সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ. লীগ একটি মরা লাশ, আমাদের দায়িত্ব এই লাশকে কবর দেওয়া যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায় : নুর

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, “আওয়ামী লীগ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি পরিত্যক্ত রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ একটি মরা লাশ। এই লাশকে নিয়ে টানাটানি করে কোনো লাভ নেই। এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই লাশকে কবর দেওয়া, যাতে এই মরা লাশ দুর্গন্ধ না ছড়ায়।” সম্প্রতি এক গণসমাবেশে প্রধান […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ এপ্রিল ২০২৫, ১০:২১

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, “আওয়ামী লীগ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি পরিত্যক্ত রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ একটি মরা লাশ। এই লাশকে নিয়ে টানাটানি করে কোনো লাভ নেই। এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই লাশকে কবর দেওয়া, যাতে এই মরা লাশ দুর্গন্ধ না ছড়ায়।”

সম্প্রতি এক গণসমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভিপি নুর বলেন, “অপর রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে একটি বার্তা দিতে চাই—আজ আওয়ামী লীগের চাঁদাবাজি, রাহাজানি, নির্যাতন, নিপীড়ন, হাট-বাজার ইজারা নিয়ে চাঁদাবাজি, মানুষকে জিম্মি করার মতো দুর্বৃত্তপনায় তাদের নির্মম পতন ঘটেছে।

আমরা চাই না, মানুষ যেন সেই একই আচরণ আমাদের মধ্যে খুঁজে পাক। আজ আওয়ামী লীগের পতন ঘটেছে। এই এলাকার আওয়ামী লীগের অনেক বড় নেতা দেশ ছেড়ে লন্ডনে, দিল্লিতে পালিয়েছে। তাদের ছেলে-মেয়েরা বিদেশে মজমাস্তি করছে, আর যারা এখানে ছিল তারা এখন চরে-তরে, পাড়ায়-পাড়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা দেখেছেন, এই ৫ই আগস্টে আওয়ামী লীগের পতনের পর তাদের অনেক নেতা ভারতে পালিয়েছে। আমরা অনেক দিন ধরেই বলে আসছিলাম, আওয়ামী লীগ ভারতীয় তাবেদার একটি রাজনৈতিক দল, যারা ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে।

এখন সেই প্রমাণ আপনারা নিজেরাই দেখতে পাচ্ছেন। আজকে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং চীনের সঙ্গে চলমান সংকটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকেও অস্থির করতে ভারতের নানা ষড়যন্ত্র চলছে, যেখানে আওয়ামী লীগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “গ্রাম-গঞ্জ, পাড়া-মহল্লার সকল নাগরিক ও রাজনৈতিক দলকে বলব, আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত হোন।”

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, “এদেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—দু’টি বৃহৎ রাজনৈতিক দল ছিল। অনেক সাধারণ মানুষ যারা আওয়ামী লীগ সমর্থন করতেন কিংবা করতেন, কিন্তু তারা এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না—তাদের কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না।

তাদের ওপর কেউ জুলুম করবেন না। তবে যারা এলাকায় দখলদারি, চাঁদাবাজি, ভিন্নমতের ওপর হামলা ও মামলা করেছে—তাদের প্রশ্নে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না।”

ভিপি নুর আরও বলেন, “আওয়ামী লীগের বাংলায় কোনো রাজনৈতিক ঠিকানা থাকবে না। ‘এই বাংলায় হবে না আওয়ামী লীগের ঠিকানা’—এই স্লোগানে আজকের সমাবেশ মুখরিত।”

তিনি বলেন, “এই সরকার সকল রাজনৈতিক দলের সমর্থিত একটি সরকার। এই সরকারের কোনো বিরোধী দল নেই। আমরা কেউ সরকারবিরোধী নই। আমরা সবাই মিলে রাষ্ট্র সংস্কার ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করছি।

বারবার আলোচনায় বসে আমরা আহ্বান জানিয়েছি—আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগকে সন্ত্রাসী ও গণহত্যাকারী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করতে। ছাত্রলীগ ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ হয়েছে, আমরা আশা করি খুব দ্রুত আওয়ামী লীগ ও যুবলীগকেও নিষিদ্ধ করা হবে।”

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭