বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, দেশের মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে এবং আগামী ফেব্রুয়ারিতেই ১৭ বছরের সেই অপেক্ষা শেষ হবে—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বনানীতে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মঈন খান দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন যে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে, তাতে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রত্যাশা পূরণ হবে।
তার ভাষায়, “একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই গণতন্ত্র ফেরানোর একমাত্র পথ। জনগণ তাদের পছন্দমতো ৩০০ প্রতিনিধি বেছে নেবে—এই কাজটি শুধু নির্বাচনের মাধ্যমেই সম্ভব।”
ঐতিহাসিক প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধে সঠিক ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং “সেসময় পালিয়ে গিয়েছিল”; আর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
একই সঙ্গে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলেন, আওয়ামী লীগের “স্বৈরাচারী সরকার কোমলমতি শিশুদের হত্যা করে ৫ আগস্ট সীমান্ত টপকে পালিয়ে গেছে”—এ অভিযোগও তুলেন তিনি। (এসব বক্তব্য বক্তার নিজস্ব দাবি।)
মঈন খান আরও বলেন, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তি মুক্তিযুদ্ধের দুটি প্রধান লক্ষ্য; এ লক্ষ্য সামনে রেখে বিএনপি কাজ করছে। “শেখ হাসিনার বন্দুকের গুলি নয়, ব্যালটের মাধ্যমেই গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে”—যোগ করেন তিনি।
নতুন ভোটারদের প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ২০০৯ সালে জন্ম নেওয়া তরুণরাও ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবার ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবে। তিনি সকল রাজনৈতিক পক্ষকে সমান সুযোগ, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা এবং সহিংসতামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করে নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানান।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ ব্যালটের শক্তিতে পরিবর্তন চায়। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সেই পরিবর্তন ফেব্রুয়ারিতেই ঘটবে—আমরা আশাবাদী।”