ষমতার পালাবদলের দৃপ্ত ঘোষণা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৪৭

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৩