বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেশে আবারও আওয়ামী শাসনের ছাপ দেখা যাচ্ছে : রফিকুল ইসলাম

রফিকুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর সংসদ সদস্য, বলেছেন যে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবারও আওয়ামী ধাঁচে শাসন পরিচালনার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যা কারও জন্যই মঙ্গলজনক নয়। বুধবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাষ্ট্রপতিকে কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, তার বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানানো সম্ভব নয়, […]

দেশে আবারও আওয়ামী শাসনের ছাপ দেখা যাচ্ছে : রফিকুল ইসলাম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৫০

রফিকুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর সংসদ সদস্য, বলেছেন যে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবারও আওয়ামী ধাঁচে শাসন পরিচালনার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যা কারও জন্যই মঙ্গলজনক নয়।

বুধবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রপতিকে কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, তার বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানানো সম্ভব নয়, কারণ তিনি অতীতে সংঘটিত কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিলেন এবং শেখ হাসিনা-র কোনো পদক্ষেপের বিরোধিতা করেননি; বরং সবকিছুতে সহযোগিতা করেছেন।

বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। উদাহরণ হিসেবে তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী-কে দ্রুত অপসারণের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।

সরকারি দলের সমালোচনা করে রফিকুল ইসলাম বলেন, তাদের বক্তব্য শুনলে মনে হয় দেশে কোনো সমস্যা নেই, বরং বিরোধী দলই একমাত্র সমস্যা। অথচ বাস্তবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, জ্বালানির দাম, এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মতো গুরুতর বিষয়গুলো উপেক্ষিত হচ্ছে।

১৯৯৭ সাল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রে একযোগে কাজ হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের পর হঠাৎ করেই জামায়াতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

২০১৩ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ২৯ ডিসেম্বরের “লংমার্চ টু ঢাকা” কর্মসূচি এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোতে বড় ধরনের পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, ওই সময় খালেদা জিয়া এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া অন্য অনেক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।

গণভোটের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব ছিল, এবং গণভোটের ফল বাস্তবায়ন করলে বর্তমান অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব।

সরকারের সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। তার দাবি, অল্প সময়ের মধ্যেই প্রশাসনে দলীয়করণের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে—বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তন, জেলা প্রশাসক ও সিটি কর্পোরেশনে নিয়োগ, এবং প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে পুনর্বিন্যাস তার উদাহরণ।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অতীতে নির্যাতিত ও বঞ্চিত কর্মকর্তাদের পুনর্বাসনের বদলে আবারও ওএসডি করা হচ্ছে, আর বিতর্কিত ব্যক্তিরা এখনো গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থেকে পদোন্নতিও পাচ্ছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮