শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ. লীগ একটি মরা লাশ, আমাদের দায়িত্ব এই লাশকে কবর দেওয়া যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায় : নুর

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, “আওয়ামী লীগ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি পরিত্যক্ত রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ একটি মরা লাশ। এই লাশকে নিয়ে টানাটানি করে কোনো লাভ নেই। এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই লাশকে কবর দেওয়া, যাতে এই মরা লাশ দুর্গন্ধ না ছড়ায়।” সম্প্রতি এক গণসমাবেশে প্রধান […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ এপ্রিল ২০২৫, ১০:২১

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, “আওয়ামী লীগ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি পরিত্যক্ত রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ একটি মরা লাশ। এই লাশকে নিয়ে টানাটানি করে কোনো লাভ নেই। এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই লাশকে কবর দেওয়া, যাতে এই মরা লাশ দুর্গন্ধ না ছড়ায়।”

সম্প্রতি এক গণসমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভিপি নুর বলেন, “অপর রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে একটি বার্তা দিতে চাই—আজ আওয়ামী লীগের চাঁদাবাজি, রাহাজানি, নির্যাতন, নিপীড়ন, হাট-বাজার ইজারা নিয়ে চাঁদাবাজি, মানুষকে জিম্মি করার মতো দুর্বৃত্তপনায় তাদের নির্মম পতন ঘটেছে।

আমরা চাই না, মানুষ যেন সেই একই আচরণ আমাদের মধ্যে খুঁজে পাক। আজ আওয়ামী লীগের পতন ঘটেছে। এই এলাকার আওয়ামী লীগের অনেক বড় নেতা দেশ ছেড়ে লন্ডনে, দিল্লিতে পালিয়েছে। তাদের ছেলে-মেয়েরা বিদেশে মজমাস্তি করছে, আর যারা এখানে ছিল তারা এখন চরে-তরে, পাড়ায়-পাড়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা দেখেছেন, এই ৫ই আগস্টে আওয়ামী লীগের পতনের পর তাদের অনেক নেতা ভারতে পালিয়েছে। আমরা অনেক দিন ধরেই বলে আসছিলাম, আওয়ামী লীগ ভারতীয় তাবেদার একটি রাজনৈতিক দল, যারা ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে।

এখন সেই প্রমাণ আপনারা নিজেরাই দেখতে পাচ্ছেন। আজকে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং চীনের সঙ্গে চলমান সংকটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকেও অস্থির করতে ভারতের নানা ষড়যন্ত্র চলছে, যেখানে আওয়ামী লীগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “গ্রাম-গঞ্জ, পাড়া-মহল্লার সকল নাগরিক ও রাজনৈতিক দলকে বলব, আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত হোন।”

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, “এদেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—দু’টি বৃহৎ রাজনৈতিক দল ছিল। অনেক সাধারণ মানুষ যারা আওয়ামী লীগ সমর্থন করতেন কিংবা করতেন, কিন্তু তারা এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না—তাদের কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না।

তাদের ওপর কেউ জুলুম করবেন না। তবে যারা এলাকায় দখলদারি, চাঁদাবাজি, ভিন্নমতের ওপর হামলা ও মামলা করেছে—তাদের প্রশ্নে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না।”

ভিপি নুর আরও বলেন, “আওয়ামী লীগের বাংলায় কোনো রাজনৈতিক ঠিকানা থাকবে না। ‘এই বাংলায় হবে না আওয়ামী লীগের ঠিকানা’—এই স্লোগানে আজকের সমাবেশ মুখরিত।”

তিনি বলেন, “এই সরকার সকল রাজনৈতিক দলের সমর্থিত একটি সরকার। এই সরকারের কোনো বিরোধী দল নেই। আমরা কেউ সরকারবিরোধী নই। আমরা সবাই মিলে রাষ্ট্র সংস্কার ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করছি।

বারবার আলোচনায় বসে আমরা আহ্বান জানিয়েছি—আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগকে সন্ত্রাসী ও গণহত্যাকারী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করতে। ছাত্রলীগ ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ হয়েছে, আমরা আশা করি খুব দ্রুত আওয়ামী লীগ ও যুবলীগকেও নিষিদ্ধ করা হবে।”

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১০৩

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১০৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৫

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৫