শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মানুষ হিসেবে আমরা কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নই,আমাদের ক্ষমা করে দিন : জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দলীয়ভাবে কিংবা ব্যক্তিগতভাবে তাদের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে, তাদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ মে) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “মানুষ হিসেবে আমরা কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নই। যাদের কেউ জামায়াত বা আমাদের কোনো কর্মীর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কাছে আমরা কোনো শর্ত ছাড়াই ক্ষমা চাই। আমাদের ক্ষমা করে দিন।” এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে বেকসুর খালাস দেওয়ার রায়ের প্রেক্ষিতে। শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও দেশের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। শহীদ পরিবার, আহত ও পঙ্গু ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু সকল দায়িত্ব পালন করতে পারিনি। আমাদের আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে, বিনীতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।” তিনি বলেন, “জাতির বহু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এখনও অনিষ্পন্ন। সব রাজনৈতিক দল ও দেশপ্রেমিক অংশীজনদের ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের স্বার্থে কাজ করতে হবে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যদি কখনও দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাই, প্রতিশোধ ও বৈষম্যের রাজনীতির অবসান ঘটাব।” শফিকুর রহমান দুর্নীতিমুক্ত, দুঃশাসনমুক্ত ও মানবিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে জনগণের সমর্থন ও দোয়া কামনা করেন। তিনি অতীত সরকারের সময় যুদ্ধাপরাধ মামলার রায়ের ভিত্তিতে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসিকে “ইচ্ছাকৃত নেতৃত্ব গণহত্যা” আখ্যা দেন এবং বলেন, “আজহারুল ইসলামের খালাসের রায়ে প্রমাণিত হলো— সত্যকে চেপে রাখা যায় না।” উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যুদ্ধাপরাধের বিচারে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, যা সরকার পরিবর্তনের পর সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সংশোধিত হলো। এই প্রেক্ষাপটেই জামায়াতের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়া হলো, যেখানে ক্ষমা প্রার্থনা ও ভবিষ্যতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি উচ্চারিত হয়।

মানুষ হিসেবে আমরা কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নই,আমাদের ক্ষমা করে দিন : জামায়াত আমির

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ মে ২০২৫, ২০:১৯

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দলীয়ভাবে কিংবা ব্যক্তিগতভাবে তাদের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে, তাদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ মে) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “মানুষ হিসেবে আমরা কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নই।

যাদের কেউ জামায়াত বা আমাদের কোনো কর্মীর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কাছে আমরা কোনো শর্ত ছাড়াই ক্ষমা চাই। আমাদের ক্ষমা করে দিন।”

এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে বেকসুর খালাস দেওয়ার রায়ের প্রেক্ষিতে। শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও দেশের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

শহীদ পরিবার, আহত ও পঙ্গু ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু সকল দায়িত্ব পালন করতে পারিনি। আমাদের আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে, বিনীতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।”

তিনি বলেন, “জাতির বহু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এখনও অনিষ্পন্ন। সব রাজনৈতিক দল ও দেশপ্রেমিক অংশীজনদের ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের স্বার্থে কাজ করতে হবে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যদি কখনও দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাই, প্রতিশোধ ও বৈষম্যের রাজনীতির অবসান ঘটাব।”

শফিকুর রহমান দুর্নীতিমুক্ত, দুঃশাসনমুক্ত ও মানবিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে জনগণের সমর্থন ও দোয়া কামনা করেন। তিনি অতীত সরকারের সময় যুদ্ধাপরাধ মামলার রায়ের ভিত্তিতে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসিকে “ইচ্ছাকৃত নেতৃত্ব গণহত্যা” আখ্যা দেন এবং বলেন, “আজহারুল ইসলামের খালাসের রায়ে প্রমাণিত হলো— সত্যকে চেপে রাখা যায় না।”

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যুদ্ধাপরাধের বিচারে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, যা সরকার পরিবর্তনের পর সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সংশোধিত হলো। এই প্রেক্ষাপটেই জামায়াতের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়া হলো, যেখানে ক্ষমা প্রার্থনা ও ভবিষ্যতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি উচ্চারিত হয়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৪৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৪৭

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৪৭

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৪৭