মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শেখ হাসিনাকে বলতে চাই— ’নিজ হাতে ভেঙে এই ইট নিয়ে আসছি, তোমার সেই শাসন কোথায়?

ধানমন্ডি ৩২-এ উত্তাল ছাত্র-জনতা, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুরের ঘটনায় চরম উত্তেজনা সন্ধ্যা নামতেই ধানমন্ডির আশপাশের এলাকায় হাজারো ছাত্র-জনতা জমায়েত হতে থাকে। একসময় তারা ইট, পাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে এবং বুলডোজারের সাহায্যে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ভবনে। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা ভবনটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভের জন্য এক ভয়াবহ অধ্যায় […]

শেখ হাসিনাকে বলতে চাই— ’নিজ হাতে ভেঙে এই ইট নিয়ে আসছি, তোমার সেই শাসন কোথায়?

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২৩:৪৫

ধানমন্ডি ৩২-এ উত্তাল ছাত্র-জনতা, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুরের ঘটনায় চরম উত্তেজনা

সন্ধ্যা নামতেই ধানমন্ডির আশপাশের এলাকায় হাজারো ছাত্র-জনতা জমায়েত হতে থাকে। একসময় তারা ইট, পাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে এবং বুলডোজারের সাহায্যে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ভবনে। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা ভবনটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভের জন্য এক ভয়াবহ অধ্যায় রচনা করল।

বিক্ষোভকারীরা শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভাঙতে শুরু করে, স্লোগান দিতে দিতে তাদের উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়। শুধু ভবনটিই নয়, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিসৌধকেও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়।

এদিকে, বুলডোজারের আঘাতে এবং লাগাতার ভাঙচুরের ফলে বাড়িটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, বাড়িটি যেকোনো মুহূর্তে সম্পূর্ণ ধসে পড়তে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি শুধু একটি ভবন ভাঙচুরের ঘটনা নয়, বরং এটি রাজনৈতিক প্রতিশোধের বহিঃপ্রকাশ, যা দেশের রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

এসময় এক ছাত্র বলেন, “নিজ হাতে ভেঙে নিয়ে আসছি এই ইট, বাসায় নিয়ে যাব।” তিনি আরও বলেন, “এই বাড়ি থেকেই যে শাসনতন্ত্রের সূচনা হয়েছিল, যে রাজতন্ত্র স্থাপন হয়েছিল, তারই প্রতি প্রতিবাদস্বরূপ আজকের এই ইট। এই বাড়ির প্রতিটি ইট বাংলাদেশের জনগণ ভেঙে চুরমার করেছে। আমি আজ এই ইট হাতে নিয়ে শেখ হাসিনাকে বলতে চাই— তোমার সেই শাসন কোথায়? তোমার অহংকার কোথায়? বাংলার মানুষ তোমাকে ছাড় দেয়নি। বাংলার মানুষ তোমার বাবার বাড়ির ইট পর্যন্ত নিয়ে আসছে।”

তিনি আরও জানান, “এই ইট আমি আজীবন সংরক্ষণ করতে চাই। এটি যেন পরবর্তী যেকোনো রাজনৈতিক দলের জন্য সতর্কবার্তা হয়, যারা স্বৈরশাসন কায়েম করার চেষ্টা করবে। এটি একটি প্রতীক, যে বাংলার জনগণ তাদের বাড়ির ইট পর্যন্ত খুলে নিয়ে আসতে পারে। সুতরাং, এই ইটটি সকল স্বৈরশাসকের জন্য সাবধানতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৪