রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে বেকারদের ১০ লাখ টাকা করে ঋণ দেবে’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, আমরা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দেশে বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে ও যুবসমাজকে ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনা জামানতে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করবো। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ব্যবসায়ী সমাবেশে […]

নিউজ ডেস্ক

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ২২:৩১

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, আমরা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দেশে বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে ও যুবসমাজকে ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনা জামানতে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।
শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ব্যবসায়ী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করতে জামায়াতে ইসলামী এ দেশে সুদমুক্ত ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে। দেশসেরা ইসলামী ব্যাংক অল্প দিনেই এশিয়ার সেরা ব্যাংক হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সেই ইসলামী ব্যাংককে ধ্বংস করে দিয়েছে। পরবর্তীতে এক এক করে দেশের সব ব্যাংকের টাকা আওয়ামী লীগ লুট করে বিদেশে পাচার করেছে। ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে সচল করতে জামায়াতে ইসলামী প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ডা. তাহের আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে একটি চমৎকার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। পরিবর্তিত পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে ব্যবসায়ীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। এ সময় তিনি ব্যবসায়ীদের দেশপ্রেম বুকে লালন করে ব্যবসা করার অনুরোধ করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় ব্যবসায়ী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি আবদুস সালাম, এফবিসিসিআইর পরিচালক আলহাজ এনায়েত উল্ল্যাহ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ব্যবসা বিভাগের সেক্রেটারি ছগির বিন সাইদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা মেজবাহ উদ্দিন সাইদ, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী নেতা আইয়ুব আলী ফরাজী, হামিদুর রহমান সোহাগ, রাশেদুল হাসান রানা, রিহ্যাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ড. হারুনুর রশিদ, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী নেতা লায়ন সবুজ সর্দার প্রমুখ।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ড. মোবারক হোসাইন, ইঞ্জিনিয়ার শেখ আল-আমিন, মহানগরী দক্ষিণের সহকারী অফিস সম্পাদক আব্দুস সাত্তার সুমন, সহকারী প্রচার ও মিডিয়ার সম্পাদক আশরাফুল আলম ইমন, সহকারী সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমদ খান, ইসলামিয়া হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসনাত মো. মুর্তজাসহ বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ীরা।
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, একটি গতিশীল ও শক্তিবান একটা ব্যবসা গড়ে তুলতে প্রয়োজন দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্ব। আমাদের দেশের সব অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোতে দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিরা বসে আছেন। দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্ব ছাড়া কোনোভাবেই গতিশীল অর্থ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়। গত ১৬ বছর দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ছিল না। ভ্যাট ও ট্যাক্সের নামে ঘুষ, কমিশন বাণিজ্য, চাঁদাবাজি করে ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হয়েছে। এসব বন্ধ করতে হবে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে সব অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনে প্রকৃত ব্যবসায়ী ও সৎ ব্যক্তিরাই নেতৃত্ব দিবে। আর কোনো সালমান এফ রহমান, এস আলম সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। তিনি আগামীর বাংলাদেশ গঠনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে অংশগ্রহণ করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ৫ আগস্টের আগে বাংলাদেশে ব্যবসা ছিল কারুনের গোষ্ঠীর দখলে। এখন থেকে ব্যবসায়ীরা ওসমান (রা.)-এর মতো সৎ ও আদর্শবান ব্যবসায়ী হবে। সুদমুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ধারক ও বাহক হচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শহীদ মীর কাশেম আলীসহ জামায়াতের শীর্ষ নেতারা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আলোকিত করেছে। আর হাসিনা এবং তার চাটুকারেরা দেশের সম্পদ লুট করে অর্থনীতিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।
এই অর্থনীতি ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক করতে হলে ব্যবসায়ীদের অগ্রণী ভূমিকা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ হবে বিশ্বের রোলমডেল।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৪