আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, সরকারকে বারবার গেইটলক বাসের মতো বলতে হচ্ছে—বিশ্বাস করুন, নির্বাচন যথাসময়ে হবে।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “দুই দিন আগে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস কনফারেন্সে বারবার বলা হলো—ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে, হবে, হবে।
আল্লাহর কসম, কেন এভাবে বলতে হচ্ছে? তাদের দায়িত্ব সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনা। এরপর জনগণ যাকে ভালো মনে করবে, তাকেই নির্বাচিত করবে।”
তিনি আরও বলেন, “একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণ যে কাউকে ক্ষমতায় আনবে। তারা যদি দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করে, জনগণ পাঁচ বছর পর আবার ভোট দেবে। আর যদি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের বিদায় করবে।”
ছবি নিয়ে রাজনীতির প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা তীব্র সমালোচনা করেন। সাম্প্রতিক সময়ে স্প্যানিশ অ্যাম্বাসাডরের সঙ্গে একটি ছবি ভাইরাল হয়ে তাকে আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ হিসেবে ট্যাগ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান বা রাষ্ট্রদূতের বাসায় গেলে ছবি তুলতেই হয়। এটা সৌজন্যের অংশ। এ নিয়ে রাজনীতি করা হাস্যকর এবং বস্তি মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “ফরাসি অ্যাম্বাসাডরের বাসায়ও একবার ছবি ভাইরাল হয়েছিল। আমি এখনো বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক। রাষ্ট্রদূতরা আমন্ত্রণ জানালে আমি অবশ্যই অংশ নেব। তারা ছবি তুলতে চাইলে আমি না বলতে পারি না। একজন রাষ্ট্রদূতের সামনে এভাবে রাজনৈতিক ট্যাগ দেওয়া যায় না।”
সব মিলিয়ে রুমিন ফারহানা মনে করেন, নির্বাচন নিয়ে সরকারের অস্পষ্ট বার্তা এবং ছবি রাজনীতি—উভয়ই দেশে অস্বাস্থ্যকর রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিচায়ক।