শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কলকাতায় গোপন ‘পার্টি অফিস’ খুলেছে আওয়ামী লীগ, কিভাবে চলছে কার্যক্রম?

এ যেন এক ছদ্মবেশে চলমান ‘ছায়া অপারেশন’। চেয়ার-টেবিল সবই আগের কোনো কোম্পানির ফেলে যাওয়া। যেন চোখের আড়ালে, শত্রুর দৃষ্টির বাইরে থেকেই চলতে পারে নতুন করে পায়ের নিচে মাটি খোঁজার কাজ

নিউজ ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০২৫, ১১:৩৭

কলকাতার বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে গড়ে উঠেছে একটি নতুন ষড়যন্ত্রের ঘাঁটি—যা বাইরে থেকে দেখলে হয়তো নিছকই এক অফিস স্পেস, কিন্তু ভেতরে চলছে শেখ হাসিনার পতনের পর পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের নেতাদের গোপন কার্যকলাপ। ভারতের মাটিতে বসে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফের হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে তারা।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করার পর থেকেই কলকাতায় বসবাস শুরু করে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা। তাদের অনেকেই এখনো ভারতে অবস্থান করছেন। তারা ভাড়া বাসা কিংবা গেস্ট হাউজে থেকে দলীয় বৈঠক ও পরবর্তী পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছেন। তবে যেহেতু নিয়মিত বৈঠক ও সাংগঠনিক যোগাযোগের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গার প্রয়োজন ছিল, তাই কলকাতার ব্যস্ত বানিজ্যিক এলাকার একটি অফিস স্পেসকে রূপান্তর করা হয়েছে ‘ছদ্মবেশী’ পার্টি অফিসে।

এই অফিসে নেই কোনো ব্যানার, ছবি, লোগো কিংবা রাজনৈতিক চিহ্ন। বাইরে থেকে কেউ কল্পনাও করতে পারবে না এটি আওয়ামী লীগের গোপন ঘাঁটি। আগে যে কোম্পানি এই স্পেস ব্যবহার করতো, তাদের ফেলে যাওয়া চেয়ার-টেবিলেই এখন বসে আলোচনা চালায় ‘পতিত আওয়ামী লীগের’ বেঁচে থাকা রক্তহীন নেতারা। ৩০-৩৫ জনের জন্য ছোট এই ঘরেই বসে প্রাথমিক বৈঠক হয়, বড় বৈঠক হলে ভাড়া করা হয় রেস্তরাঁ বা ব্যাংকোয়েট হল।

এই গোপন কেন্দ্র থেকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং ভারতের কিছু প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বলেও একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সবকিছু ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জ্ঞাতসারে এবং ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনেই হচ্ছে, যা পুরো বিষয়টিকে এক ভয়ংকর আন্তর্জাতিক চক্রান্তের দিকে ইঙ্গিত করে।

পালিয়ে যাওয়া এই নেতারা শুধু নিজেরাই নয়, সঙ্গে এনেছেন প্রশাসনের একাংশ—প্রাক্তন আমলা, অবসরপ্রাপ্ত সেনা-পুলিশ কর্মকর্তা এবং কিছু সুবিধাভোগী পেশাজীবী যারা এক সময় আওয়ামী লীগের ছায়ায় ফুলেফেঁপে উঠেছিলেন। বর্তমানে কলকাতা ও আশপাশে অন্তত ২০০ জন প্রাক্তন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, ছাত্রলীগ-যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আশ্রয় নিয়ে আছেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

এদের কেউ কলকাতাতেই স্থায়ী হতে চাইছেন, আবার কেউ কেউ এই অবস্থানকে ব্যবহার করছেন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা বা ইউরোপ পালানোর ট্রানজিট হিসেবে। অথচ বাংলাদেশে যখন অন্তর্বর্তী সরকার দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তখন এই আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগ নেতারা বিদেশ থেকে আবারো ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন।

এখন প্রশ্ন—ভারতের মাটিতে বসে এই ধরনের রাজনৈতিক কার্যকলাপ চালানো কি ভারতের সার্বভৌম অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে না? কেন ভারতের সরকার এই কার্যক্রম চালাতে দিচ্ছে? বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর এমন রাজনৈতিক আশ্রয় কি আগামীতে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না?

যে যাই বলুক, এই ‘কলকাতা কমপ্লেক্স কনস্পিরেসি’ বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ। আত্মগোপনে থাকা নেতারা যতই পার্টি অফিস গড়ে তুলুক, বাংলাদেশের জনগণ ভুলে যাবে না তাদের দুঃশাসন, দুর্নীতি, হত্যাকাণ্ড, গুম ও লুটপাটের ইতিহাস। এবার পালানোর জায়গাও টিকবে না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৪৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৪৭

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৪৭