“নির্বাচন যত বিলম্ব হবে, তত ষড়যন্ত্র বাড়বে”—এই সতর্কবার্তা দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৩টায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা বিএনপি আয়োজিত বিজয় মিছিলে অংশ নিয়ে তিনি এই বক্তব্য দেন। মিছিলটি শুরু হয় জিনজিরা পার্টি অফিস থেকে এবং শেষ হয় ইকুরিয়ায় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন,
“জনগণ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। ১৭ বছর ধরে তারা ভোট দিতে পারছে না। প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস সাহেবকে বলছি—দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করুন। মানুষ ভোট দিতে চায়। নতুন প্রজন্ম ব্যালট দেখেনি, ভোট দিতে যায়নি। যতদিন পর্যন্ত সাধারণ মানুষ ভোটের অধিকার ফিরে না পাবে, ততদিন আমাদের আন্দোলন চলবে।”
তিনি আরও বলেন,
“রাস্তা-ঘাটে চাঁদাবাজি করা যাবে না। মানুষ এসব পছন্দ করে না। জনগণ সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ চায়। তাই সুশাসন নিশ্চিতে কাজ করতে হবে।”
এই বিজয় মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী। তার উপস্থিতি মিছিলে কর্মীদের মাঝে দৃশ্যমান উজ্জীবন তৈরি করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু, মোকাররম হোসেন সাজ্জাদ, পাভেল মোল্লাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কেরানীগঞ্জজুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
এই বিজয় মিছিল ছিল কেবল একটি রাজনৈতিক শোভাযাত্রা নয়, বরং এটিই ছিল সেই তাগিদ, যেখানে জনগণ তাদের ভোটের অধিকার পুনরুদ্ধারে রাজপথে আবারও একত্রিত। ক্ষমতার দখলদারদের হটিয়ে জনগণের হাতে ব্যালট ফেরানোর যে প্রতিশ্রুতি বিএনপি আন্দোলনের শুরুতে দিয়েছিল, এই মিছিল সেই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।