তারাকান্দা, ময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে
তারাকান্দা উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল স্থগিতের সিদ্ধান্তে জনমনে স্বস্তির ছায়া নেমে এসেছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) তারাকান্দা বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশ এলাকায় এ আদেশ জারি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম।
জারিকৃত আদেশ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান রিয়াদ সরকারের ওপর হামলার প্রতিবাদে একই সময় ও একই স্থানে বিএনপির দুই গ্রুপের পৃথক বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেয়। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জনসাধারণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে রোববার দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তারাকান্দা বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশ এলাকায় সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত, মাইক বা শব্দযন্ত্র ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র এবং ৫ বা ততধিক ব্যক্তির একত্রে অবস্থান বা চলাচলও নিষিদ্ধ করা হয়।
বিজ্ঞাপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কেহ আদেশ অমান্য করলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য নয়।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৪৪ ধারার নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
যুবদল নেতা কামরুজ্জামান সরকার রিয়াদের এই দূরদর্শী ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত সচেতন মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। ১৪৪ ধারা জারির প্রেক্ষাপটে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন শুধু একটি পদক্ষেপ নয়, বরং এটি একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতেও তিনি যে ধৈর্য, সংযম ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন—তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এমন বিচক্ষণ নেতৃত্ব সময়ের দাবি। স্থানীয় জনগণও এই সিদ্ধান্তকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তার পক্ষে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। জননিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়াই একজন সচেতন ও মানবিক নেতার প্রকৃত পরিচয়।