আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।
তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।
কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।
তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।
অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
ভারতের ৭৭টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে পাকিস্তান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর ডনের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় ভারতের ২৯ টি এবং…
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ-এর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সম্পর্কে…