বিএনপি নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান সম্প্রতি আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম–এর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, অতীতে কেউ ছাত্রলীগ, ছাত্রদল বা ছাত্রশিবির করলেও এনসিপিতে যোগদানে বাধা নেই, যদি তারা দলের আদর্শ অনুসরণ করে। তবে ফ্যাসিবাদ, গণহত্যা, চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের জন্য কোনো সুযোগ নেই।
এ বক্তব্যের জবাবে রাশেদ খান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, যদি ছাত্রলীগের সাবেক কর্মীরা এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন, তাহলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কেন পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল এবং তাদের সবাইকে আন্ডারগ্রাউন্ডে পাঠানোর পরিবর্তে পুনর্বাসনের সুযোগ বিবেচনা করা উচিত।
তিনি আরও প্রস্তাব করেন, আওয়ামী লীগের কেউ এনসিপিতে, কেউ জামায়াতে কিংবা নতুনভাবে “রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ” হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় হতে পারে। এ প্রসঙ্গে তিনি সংসদ সদস্যদের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
রাশেদ খানের এ বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং পুনর্বাসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো করেছে।