মহরম হাসান মাহিম
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাঠালতলা এলাকায় অবস্থিত আল হাবীব(সঃ) নূরাণী ক্যাডেট স্কীম মাদ্রাসা বন্ধের ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, একটি কুচক্র মহল জমিদাতা ও সভাপতিকে উপেক্ষা করে পরিকল্পিতভাবে মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্ন করতে হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। মাদ্রাসা সংশ্লিষ্টদের দাবি, ওই কুচক্রিমহল মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মোস্তফা কামাল (হাবিব)-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসিয়ে ছড়িয়ে তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অভিভাবকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি এলাকায় ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার ও নৈতিকতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। অথচ একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত মহলটি পরিচালক মাওলানা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে এলাকায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব এম আলী আহমদ-কেও হেনস্তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, “আমাদের সন্তানরা এখানে নিয়মিত কিরাত ও ইসলামী শিক্ষায় পড়াশোনা করছে। মাদ্রাসা বন্ধের ষড়যন্ত্র হলে আমরা কঠোর প্রতিবাদ করবো। মিথ্যা অপবাদ ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে ফাঁসিয়ে দিয়ে একজন আলেমকে হেনস্তা করার চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না।” এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাকালীন থেকে তার এই পর্যন্ত অনেক অবদান রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এ ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বিষয়টি তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মোস্তফা কামাল (হাবিব)- জানান আমার বিরুদ্ধে পূর্বে ২০২৫ সালে ও এমন ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ তুলে ধরেন যার প্রতিবাদ হিসাবে আমি ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবে একবার সংবাদ সম্মেলনে করেছি, এখন আবার আমার বিরুদ্ধে তারা লেগে উঠেছে এবং কথিত একজন মহিলাকে দিয়ে আমাকে কল রেকর্ড এর মাধ্যমে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে ফাঁসিয়েছে। আমার সঙ্গে যদি কারো ব্যক্তিগত সমস্যা থেকে থাকে আপনারা আমার সঙ্গে কথা বলেন তবে একটি সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান নিয়ে অপপ্রচার করা বন্ধ করেন। না হলে অত্র মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী আসা বন্ধ হয়ে গিলে এই প্রতিষ্ঠান ও বন্ধ হয়ে যাবে।
স্থানীয় কয়েকজন জানান এই হুজুর এর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে আমরা এলাকা ভিত্তিক সালিশের মাধ্যমে ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন নিয়ে এর বিচার করবো ও তার কুকালাম তুলে ধরবো।
তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানান, মিথ্যা অপবাদ ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তারা প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি রক্ষায় এলাকাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।