বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আগামী দিনে বিএনপির রাজনীতি হবে জনগণ ও দেশের কল্যাণে : ইশরাক হোসেন

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, আমি আপনাদের সবার সামনে ওয়াদা করতে চাই আগামী দিনে বিএনপির রাজনীতি একমাত্র জনগণের কল্যাণে হবে দেশের কল্যানে হবে অন্য কোন কিছু আমরা সুযোগ দেবো না। বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ কেউ যদি অপকর্ম করে থাকে তাহলে সেটাকে আমরা গ্রহণ […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ জানুয়ারী ২০২৫, ১৬:৩৬

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, আমি আপনাদের সবার সামনে ওয়াদা করতে চাই আগামী দিনে বিএনপির রাজনীতি একমাত্র জনগণের কল্যাণে হবে দেশের কল্যানে হবে অন্য কোন কিছু আমরা সুযোগ দেবো না। বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ কেউ যদি অপকর্ম করে থাকে তাহলে সেটাকে আমরা গ্রহণ করবো না। আমাদের দলের নাম ব্যবহার করে দুই একটি অপকর্ম করে থাকলেও সেটার দায়ভার কিন্তু আমরা নেবোনা।

কারণ সেটার আমাদের উপর আসে না কারণ আমরা কি সরকারে আছি আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছে যে আমরা নিয়ন্ত্রণ করবো। এটার নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব সরকারের। যে কারো নাম দিয়ে যদি কেউ চাঁদাবাজি করে এটা নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার। কারণ এটার জন্য সরকারকেই দায়ভার নিতে হবে। আমাদের নেতার বক্তব্য বিএনপির নাম দিয়ে যদি কেউ চাঁদাবাজি করে সেটাকে আমরা গ্রহণ করব না। আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করবো এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি। আগামী দিনে সেটা আপনারা দেখতে পাবেন।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানী পুরান ঢাকায় সাদেক হোসেন খোকা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শীতার্ত অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক সুমন ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন আরও বলেন, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঐক্যের প্রতীক গণতন্ত্রের প্রতীক শান্তির প্রতীক এবং এই উপমহাদেশে অন্যতম একজন নেত্রী হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণ অক্ষরে লেখা থাকবে। কারণ উনি গনতন্ত্রের বিষয়ে কোন ধরনের আপোষ করেননি। তিনি আপস করেননি দেখেই উনাকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে। গৃহবন্ধী করে রাখা হয়েছে। উনাকে সুচিকিৎসা সময়মত দেওয়া হয়নি যার কারণে তার শারীরিক অবস্থা আরও সংকটা পন্য হয়েছিল। কিন্তু মহান আল্লাহতালার কি খেলা দেখেন আমাদের নেত্রী এখন সুচিকিৎসা নিচ্ছেন ইনশাল্লাহ সুস্থ হয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসে আমাদেরকে নেতৃত্ব দিবেন।

আমরা ছোট বেলা থেকেই দেখে এসেছি আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে অসহায় ও দুস্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন সেখানে আমার পিতা মরহুম সাদেক হোসেন খোকাও বিভিন্ন সময় ছিলেন। তার থেকে শিক্ষা নিয়ে কিন্তু আজকে আমরা যে রাজনৈতিক কর্মকান্ড রয়েছে সেটি করে চলেছি।

আমরা জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করবো রাজনীতি করতে চাই এবং আমাদের লক্ষ্য একটাই সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ যাতে ভালো থাকে। এই দেশে যে দারিদ্র্য জনগোষ্ঠী রয়েছে সেই জায়গায় থেকে আগামী দিনে এর যেন উত্তরোন ঘটে বাংলাদেশ যাতে উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত হয় তার জন্য আমরা কাজ করবো।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার খুনী ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে বাংলাদেশকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। বিভিন্ন সময় রিলিফ এর যে সামগ্রী বিশেষ করে করোনা সময় সেটা তাদের নেতাকর্মীদের বাসা বাড়ির খাটের তলায় পাওয়া গিয়েছিল।সেটা জনগণের কাছে পৌঁছায়নি। আর আমরা যতদিন বিরোধী দলে ছিলাম তখন সরকারি কোন অনুদান পাওয়ার কোন সুযোগ ছিল না। আমরা নিজ থেকে উদ্যোগ নিয়ে জনগণের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি। এখানেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতির পার্থক্যটা বুঝে নিতে হবে।

আমরা জনগণের পাশে আছি জনগণের জন্য রাজনীতি করি যার কারণে যত বিপদ আপদ ঝড় তুফান গিয়েছে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়নি। আমরা আপনাদের পাশে ছিলাম বরং আপনারা আমাদের বিভিন্ন সময় আশ্রয় দিয়েছেন বাসা বাড়িতে। আপনাদের অধিকার নিয়ে যখন লড়াই করেছি ঠিক তখনই খুনি হাসিনা হায়না বাহিনী আমাদের উপর হামলা করেছে। আপনার আমাদের পাশে ছিলেন এবং আশ্রয় দিয়েছেন।

তরুণ প্রজন্মের একজন প্রতিনিধি হয়ে বলতে চাই আর কোন দিন যাতে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম না হয়। সেটা যে কোন নামে বা দলের মাধ্যমে।

ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রটাকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র করা হয়েছিল ১৯৭১ সালে। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র থাকবে এবং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হবে পাঁচ বছর পর পর জনগণ ভোট দিয়ে তাদের নির্বাচিত করবে এবং সরকারে পাঠাবে তাহলে এত দুর্নীতি গুম,খুন যাই হয়েছে কোন কিছুই হত না। কারণ তখন জনগণের কাছে জবাবদিহি আওতায় থাকতে হতো। ভোটের জন্য প্রতি পাঁচ বছর পর পর জনগণের কাছে যেতে হত।

তিনি বলেন, আমরা এখন আশা রাখি আমাদের নেতা দেশনায়ক তারেক রহমান যে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমাদের আন্দোলন সংগ্রামে উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি লন্ডনে বসে থেকে অনুপ্রাণিত করেছেন সেটি দেখে কিন্তু সারা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ অনুপ্রেরণা নিয়ে স্বৈরাচারকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করেছে এবং আগামী দিনে আমাদের যে ঘোষিত ৩১ দফার কর্মসূচি সেই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশে গণতন্ত্র পার্মানেন্টলি প্রতিষ্ঠা পাবে এবং জনগণের কল্যাণে যা যা করনীয় সকল কিছু করা হবে।

জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় জনগণের কথা বলার অধিকার থাকে বেঁচে থাকার অধিকার থাকে আপনাদের ছেলে মেয়েরা যাতে ভালো শিক্ষা ব্যবস্থা হয় আপনাদের যাতে ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা হয় এই ধরনের সেবাগুলো যাতে আমরা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি সেটার লক্ষ্যে আগামী দিনে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদি দল আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসলে সে কাজগুলো করা হবে ইনশাআল্লাহ।

অনুষ্ঠানটিকে সফল ও সার্থক করে তুলতে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনসমূহের যেসব নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন- কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হায়দার আলী বাবলা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল আজিম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, ৩৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সিরাজ উদ্দিন, কোতোয়ালি থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহম্মেদ হোসেন সোবহান, কোতোয়ালি

থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল হাওলাদার, ৩৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক হাজী আফজাল হোসেন লিটন, সদস্য সচিব রুবেল হাওলাদার, কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আকাশ মাহমুদ, কোতোয়ালি থানার ছাত্রদলের সদস্য সচিব মামুন, মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কিরণ, কোতোয়ালি থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জাহিদ জামাল, কোতোয়ালি থানা কৃষক দলের সদস্য সচিব আপন, কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের সভাপতি দ্বীন ইসলাম প্রমুখ।

 

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৭৮

রাজনীতি

বিএনপি নেত্রী নিলুফার মনিকে ক্ষমা চাইতে হবে, না হলে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রশিবির

য়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৪৩

বিএনপি নেত্রী নিলুফার চৌধুরী মনির বক্তব্যকে ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ঘৃণ্য অপপ্রচার আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আদালতের রায়ে প্রমাণিত সত্য হলো—বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এতে জনগণের মনে প্রশ্ন জেগেছে, তিনি কি পতিত ফ্যাসিস্টদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন?

শিবিরের নেতারা আরও বলেন, গত ১৬ বছরে সংগঠনের ১০১ জন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ২০ হাজারেরও বেশি মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করা হয়েছে, সাতজন এখনো গুম রয়েছে। এই সময়ে ছাত্রলীগই ক্যাম্পাসগুলোতে দাপটের সঙ্গে খুন, ধর্ষণ, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি চালিয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিতকেও শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ভয়াবহ নজির সৃষ্টি করেছে ছাত্রলীগ। অথচ এই সব অপরাধ অস্বীকার করে নিলুফার মনি আজ শিবিরকে দোষারোপ করছেন। এটি নিছক মিথ্যাচার নয়, বরং দেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকে দুর্বল করার নগ্ন ষড়যন্ত্র।

তারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই অসত্য বক্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় ছাত্রশিবির আইনিভাবে কঠোর জবাব দেবে। দেশের মানুষ এখন খুব ভালো করেই জানে কারা আবরার ফাহাদকে হত্যা করেছে এবং কারা দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৫৪৯৫

রাজনীতি

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গোপন সিদ্ধান্ত বিএনপির, ১৫০ প্রার্থীকে সবুজ সংকেত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দিতে এবং শরিকদের জন্য ৪০ আসন ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপির জোটে যুক্ত হলে তাদের জন্য ৮টি আসন রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এক বছর আগে থেকেই সারাদেশে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি। প্রথমে প্রায় ৯০০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি করে তা লন্ডনে হাইকমান্ডে পাঠানো হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভূমিকা যাচাই করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তের গতি বাড়ায়। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিভাগভিত্তিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, “এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।”

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রার্থী নির্ধারণের বিভাগীয় বৈঠক শেষ হয়েছে, এখন মূল লক্ষ্য দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বিএনপি প্রায় ৪০টি সমমনা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে শরিকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা ও জোট গঠনের রূপরেখাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৭৮

রাজনীতি

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত […]

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ নভেম্বর ২০২৫, ১২:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনে এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। খালেদা জিয়াসহ ১০ জন নারী বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।

তবে এখনও ৬৩টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে, যা শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্ব। দলটির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, শরিক দলের ১২ জন নেতাকে ইতোমধ্যেই ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নিজেদের আসনে প্রস্তুতি নিতে পারেন।

তালিকায় রয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা।

এছাড়া ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপি মহাসচিব অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে ড. রেদোয়ান আহমেদ, নড়াইল-২ আসনে এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ঝিনাইদহ-২ আসনে রাশেদ খান।

দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপি এবার বৃহত্তর ঐক্যের ভিত্তিতে নির্বাচন করার কৌশল নিয়েছে। শরিক দলগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে প্রার্থী বণ্টন করা হচ্ছে, যাতে জোটগত সমন্বয় অটুট থাকে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৭৮