বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, ছাত্রদলের সঙ্গে অতীতে সম্পর্ক থাকার অজুহাতে প্রশাসনের বহু মেধাবী কর্মকর্তাকে গুরুত্বহীন করে ফেলা হচ্ছে এবং তাদের সরিয়ে বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের বিশ্বস্ত লোকজনকে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) পদে বসানো হচ্ছে।
সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন,
“বেগম জিয়ার আমলে অথবা তার আগের সময়ে যারা মেধার ভিত্তিতে চাকরিতে সুযোগ পেয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের রাজনীতি করেছেন কিংবা পরিবারের কারও বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ততা ছিল—এমন তথ্য পাওয়া গেলেই তাদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশে এক-এগারোর মতো পরিস্থিতি তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে, যার মাধ্যমে বিএনপিকে রাজনীতির মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার নীলনকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রিজভীর দাবি, বাংলাদেশকে ঘিরে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে এবং সরকার তা বাস্তবায়নে সুবিধা নিচ্ছে।
আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নাশকতার চেষ্টা হতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের মনোযোগ ভিন্ন খাতে নিতে এবং বিএনপির আন্দোলনকে দমন করতে পরিকল্পিতভাবে এমন অরাজকতা সৃষ্টি করার পাঁয়তারা চলছে।
রিজভীর বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে বিএনপি প্রশাসনিক নিয়োগ, রাজনৈতিক দমননীতি ও সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রের বিষয়গুলোকে সামনে এনে সরকারকে চাপে ফেলতে চাইছে।