বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে : শফিকুর রহমান

মহান জাতীয় সংসদে একে-অন্যকে দোষারোপ না করে সবাইকে গঠনমূলক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে। বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ের নোটিশের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি […]

আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে : শফিকুর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:৩৮

মহান জাতীয় সংসদে একে-অন্যকে দোষারোপ না করে সবাইকে গঠনমূলক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ের নোটিশের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সরকার সতর্ক, দায়িত্বশীল ও দূরদর্শী পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম হয়েছে।

সংক্ষিপ্ত আলোচনায় (বিধি-৬৮) অংশ নিয়ে তিনি আরও বলেন, সরকার গঠনের সময় দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ছিল মাত্র সাত দিনের। এ অবস্থায় ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হলে হরমুজ প্রণালি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

শফিকুর রহমান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সেদিন তিনি আমাকে চাচা ডেকেছিলেন; জানি না আমার বয়স তত কিনা। আমি যশোরে তাকে বুকে টেনে নিয়েছিলাম; আর তিনি যর্থাথই স্মরণ রেখেন- যশোরের ডাব থেকে পানি বের করেই পানি পান করিয়েছিলাম। আমি ঢাকা থেকে নেইনি ওটা। আলহামদুলিল্লাহ তিনি যে মনে রেখেছেন তার জন্য ধন্যবাদ।

তিনি বলেন, প্রতিমন্ত্রী খুবেই পজিটিভ মনে আজ কথা বলেছেন। আমি মনে করি একটি বাস্তবসম্মত একটি বক্তব্য রেখেছেন। শুধু এক জায়গায় হালকা একটু সুই হাতে নিয়েছিলেন। তিনি লজ্জা পেয়েছেন তাই সে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাই না। চালাক লোকেরা একটা কঠিন গালি দেওয়ার পরে বলেন- আমি গালি দেওয়া পছন্দ করি না। যেটা আমি পছন্দই করি না সেটা আমি করবই না।

তিনি আরও বলেন, এ সংসদে আমি প্রথমদিনই অনুরোধ করেছিলাম- আসুন আমরা জনকল্যাণে কথা বলি। আমরা পরস্পরকে দোষারোপ না করি- কিন্তু এটা বন্ধ হয়নি। মনে হয় মাত্রা কিছুটা কমে এসেছে। মানে আট মাত্রার ভূমিকম্প না; চার/পাঁচ মাত্রায় এখনো কাঁপচ্ছে। এগুলো বন্ধ হওয়া উচিত। আমরা গঠনমূলক হই। সরকারি দলও গঠনমূলক হোক; আমরাও গঠনমূলক হই। সেইভাবে বিষয়গুলো রিজলভ করি এবং আমরা পারব- কেন পারব না। দুনিয়ার অনেক দেশই তো পারে আমরা কেনা পারব না। আমরা পারার কালচারে যেতে চাই; না পারার কালচারে থাকতে চাই না।

তিনি বলেন, এটা একটা ক্রাইসিস (জ্বালানি সংকট)। আমরা আগেই বলেছি এটা আমাদের সরকারের তৈরি না। কিন্তু ডিমান্ড ব্যবস্থাপনা বেশ কিছু সমস্যা হয়েছে। এ জায়গায় আমরা যদি মুক্ত মন নিয়ে বসতে পারতাম; কথা বলতে পারতাম; যদি কমন প্লাটফর্ম থেকে অ্যাড্রস করতে পারতাম তাহলে মানুষ একটা আস্থার স্থান খুঁজে পেত। আমরা বাস্তবধর্মী অ্যাড্রেস করতাম।

‘কিছু অসৎ লোক সব সময় সুবিধা নেয়’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যখন ক্রাইসিস পরিস্থিত আসে- ওরা সুযোগের অপেক্ষায় ওত পেতে বসে থাকে। আমি বলল- সেই লোক আমি হলেও আমাকে ছাড় দেবেন না। জাতির স্বার্থে আমি হলেও আমাকে ধরুন। বরং সাধারণ মানুষের চেয়ে আমাকে আরও বেশি করে এক্সপোজ করে দেন। যারা অসৎ তারা কোনো দলের হতে পারে না। এরা দলের সুবিধা নেয়। দল যদি বিপদে পরে ও সবার আগে পালাবে। এ ধরনের সুযোগ সন্ধানীদের কোনো সুযোগ দেওয়া উচিত না।

তিনি বলেন, এ হাউসে বসে আমরা যে ধরনের কথা বলব তা এই প্যারাডাইমের ভেতরে থাকবে না। গোটা দুনিয়ায় চলে যাচ্ছে এটা। তাই কথার মধ্যে ‘ভার’ থাকতে হবে। কথাগুলো সত্য হতে হবে। দায়িত্ব নিয়ে কথা বলতে হবে- আজ একটা বললাম কাল একটা বললাম; তাহলে জনগণ আমাদের কথা বিশ্বাস করবে না। একই বিষয়ের উপর কথার ধারাবাহিকতা থাকে এবং ময়দানে যে তার প্রয়োগ থাকে। এই দুইটা যখন জনগণ খুঁজে পাবে- তখন আমাদের কোনো স্টেটমেন্ট লাগবে না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৪৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২১

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২১

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২১