শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্য বিভ্রান্তিকর: প্রেস উইং

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (ডিএনআই) প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ইসলামি চরমপন্থা নিয়ে করা মন্তব্যকে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন বলে আখ্যা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সোমবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তার বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয় এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও ভাবমূর্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার হিসেবে অভিহিত করা হয়। […]

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্য বিভ্রান্তিকর: প্রেস উইং

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ মার্চ ২০২৫, ০৬:৪১

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (ডিএনআই) প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ইসলামি চরমপন্থা নিয়ে করা মন্তব্যকে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন বলে আখ্যা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সোমবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তার বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয় এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও ভাবমূর্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার হিসেবে অভিহিত করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের জন্য সম্প্রীতির দেশ। তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্যে বাংলাদেশকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। এতে আরও বলা হয়, “আমরা গভীর উদ্বেগ ও হতাশার সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে, তুলসী গ্যাবার্ড বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা নিপীড়ন ও হত্যার শিকার হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। অথচ এই অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।”

এনডিটিভি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলসী গ্যাবার্ড বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বব্যাপী ইসলামি সন্ত্রাসবাদ দমনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুর ওপর নিপীড়ন, হত্যা এবং নির্যাতন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। তার এই বক্তব্যের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকার জানায়, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে শান্তিপূর্ণ ইসলাম চর্চার দেশ এবং এটি চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।

সরকারের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশকে ভিত্তিহীনভাবে ‘ইসলামিক খিলাফত’ আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করার যে প্রচেষ্টা চলছে, তা সম্পূর্ণ অন্যায্য এবং বাংলাদেশের জনগণের চেষ্টাকে খাটো করে দেখার শামিল। এই ধরনের বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা উসকে দেওয়া হচ্ছে, যা অগ্রহণযোগ্য।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে অংশীদারিত্বে সন্ত্রাসবাদবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং এর জন্য কঠোর আইন প্রয়োগ ও সামাজিক সংস্কারের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বিশ্বের অনেক দেশ চরমপন্থার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়, তবে এটি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এসব সমস্যা মোকাবিলা করছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, “বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানিয়ে এবং বাস্তবতার নিরিখে গঠনমূলক সংলাপের ভিত্তিতে যে কোনো সহযোগিতার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রস্তুত।” এতে আরও বলা হয়, “সন্ত্রাসবাদ দমনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যে কোনো যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ অংশ নিতে আগ্রহী। তবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার প্রচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের আলোচনা শুরু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তুলসী গ্যাবার্ড। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে ইসলামি চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদের উত্থান সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসন অবগত এবং এটি একটি উদ্বেগজনক বিষয়।” তার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সরকার জানায়, “বাংলাদেশ সরকার কখনোই সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয়নি এবং বরং কঠোর হাতে দমন করেছে। এই ধরনের অভিযোগ শুধু দেশের ভাবমূর্তিকে কলঙ্কিত করার অপপ্রয়াস।”

তুলসী গ্যাবার্ড তার বক্তব্যে দাবি করেন, “বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো একই আদর্শের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং তারা ইসলামি খিলাফতের শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।” ট্রাম্প প্রশাসন এটিকে ‘উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে চিহ্নিত করে এবং এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও তিনি জানান। তবে সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভেতরকার বাস্তব পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। বাংলাদেশে উগ্রবাদ বা ধর্মীয় সহিংসতার কোনো জায়গা নেই এবং রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব ধরনের চরমপন্থা কঠোরভাবে দমন করে আসছে।”

বাংলাদেশ সরকার তুলসী গ্যাবার্ডের এ ধরনের মন্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যা দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে সংবেদনশীল বিষয়ে মন্তব্য করার আগে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, “যারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্বশীল অবস্থানে রয়েছেন, তাদের উচিত তথ্যভিত্তিক ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা, যাতে অযথা গুজব বা ভুল তথ্যের মাধ্যমে কোনো দেশের বিরুদ্ধে ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টি না হয়।”

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫

আন্তর্জাতিক

‘ভারত যদি বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে মিসাইল ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’ : পাকিস্তানি নেতা

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।

ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।

তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫

আন্তর্জাতিক

ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ২০১৯ সালেই ট্রাম্পের কাছে ইউক্রেন চেয়েছিল রাশিয়া

২০১৯ সালে ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এক ধরনের ‘সমঝোতার ইঙ্গিত’ দিয়েছিল রাশিয়া—এমন তথ্য সামনে এসেছে সম্প্রতি। সে সময় ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–এর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল মস্কো। বিনিময়ে শর্ত ছিল, যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেন থেকে তাদের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন সরিয়ে নেয়। ঘটনাটি ঘটে ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর প্রথম মেয়াদে। তৎকালীন রাশিয়া ও […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৫

২০১৯ সালে ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এক ধরনের ‘সমঝোতার ইঙ্গিত’ দিয়েছিল রাশিয়া—এমন তথ্য সামনে এসেছে সম্প্রতি। সে সময় ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–এর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল মস্কো। বিনিময়ে শর্ত ছিল, যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেন থেকে তাদের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন সরিয়ে নেয়।

ঘটনাটি ঘটে ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর প্রথম মেয়াদে। তৎকালীন রাশিয়া ও ইউরোপ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ফিওনা হিল মার্কিন কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিয়ে জানান, রুশ কর্মকর্তারা ভেনেজুয়েলা ও ইউক্রেনকে ঘিরে একটি ‘অদ্ভুত বিনিময় কাঠামো’ প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনে অবাধ প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেলে ভেনেজুয়েলায় মাদুরোর প্রতি সমর্থন ছেড়ে দিতে রাজি ছিল রাশিয়া।

ফিওনা হিল আরও জানান, রুশ কূটনৈতিক ও গণমাধ্যমের বিভিন্ন বার্তায় ‘মনরো ডকট্রিন’–এর প্রসঙ্গ টেনে এই ধারণা ছড়ানো হয়েছিল। যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি, তবে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত একাধিকবার এই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে হিল স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তখন এই প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি এবং ইউক্রেন ও ভেনেজুয়েলার বিষয়কে আলাদা হিসেবেই দেখেছিল। সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫