মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেশে ১০০ ভাগ ভালো কাজের মধ্যে ৭০ ভাগ বিএনপি করেছে : তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গার্মেন্টস সেক্টরে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানো, যেটাই বলেন, সেটাই বিএনপি করেছে। দেশের ১০০ ভাগ ভালো কাজের মধ্যে ৭০ ভাগ বিএনপি করেছে। তিনি বলেন, ‘এটি কাগজপত্র ও কলমের হিসাব। এজন্যই জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখে।’ ঠাকুরগাঁওয়ের তথা দেশের স্বনামধন্য উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিও’র প্রধান কার্যালয় ঠাকুরগাঁওয়ে […]

দেশে ১০০ ভাগ ভালো কাজের মধ্যে ৭০ ভাগ বিএনপি করেছে : তারেক রহমান

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গার্মেন্টস সেক্টরে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানো, যেটাই বলেন, সেটাই বিএনপি করেছে। দেশের ১০০ ভাগ ভালো কাজের মধ্যে ৭০ ভাগ বিএনপি করেছে।

তিনি বলেন, ‘এটি কাগজপত্র ও কলমের হিসাব। এজন্যই জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখে।’

ঠাকুরগাঁওয়ের তথা দেশের স্বনামধন্য উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিও’র প্রধান কার্যালয় ঠাকুরগাঁওয়ে জয়নাল আবেদীন মিলনায়তনে আয়োজিত ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি’ বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদেরও সীমাবদ্ধতা আছে, নানা রকম সমস্যা আছে। তার ভেতর দিয়েই আমরা চলছি। তার ভেতর দিয়েই আমরা চেষ্টা করছি কিছু করার। মানুষকে দেওয়া কমিটমেন্টগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য। আমরা যেটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি সেটা পূরণ করার জন্য বদ্ধপরিকর।’

তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আজ যারা এখানে উপস্থিত আছেন, তারাও ভবিষ্যতে জনপ্রতিনিধি হতে পারেন। আর না হলেও আপনারা তো জনগণেরই অংশ, আপনাদের মাধ্যমেই আমরা আমাদের ৩১ দফা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই।’

সংস্কারের বিষয়ে বিএনপির মতপার্থক্য আছে এবং অতীতে দলটির দেশ সংস্কার প্রচেষ্টার ইতিহাস তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি দেশের সংস্কার শুরু করেছিল সেই জিয়ার সময় থেকে। বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময় প্রেসিডেন্সিয়াল ফাউন্ড থেকে সংসদীয় পদ্ধতি। এগুলোতো সংস্কারেরই অংশ।

এছাড়া, বিএনপি ধারাবাহিকভাবে সংস্কার করে আসার চেষ্টা ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ও সংস্কার করেছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘সেটি শিক্ষা থেকে শুরু করে, প্রশাসন, দেশ পরিচালনা, স্বাস্থ্য, খাদ্য উৎপাদন, কৃষিসহ সব ক্ষেত্রেই বিএনপি শুধু সংস্কারে অবদান রেখেছে না সংস্কারও করেছে।’

তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সংস্কারের দুইটি বিষয় দেখেছি, কার ক্ষমতা বাড়বে, কার ক্ষমতা কমবে। কৃষি, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, সবকিছু নিয়ে ৩১ দফায় আনার চেষ্টা করেছি।’

সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আমরা সংস্কার শুরু করব আমাদের পরবর্তী জেনারেশন ও নেতাকর্মীরা সেটি চালিয়ে নিয়ে যাবেন। সংস্কার এমন একটি বিষয়, যেটি চলমান প্রক্রিয়া।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি চাপের মধ্যেই সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছি। যখন নিষ্পেষিত, যখন আমার মহাসচিব জেলে, পার্টির চেয়ারপারসন জেলে। দলের হাজারো নেতাকর্মী তখন জেলে। লাখো নেতাকর্মী গায়েবি মামলায় যখন দরজার পেছনে ছিল, অপেক্ষা করছিল ঠিক কোন সময় তারা আবার বেরিয়ে আসবে সংগ্রামে নামবে। ঠিক সেই সময় আমি সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছি।

তিনি বলেন, ‘এই দলকে প্রতিষ্ঠা করতে বহু সংগ্রাম করতে হয়েছে, বহু পথ পাড়ি দিয়ে আসতে হয়েছে। বহু নেতা-কর্মী জীবন দিয়েছেন, কেউ কেউ পঙ্গু হয়েছেন। মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু আমরা যা বলেছি তাই করবো ইনশাল্লাহ। যেটা কমিটমেন্ট মানুষের সঙ্গে করেছি আমরা সেটা করব।’

সংস্কারকে একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আজ যেটুকু শুরু করব, পরবর্তী প্রজন্ম সেটি এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমিন। ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও দিনাজপুর জেলা পর্যায়ের নেতারা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২