বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

পাকিস্তান থেকে খেজুর, কমলাসহ কৃষিপণ্য আমদানি

বাংলাদেশের ব্যবসায় ও আমদানিকারকগণ রোজাসহ সারা বছরের চাহিদা মেটাতে পাকিস্তান থেকে খেজুর, কমলার পাশাপাশি অন্যান্য ফল ও কৃষিপণ্য আমদানিতে বড় সম্ভাবনা দেখছেন । পাশাপাশি পাকিস্তানে বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করছেন তারা। এ জন্য দু’দেশের মধ্যে শুল্ক-অশুল্ক বাঁধাসমূহ দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন উভয় দেশের ব্যবসায়ীবৃন্দ। বুধবার (২২ জানুয়ারি, ২০২৫) রাজধানীর গুলশানে এফবিসিসিআই […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৫, ১৫:৫৪

বাংলাদেশের ব্যবসায় ও আমদানিকারকগণ রোজাসহ সারা বছরের চাহিদা মেটাতে পাকিস্তান থেকে খেজুর, কমলার পাশাপাশি অন্যান্য ফল ও কৃষিপণ্য আমদানিতে বড় সম্ভাবনা দেখছেন । পাশাপাশি পাকিস্তানে বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

এ জন্য দু’দেশের মধ্যে শুল্ক-অশুল্ক বাঁধাসমূহ দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন উভয় দেশের ব্যবসায়ীবৃন্দ।

বুধবার (২২ জানুয়ারি, ২০২৫) রাজধানীর গুলশানে এফবিসিসিআই এবং পাকিস্তানের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত সভায় এসব কথা উঠে আসে।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআই এর প্রশাসক মোঃ হাফিজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, রমজান মাসে বাংলাদেশে খেজুরের প্রচুর চাহিদা থাকে। পাশাপাশি অন্যান্য ফলের চাহিদাও এ সময় বেড়ে যায়। এছাড়া বছর জুড়েই স্থানীয় বাজারে দেশি-বিদেশি ফলের বেশ চাহিদা থাকে।

বাংলাদেশের জন্য ফল ও কৃষিপণ্যের সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য উৎস হতে পারে পাকিস্তান, জানান এফবিসিসিআই এর প্রশাসক।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, বেসরকারি খাতে যৌথ উদ্যোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। সেই সাথে বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ এবং সম্প্রসারণের জন্য লজিস্টিক্স, সাপ্লাই চেইন, কোল্ড স্টোরেজ, প্যাকেজিং এবং পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর দেন উভয় দেশের ব্যবসায়ীগণ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তান হাই কমিশনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এটাচে জনাব জাইন আজিজ, এফবিসিসিআই –এর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান মোঃ জাফর ইকবাল এনডিসি, এফবিসিসিআই –এর নেতৃবৃন্দ, পাকিস্তানের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সদস্যবৃন্দ, বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্যরা।

অর্থনীতি

হঠাৎ বাংলাদেশিদের বিজনেস ভিসা দেওয়া শুরু করেছে ভারত

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, সীমিত জনবল ও সক্ষমতার মধ্যেও বাংলাদেশের আবেদনকারীদের জন্য আবারও ব্যবসায়িক ভিসা ইস্যু শুরু হয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজনের ভিসাগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া করা হচ্ছে।

হঠাৎ বাংলাদেশিদের বিজনেস ভিসা দেওয়া শুরু করেছে ভারত

ছবি :সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ নভেম্বর ২০২৫, ০৫:২৯

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, সীমিত জনবল ও সক্ষমতার মধ্যেও বাংলাদেশের আবেদনকারীদের জন্য আবারও ব্যবসায়িক ভিসা ইস্যু শুরু হয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজনের ভিসাগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া করা হচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত নেটওয়ার্কিং ও জ্ঞান বিনিময় আয়োজন ‘ফার্মা কানেক্ট’ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য দেন। প্রণয় ভার্মা বলেন, সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও কর্মীসংখ্যার সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু ভিসা আবেদন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল। তবে এখন সীমিত জনবল নিয়েই প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আবেদন প্রক্রিয়ায় আনা হচ্ছে।

হাইকমিশনার বলেন, বিজনেস ভিসা ইস্যুর কার্যক্রম আবারও চালু হয়েছে এবং জরুরি আবেদনের ক্ষেত্রে দ্রুত সাড়া দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, ব্যবসায়িক ভিসার জন্য প্রয়োজন হলে আবেদনকারীরা সরাসরি হাইকমিশনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল উদ্যোক্তা ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে ভিসা প্রাপ্তিতে জটিলতা থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সড়কপথে পণ্য পরিবহন আরও সহজ ও কার্যকর করার দাবি তুলেন।

ভারতের আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল প্রদর্শনী ‘সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫’–এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে সামনে রেখে এই আয়োজন করা হয়। আগামী ২৫ থেকে ২৭ নভেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে প্রদর্শনীটি।

অর্থনীতি

সরকারি অফিসের হয়রানি কমাবে নতুন ‘অ্যাপ’ : আশিক চৌধুরী

দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তারা এখনও হয়রানির শিকার হন—এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে নতুন ডিজিটাল ‘অ্যাপ’ চালু হলে সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে সাতদিনব্যাপী জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা […]

সরকারি অফিসের হয়রানি কমাবে নতুন ‘অ্যাপ’ : আশিক চৌধুরী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২১

দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তারা এখনও হয়রানির শিকার হন—এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে নতুন ডিজিটাল ‘অ্যাপ’ চালু হলে সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে সাতদিনব্যাপী জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা উদ্বোধনকালে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

আশিক চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করাই একটি কঠিন কাজ। নিবন্ধন জটিল, সেবা নিতে গেলে সরকারি অফিসে হয়রানির মুখে পড়তে হয়। এসব সমস্যা কমাতে আগামী বছর থেকেই উদ্যোক্তারা অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন।”

অনুষ্ঠানে তিনি শিল্প উপদেষ্টা, বিসিক ও বিভিন্ন শিল্প পার্কে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে কৃষিজমি রক্ষা করা সম্ভব হবে। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলা মেলায় অংশ নিয়েছে প্রায় ৪০০ এসএমই প্রতিষ্ঠান।

বক্তারা জানান, এসএমই খাতে বর্তমানে সুদহার ১৫ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির চাপের কারণে বেশি। এনজিও থেকে ঋণ নিলে সুদ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দিতে হয়, ফলে উদ্যোক্তাদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যায়। তারা বলেন, এসএমই ক্রেডিট কার্ড চালু হলেও বাস্তবে এটি পরিচালনা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আলোচনায় আরও উঠে আসে যে নির্বাচনের কারণে সব খাতেই স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, ফলে এসএমই–খাতে ঋণ কমছে। ব্যাংক খাতে এখন দেড় লাখ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। বক্তারা মনে করেন, চাহিদা বাড়লেই অর্থনীতির চাকা আবার সচল হবে।

এসময় রপ্তানির জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউসের কঠোর প্রক্রিয়া এসএমই খাতের জন্য আরও সহজ করার দাবি তোলা হয়।

অর্থনীতি

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে। ড. আহসান এইচ মনসুর […]

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বিগত সময়ে এই খাতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগবে।

তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমগুলো পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এগিয়ে নেবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

অর্থনীতির ভঙ্গুরতা এখনো পুরোপুরি না কাটলেও পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে বলে জানান গভর্নর। যদিও মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা এখনই ছোঁয়া সম্ভব হয়নি, তবে সে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য নতুন সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

এদিন দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সক্ষম করে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানান, সরকার কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ চায় না। বরং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে অর্থনীতির সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করবে নতুন সরকার।