শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

এনসিপির নেত্রীর ক্ষোভ জেলার প্রধান সমন্বয়কারীর বিরুদ্ধে

আব্দুল্লাহ আল মামুন,টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টি(এনসিপি)এর প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলের প্রতি ক্ষোভ ঝারলেন জেলা কমিটির সদস্য ইসরাত জাহান রুমি।  কয়েকদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি অডিও উড়ে বেড়াচ্ছে। তাতে শুনা যায় উর্মি রাসেল কে নিয়ে তার বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে।  সেই অডিওর কথা শুনে বুঝা যায় জেলা এনসিপির হুয়াটসআপ গ্রুপে এই নেত্রী […]

এনসিপির নেত্রীর ক্ষোভ জেলার প্রধান সমন্বয়কারীর বিরুদ্ধে

এনসিপির নেত্রীর ক্ষোভ জেলার প্রধান সমন্বয়কারীর বিরুদ্ধে

নিউজ ডেস্ক

১৪ আগস্ট ২০২৫, ১৮:৪২

আব্দুল্লাহ আল মামুন,টাঙ্গাইলঃ

টাঙ্গাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টি(এনসিপি)এর প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলের প্রতি ক্ষোভ ঝারলেন জেলা কমিটির সদস্য ইসরাত জাহান রুমি। 

কয়েকদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি অডিও উড়ে বেড়াচ্ছে। তাতে শুনা যায় উর্মি রাসেল কে নিয়ে তার বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। 

সেই অডিওর কথা শুনে বুঝা যায় জেলা এনসিপির হুয়াটসআপ গ্রুপে এই নেত্রী জেলার প্রধান সমন্বয়কারীর বিষয়ে অন্য সবাইকে জানাচ্ছে।

ইসরাত জাহান রুমি অডিও বার্তায় বলেন,রাসেল সাহেব আপনি বলছেন যে শূন্য থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মীর কথা কিন্তু আপনি শূন্য থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী একাই বানাইছেন আর কেউ বানাই নাই? আর হাজার হাজার বলতাছেন অন্য জেলার ছবি দেখেন আর টাঙ্গাইলের ছবি দেখেন অনেক পার্থক্য। অন্য জেলার থেকে টাঙ্গাইল অনেক পিছিয়ে আছে,অন্য জেলায় কমিটিতে লোকজনের অভাব নাই কিন্তু টাঙ্গাইলে লোক নেই। আপনি ভাবেন আপনি একাই সিদ্ধান্ত নিবেন আর কাউকে দরকার নাই? সিদ্ধান্ত নেন সমস্যা নাই কিন্তু কেন্দ্র তো জানবে তাও জানেনা, কেন্দ্রীয় নেতাদের অপেক্ষা করে আপনি একাই সব করেন।আমার নেতাকর্মী যারা আছে তাদের কোন অভিযোগ নেই, আর আপনার প্রতিটা কর্মীর অভিযোগ আপনার বিরুদ্ধে। আপনি আমাকে অপমান করছেন,আমি কোনদিন ট্রান্সফার বানিজ্য করতে যাই নাই,কোনদিন তদবির বানিজ্য করতে যাই নাই,নিজের খেয়ে নিম্নে পক্ষে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা খরচ করছি এই সংগঠনে। আপনি কোনদিন একটা মিটিং করেন নাই এছাড়া কমিটি করার জন্য কমিটি করছেন সেখানে আমাকে রাখছেন অথচ একটি মিটিংও করেন নাই,আর নারীদের কমিটি রাখেন নাই যাও রাখছেন তাদের কোনদিন ডাকেন না? আপনি কি মনে করেন নারীদের ছাড়া চালাবেন। আর আপনি এমন কোন লোক নাই যে তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতাছেন না। আর কেন্দ্রীয় নাহিদ ভাই ও একা সিদ্ধান্ত নেয় না আর আপনি একা সব সিদ্ধান্ত নেন।

এই নেত্রী আরও বলেন,গত ২৯ জুলাই যে অনুষ্ঠান করছেন কত লাখ টাকা খরচ হয়েছে কাউকে জানাইছেন?এই বিষয় নিয়ে তো কোন মিটিং করেন নাই যেহেতু আগে সমন্বয় হয় নাই আর এই বিষয় নিয়ে সবাই ক্ষুব্ধ, আর এখনো করতে পারতেন যে এতো টাকা খরচ হয়েছে কিন্তু আপনি করেন নাই, আর যারা আন্দোলন করে দেশ স্বাধীন করলো তাদের বিরুদ্ধে আপনি ইন্টারভিউ দিলেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে?কেন আপনি তাদের বিরুদ্ধে ইন্টারভিউ দিলেন?আপনি কি কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে কথা বলছিলেন? আপনাকে কেন্দ্র সদস্য মেজর ভাই বলার পরেও আপনি শুনলেন না। আর আমি এনসিপির রাজনীতি করি আপনি রাসেলের রাজনীতি করি না, নাহিদ সার্জিসদের রাজনীতি করি, আর আমরা এমন নেতা চাইছিলাম যার সিদ্ধান্ত অকপটে মেনে নিব যার কোন বদনাম থাকবেনা টাঙ্গাইলে। 

রুমি বলেন,২৯ তারিখে পদযাত্রা উপলক্ষে যে সমস্ত তোরণ বানানো হয়েছিলো সেখানে সব থেকে বেশি মাসুদুর রহমান রাসেলের ছিলো, অবশ্য এই সদর আসনে তোরন বেশি থাকার কথা আজাদ খান ভাসানীর কারণ তিনি সদর থেকে নির্বাচন করবে আর আপনি তো ঘাটাইল থেকে করবেন। আর আপনি অনুষ্ঠানে নাহিদ ভাইয়ের পাশে দাঁড়ালেন সবাইকে সরিয়ে কারণ আপনি মিডিয়া কভারে আসতে চান। আর আমার ছবি নিয়ে কথা বলেন জাতী জানে কে বেশি ছবি দেয়। 

এছাড়া জেলা সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলের বিষয়ে বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে ফাঁস হওয়া অডিওতে ক্ষোভ ঝারেন এই নেত্রী।

এই অডিও ফাঁস হওয়ার বিষয়ে এনসিপির নেত্রী ইসরাত জাহান রুমি বলেন,কিভাবে ভাইরাল হয়েছে জানিনা,একটা সংগঠনের গ্রুপ ছিলো আর এই ভয়েস টা ছিলো জুলাই ৩০ তারিখের। বিন্দুবাসীনির শিক্ষার্থীদের নিয়ে তখন একটা চাপে ছিলাম, যার ফলে আমরা মনোক্ষণ্ন ছিলাম, ফলে এই ধরনের ক্ষোভ ঝারছি।বিষয়টা এরকম যে সব উনি আর কেউ না দলের,এসপি অফিস ডিসি অফিস সব জায়গায় উনি, এছাড়া তিনি ঘাটাইল থেকে এনসিপি নিয়ন্ত্রণ করে অথচ হওয়ার কথা জেলা শহর থেকে। 

প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেল বলেন,কথাগুলো হয়তোবা তার ক্ষোভ থেকে বলেছে, পরবর্তী সময়ে আলোচনার মাধ্যমে এটা মিমাংসা করা হয়েছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৩৩

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৩৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০৩