বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কলকাতায় বসে চালাচ্ছেন বরিশালের ব্যবসা, আ.লীগ নেতার লাইসেন্সে ভারতে যাচ্ছে ইলিশ!

৪টি লাইসেন্স হাতে নিয়ে টুটুলের মোট রফতানি ক্ষমতা প্রায় দুইশ টন পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে—যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি ৬০ লাখ টাকা

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:১৩

বরিশালের পোর্ট রোডে বহুদিন ধরেই অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার ছায়া চলে আসছিল। এবার সেই অন্ধকারেই যেন আরও হট্টগোল বাড়ল—আবিষ্কার হলো, আওয়ামী লীগ নেতা নিরব হোসেন টুটুল চারটি লাইসেন্সে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছেন। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীদের আভাস অনুযায়ী, ইতোমধ্যে টুটুলের লাইসেন্সে কলকাতায় গিয়েছে প্রায় দুই হাজার কেজি ইলিশ। এমন তথ্য শুনে বাজার-অবস্থা আর রাজনীতি দুইটাই উত্তাল।

টুটুল সম্পর্কে বরিশালে প্রচারিত কাহিনী তো নতুন কিছু নয়। সাদিক আবদুল্লাহর সময় বরিশালের দ্বিতীয় মেয়র হিসেবেই পরিচিত টুটুল ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক। সাদিক আবদুল্লাহর নিকটস্থ সহচরী হিসেবে তার ভূমিকা গুরুতর ছিল—নগর জীবনের হাট, বাজার, বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত কেমন করে নিয়ন্ত্রণ ছিল, তা সমালোচকরা বারবার উচ্চারণ করে এসেছে। কুয়াকাটা সফরে পায়ে আঘাত লাগার পরও তিনি বরিশালের অনেক জায়গায় দাপট বজায় রেখেছেন, এক পায়ে চললেও টুটুলের প্রভাব কমেনি। আর আজ তার আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে মৎস্য ব্যবসাকেই চিহ্নিত করছেন অনেকে।

বিষয়টি আরও গরম হয়েছে কারণ সরকারি তালিকায় টুটুলের চারটি প্রতিষ্ঠানের নাম আছে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— মাহিমা এন্টারপ্রাইজ, তানিসা এন্টারপ্রাইজ, নাহিয়ান এন্টারপ্রাইজ এবং এআর এন্টারপ্রাইজ। মাহিমা ও তানিসা নামের দুইটি লাইসেন্স টুটুলের দুই মেয়ের নামে করা হয়েছে। বাকি দুটি লাইসেন্সে নাম রয়েছে তার ছোট মামা বাবর ও মামাতো ভাই আকাশের নামে। ২০১৯ সালে পূজার সময় থেকে শুরু হওয়া ইলিশ রপ্তানির প্রক্রিয়ায় টুটুল নিয়মিতভাবে অংশ নিচ্ছেন বলে চলছে সমালোচনা।

সরকারি নিয়ম মেনে এ বছর একটি লাইসেন্সের বিপরীতে ২০ থেকে ৫০ টন পর্যন্ত ইলিশ রপ্তানি করার শর্ত থাকলেও, ৪টি লাইসেন্স হাতে নিয়ে টুটুলের মোট রফতানি ক্ষমতা প্রায় দুইশ টন পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে—যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। বেনাপোল স্থলবন্দরের মৎস্য কোয়ারেন্টিন বিভাগের কর্মকর্তা আকসাদুল ইসলামও নিশ্চিত করেছেন, তানিসা এন্টারপ্রাইজ বৃহস্পতিবার ১ হাজার ৩৬০ কেজি ইলিশ পাঠিয়েছে ভারতে। আর সূত্র বলছে, শুরু হওয়া রপ্তানির মাত্র দুই দিনে ওই প্রতিষ্ঠান পাঠিয়েছে প্রায় দুই হাজার কেজি ইলিশ। তাতেই বোঝা যায়, কৌশল করে নেওয়া লাইসেন্সকে কার্যকর রপ্তানিতে পরিণত করা হয়েছে।

স্থানীয় আড়তদারদের অভিযোগও তুঙ্গে। তারা বলছেন, টুটুল নিতান্তই রপ্তানির পেছনেই বসে নেই—মোকামে যারা ব্যবসা করছে, তারা সকলে তার লোকজনের মাধ্যমে মাছ সংগ্রহ করছে। পোর্ট রোডের মোকাম এখনো টুটুলের ছায়ায় চলছে—আড়তদাররা বলেন, ৫ আগস্টের আগের মতোই মোড়ে এলসি সাইজের ইলিশগুলো টুটুলের লোকজনই ক্রয় করছে। এমনকি উঠে এসেছে অভিযোগ, টুটুলের পক্ষে কাজ করছেন বিএনপির প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা, আর বিনিময়ে তাদের সু-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। মৎস্য আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের বরিশাল মহানগর কমিটির সদস্য সচিব কামাল সিকদার এই মোকাম “সবাওলে আমার একা কাজের স্থান নয়” বলে বিবৃতি দিয়েছেন এবং বলেছেন, ইলিশ রপ্তানির অনুমতি সরকারি হওয়ায় সে আইনগত বাধা তিনি দিতে পারেন না।

তবে আড়ত-মহল আর সাধারণ মানুষের বক্তব্যের মধ্যে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এক তত্ত্ব ঘুরছে—যদি স্থানীয় সরকার বা সংস্থাগত কর্তারা চাইলেই টুটুলের ব্যবসা বন্ধ করতে পারতেন, কেন তা হয়নি? সেখানে তিনটা প্রশ্ন উঠে আসে সুস্পষ্টভাবে—এক হলো লাইসেন্স কেন এমনভাবে আসে যে একই ব্যক্তির ঘনিষ্ঠজনের নামে আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হলো, দুই হলো ৫ আগস্টের পর টুটুল ভারতে পালিয়ে গেলেও কিভাবে রহস্যজনকভাবে মুক্তি পেয়ে আবার ব্যবসা চালাতে সক্ষম হলেন, তিন হলো স্থানীয় শক্তি-সংযুক্তরা কেন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিল না। এসব প্রশ্ন এখনও অনায়াসে থেকে যাচ্ছে।

টুটুলের বিরুদ্ধে বরিশালে ইতিমধ্যেই ৭টি মামলা হয়ে গেছে বলে জানা যায়। ৫ আগস্টের পর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর থেকে ধরা পড়ে তিনি, পরে রহস্যজনকভাবে ছাড়া পেয়ে কলকাতায় চলে যান এবং সেখান থেকেই ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করছেন—এসব বিষয়ের পেছনে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে বলে অনুসন্ধানে দেখা যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, মোকামের সভাপতি-সম্পাদক পদে যারা বসে আছেন, তারা জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতা; তাদের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় টুটুলের ব্যবসা বন্ধ না করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কথা বলা হয়েছে কলকাতায় অবস্থানরত নিরব হোসেন টুটুলের ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে, কিন্তু প্রতিউত্তর মেলেনি। বরিশালের পোর্ট রোড থেকে শুরু করে ইলিশ রফতানি শৃঙ্খলে যে আঁধার টানা পড়েছে, সেটি শুধুই একটি ব্যক্তির নয়—এখানে জড়িয়ে আছে রাজনৈতিক চক্র, ব্যবসায়িক ঘনিষ্ঠতা এবং সরকারি অনুমোদনের লঙ্ঘন। জনগণ এরইমধ্যে প্রশ্ন তুলছে—কতটা স্বচ্ছ এবং কতটা ন্যায্যভাবে দেশের সম্পদ নিয়ে এই ধরনের লেনদেন চলবে?

এ বেলায় মৎস্যসম্পদ রপ্তানি ও স্থানীয় নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে সরকারের জবাবদিহিতা অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। প্রশ্নগুলো যতদিনই অজানা থাকবে, ততদিনই প্রহসনের মতো এই বাজার-রাজনীতি জনদুর্ভোগ বাড়াবে এবং বরিশালের নাম কোনোভাবেই পরিষ্কার থাকবে না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৩৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৩৯

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩১৭

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটেই যাচ্ছে জামায়াত, শিগগিরই ঘোষণা

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান। মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:০৬

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জামায়াতের আমিরের এই জনসভা আরও বেশি ত্বরান্বিত করবে।

একটি দল শিরক করছে তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম বলেননি৷ আর জামায়াতে ইসলাম কিভাবে পরিচালনা হয়, দেশের মানুষ তা জানেন।

এসময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, জামায়াত মনোনীত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী-দেলাওয়ার হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩১৭