রবিউল আলম,কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ এবং অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। আজ রবিবার বেলা ২:৩০টা থেকে বিকেল ৪:০০টা পর্যন্ত চৌয়ারা ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব সুজন চন্দ্র রায়-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সজীব তালুকদার। অভিযানে সিপিসি-২, র্যাব-১১ এর সিনিয়র এএসপি ও স্কোয়াড কমান্ডার জনাব মিঠুন কুমার কুণ্ডু-সহ র্যাবের একটি চৌকস দল এবং স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান চলাকালীন রাজাপাড়া ও উত্তর চৌমুহনী এলাকার দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম পাওয়ায় আর্থিক দণ্ড প্রদান করা হয়
হোসেন এন্টারপ্রাইজকে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি এবং লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা পরিচালনার দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
জব্দকৃত ৪৮ লিটার অকটেন উপস্থিত সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয় (জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২ লিটার)।
তদন্তে দেখা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা লাইসেন্স ছাড়াই দাহ্য পেট্রোলিয়াম পণ্য (পেট্রোল, ডিজেল, অকটেন) অবৈধভাবে মজুত ও অননুমোদিত পাত্রে বিক্রি করছিলেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, জ্বালানি তেলের অননুমোদিত মজুত ও কালোবাজারি প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।