বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ফিচার

‘যারা বলে ক্ষমতায় গিয়ে সংস্কার করবো, এগুলো ভাঁওতাবাজি’

তিনি বলেছেন, “যদি চাঁদাবাজি বন্ধ করা যায়, তবে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির মতো দলগুলো কর্মী পাবে না। আর দুর্নীতি বন্ধ হলে এ দলগুলো নেতা খুঁজে পাবে না। চাঁদাবাজির মাধ্যমে তারা কর্মী তৈরি করে, আর দুর্নীতির পথ উন্মুক্ত রেখে নেতা তৈরি করে। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হলো চাঁদাবাজি বন্ধ করা এবং দুর্নীতির পথ রোধ করা। […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জানুয়ারী ২০২৫, ১০:১৯

তিনি বলেছেন, “যদি চাঁদাবাজি বন্ধ করা যায়, তবে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির মতো দলগুলো কর্মী পাবে না। আর দুর্নীতি বন্ধ হলে এ দলগুলো নেতা খুঁজে পাবে না। চাঁদাবাজির মাধ্যমে তারা কর্মী তৈরি করে, আর দুর্নীতির পথ উন্মুক্ত রেখে নেতা তৈরি করে।

তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হলো চাঁদাবাজি বন্ধ করা এবং দুর্নীতির পথ রোধ করা। অতীতে দুর্নীতি করা দলগুলোর নেতারা যেন ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে প্রবেশ করতে না পারে, সেই পথও বন্ধ করতে হবে। আমরা আর আগের রাজনীতিতে ফিরে যেতে চাই না।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আগামীতে ক্ষমতায় কারা যাবে। যারা এই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছে, যারা রাজপথে নেমে আন্দোলন করেছে, জনগণ তাদের ওপর আস্থা রাখে।”

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “এই অভ্যুত্থানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা রাজপথে ছিলাম, ছাত্রদের পাশে ছিলাম। অন্য কোনো রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে রাজপথে ছিল না। বরং কিছু দলের নেতারা স্পষ্ট বলেছিলেন, তারা এই আন্দোলনের সঙ্গে নেই। এখন তারা এই আন্দোলনের কৃতিত্ব দাবি করছে।

কিন্তু আমরা প্রথম থেকেই বলেছিলাম, আমরা এই বিপ্লবের অংশীদার। ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের আগেই আমরা বলেছিলাম, কেবল সরকারের পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, রাষ্ট্র সংস্কার করতে হবে। কোটা সংস্কার নয়, রাষ্ট্রের পুরো কাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোও ধ্বংস হয়েছে। তাই কেবল কোটা সংস্কার নয়, বরং রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিও আমরা প্রথম থেকেই তুলে ধরেছি।”

অতএব এখন যদি কেউ বলে আমরা ক্ষমতায় গিয়ে সংস্কার করবো এগুলো ভাওতাবাজি। এরা অতীতে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে, সামনে ও প্রতারণা করবে। এজন্য কোনো রকম সংস্কারে তারা বিশ্বাস করে না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রমাণিত হয়েছে, এরা দেশপ্রেমিক একটি রাজনৈতিক দল। শুধুমাত্র এই ২৪ এর জুলাই বিপ্লব নয়, শুধু এই চেতনাই ইসলামী আন্দোলন ধারণ করে না বরং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যে চেতনার ভিত্তিতে বাংলাদেশের মানচিত্র নির্মিত হয়েছে, বাংলাদেশের মানচিত্র ৭১ এর ভিত্তিতে নির্মিত হয় নাই, আমরা ভূখন্ড পেয়েছি ১৯৪৭ এর দেশভাগের মধ্যে দিয়ে। যে চেতনার ভিত্তিতে ১৯৪৭ এ আমরা নতুন ভূখন্ড পেয়েছি, নতুন মানচিত্র পেয়েছি, এই চেতনা আমাদের মধ্যে আছে। ১৯৭১ এর সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার চেতনা আমাদের মধ্যে আছে।

আমরা ৪৭ এর চেতনাকে যেমন ধারণ করি, ৭১ এর চেতনাকে ও ধারণ করি, একইভাবে আমরা ২৪ এর জুলাইয়ের চেতনাকে ও ধারণ করি। যদি ভবিষ্যতে সংবিধান সংস্কার করতে হয়, এই তিনটি চেতনার সমন্বয়ে সংবিধান হবে। এটাকে মনে রাখতে হবে, নির্বাচন ব্যবস্থা অতীতে যে ভাবে নির্বাচন হয়েছে, এই ব্যবস্থায় নির্বাচন হলে কোনো সংস্কার কার্যকর হবে না। কারণ সৎ মানুষ, প্রকৃত জনপ্রতিনিধি, মানুষকে যারা ভালোবাসে, দেশকে যারা ভালাবাসে, এমন যোগ্য মানুষ যদি পার্লামেন্টে যেতে না পারে, পার্লামেন্টে শুধু দৈত্যদানবরা যাই, কালো টাকার মালিক এবং পেশিশক্তি যাদের আছে তারাই শুধূ পার্লামেন্টে যাই, কোনোদিন দেশ সঠিকভাবে পরিচালিত হবে না।

 

অতএব আগের পদ্ধতিতে নির্বাচন দিয়ে নতুন দেশ গঠিত হবে না। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের সবচেয়ে বড় যে কাজ সেটা হলো এই নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। এইজন্য আমাদের নেতা পীর সাহেব চরমোনাই ২০০৮ সালে দাবি জানিয়েছিলেন পেয়ার পদ্ধতি বা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা লাগবে। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা যাতে আগামীতে নির্বাচন হয়, সবদলের মধ্যে এক আছে, শুধুমাত্র চাই না বিএনপি। কেন চাই না তারা একাই ৩০০ আসন নিয়ে নিবে। এমন একটা মতলব তাদের আছে।

বাংলাদেশকে আর একটি দলের হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। অতীতে আমাদের অভিজ্ঞতা আছে, এভাবেই স্বৈরাচার কায়েম হয়েছে, এভাবেই ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছে। অতএব আমরা আগামীতে নতুন কোনো স্বৈরাচার, নতুন কোনো ফ্যাসিবাদ যাতে ক্ষমতায় না আসতে পারে এমন সকল পথ বন্ধ করে দিবো ইনশাল্লাহ।”

 

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২০০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৮১

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২০০

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটেই যাচ্ছে জামায়াত, শিগগিরই ঘোষণা

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান। মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:০৬

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জামায়াতের আমিরের এই জনসভা আরও বেশি ত্বরান্বিত করবে।

একটি দল শিরক করছে তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম বলেননি৷ আর জামায়াতে ইসলাম কিভাবে পরিচালনা হয়, দেশের মানুষ তা জানেন।

এসময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, জামায়াত মনোনীত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী-দেলাওয়ার হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২০০