বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আগামী দিনে বিএনপির রাজনীতি হবে জনগণ ও দেশের কল্যাণে : ইশরাক হোসেন

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, আমি আপনাদের সবার সামনে ওয়াদা করতে চাই আগামী দিনে বিএনপির রাজনীতি একমাত্র জনগণের কল্যাণে হবে দেশের কল্যানে হবে অন্য কোন কিছু আমরা সুযোগ দেবো না। বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ কেউ যদি অপকর্ম করে থাকে তাহলে সেটাকে আমরা গ্রহণ […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ জানুয়ারী ২০২৫, ১৬:৩৬

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, আমি আপনাদের সবার সামনে ওয়াদা করতে চাই আগামী দিনে বিএনপির রাজনীতি একমাত্র জনগণের কল্যাণে হবে দেশের কল্যানে হবে অন্য কোন কিছু আমরা সুযোগ দেবো না। বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ কেউ যদি অপকর্ম করে থাকে তাহলে সেটাকে আমরা গ্রহণ করবো না। আমাদের দলের নাম ব্যবহার করে দুই একটি অপকর্ম করে থাকলেও সেটার দায়ভার কিন্তু আমরা নেবোনা।

কারণ সেটার আমাদের উপর আসে না কারণ আমরা কি সরকারে আছি আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছে যে আমরা নিয়ন্ত্রণ করবো। এটার নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব সরকারের। যে কারো নাম দিয়ে যদি কেউ চাঁদাবাজি করে এটা নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার। কারণ এটার জন্য সরকারকেই দায়ভার নিতে হবে। আমাদের নেতার বক্তব্য বিএনপির নাম দিয়ে যদি কেউ চাঁদাবাজি করে সেটাকে আমরা গ্রহণ করব না। আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করবো এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি। আগামী দিনে সেটা আপনারা দেখতে পাবেন।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানী পুরান ঢাকায় সাদেক হোসেন খোকা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শীতার্ত অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক সুমন ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন আরও বলেন, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঐক্যের প্রতীক গণতন্ত্রের প্রতীক শান্তির প্রতীক এবং এই উপমহাদেশে অন্যতম একজন নেত্রী হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণ অক্ষরে লেখা থাকবে। কারণ উনি গনতন্ত্রের বিষয়ে কোন ধরনের আপোষ করেননি। তিনি আপস করেননি দেখেই উনাকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে। গৃহবন্ধী করে রাখা হয়েছে। উনাকে সুচিকিৎসা সময়মত দেওয়া হয়নি যার কারণে তার শারীরিক অবস্থা আরও সংকটা পন্য হয়েছিল। কিন্তু মহান আল্লাহতালার কি খেলা দেখেন আমাদের নেত্রী এখন সুচিকিৎসা নিচ্ছেন ইনশাল্লাহ সুস্থ হয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসে আমাদেরকে নেতৃত্ব দিবেন।

আমরা ছোট বেলা থেকেই দেখে এসেছি আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে অসহায় ও দুস্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন সেখানে আমার পিতা মরহুম সাদেক হোসেন খোকাও বিভিন্ন সময় ছিলেন। তার থেকে শিক্ষা নিয়ে কিন্তু আজকে আমরা যে রাজনৈতিক কর্মকান্ড রয়েছে সেটি করে চলেছি।

আমরা জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করবো রাজনীতি করতে চাই এবং আমাদের লক্ষ্য একটাই সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ যাতে ভালো থাকে। এই দেশে যে দারিদ্র্য জনগোষ্ঠী রয়েছে সেই জায়গায় থেকে আগামী দিনে এর যেন উত্তরোন ঘটে বাংলাদেশ যাতে উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত হয় তার জন্য আমরা কাজ করবো।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার খুনী ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে বাংলাদেশকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। বিভিন্ন সময় রিলিফ এর যে সামগ্রী বিশেষ করে করোনা সময় সেটা তাদের নেতাকর্মীদের বাসা বাড়ির খাটের তলায় পাওয়া গিয়েছিল।সেটা জনগণের কাছে পৌঁছায়নি। আর আমরা যতদিন বিরোধী দলে ছিলাম তখন সরকারি কোন অনুদান পাওয়ার কোন সুযোগ ছিল না। আমরা নিজ থেকে উদ্যোগ নিয়ে জনগণের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি। এখানেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতির পার্থক্যটা বুঝে নিতে হবে।

আমরা জনগণের পাশে আছি জনগণের জন্য রাজনীতি করি যার কারণে যত বিপদ আপদ ঝড় তুফান গিয়েছে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়নি। আমরা আপনাদের পাশে ছিলাম বরং আপনারা আমাদের বিভিন্ন সময় আশ্রয় দিয়েছেন বাসা বাড়িতে। আপনাদের অধিকার নিয়ে যখন লড়াই করেছি ঠিক তখনই খুনি হাসিনা হায়না বাহিনী আমাদের উপর হামলা করেছে। আপনার আমাদের পাশে ছিলেন এবং আশ্রয় দিয়েছেন।

তরুণ প্রজন্মের একজন প্রতিনিধি হয়ে বলতে চাই আর কোন দিন যাতে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম না হয়। সেটা যে কোন নামে বা দলের মাধ্যমে।

ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রটাকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র করা হয়েছিল ১৯৭১ সালে। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র থাকবে এবং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হবে পাঁচ বছর পর পর জনগণ ভোট দিয়ে তাদের নির্বাচিত করবে এবং সরকারে পাঠাবে তাহলে এত দুর্নীতি গুম,খুন যাই হয়েছে কোন কিছুই হত না। কারণ তখন জনগণের কাছে জবাবদিহি আওতায় থাকতে হতো। ভোটের জন্য প্রতি পাঁচ বছর পর পর জনগণের কাছে যেতে হত।

তিনি বলেন, আমরা এখন আশা রাখি আমাদের নেতা দেশনায়ক তারেক রহমান যে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমাদের আন্দোলন সংগ্রামে উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি লন্ডনে বসে থেকে অনুপ্রাণিত করেছেন সেটি দেখে কিন্তু সারা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ অনুপ্রেরণা নিয়ে স্বৈরাচারকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করেছে এবং আগামী দিনে আমাদের যে ঘোষিত ৩১ দফার কর্মসূচি সেই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশে গণতন্ত্র পার্মানেন্টলি প্রতিষ্ঠা পাবে এবং জনগণের কল্যাণে যা যা করনীয় সকল কিছু করা হবে।

জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় জনগণের কথা বলার অধিকার থাকে বেঁচে থাকার অধিকার থাকে আপনাদের ছেলে মেয়েরা যাতে ভালো শিক্ষা ব্যবস্থা হয় আপনাদের যাতে ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা হয় এই ধরনের সেবাগুলো যাতে আমরা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি সেটার লক্ষ্যে আগামী দিনে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদি দল আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসলে সে কাজগুলো করা হবে ইনশাআল্লাহ।

অনুষ্ঠানটিকে সফল ও সার্থক করে তুলতে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনসমূহের যেসব নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন- কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হায়দার আলী বাবলা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল আজিম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, ৩৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সিরাজ উদ্দিন, কোতোয়ালি থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহম্মেদ হোসেন সোবহান, কোতোয়ালি

থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল হাওলাদার, ৩৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক হাজী আফজাল হোসেন লিটন, সদস্য সচিব রুবেল হাওলাদার, কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আকাশ মাহমুদ, কোতোয়ালি থানার ছাত্রদলের সদস্য সচিব মামুন, মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কিরণ, কোতোয়ালি থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জাহিদ জামাল, কোতোয়ালি থানা কৃষক দলের সদস্য সচিব আপন, কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের সভাপতি দ্বীন ইসলাম প্রমুখ।

 

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮