বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

খেলা

ভারতকে উড়িয়ে ১০ বছর পর ট্রফি জিতল অস্ট্রেলিয়া

দশ বছর পর বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি জিতলো অস্ট্রেলিয়া। ভারতের বিপক্ষে সিডনি টেস্ট জিতে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি ৩-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে অজিরা। সিডনি টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুতেই ১৫৭ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত। তাতে অস্ট্রেলিয়ার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬২ রানের। ৬ উইকেট হাতে রেখেই সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অজিরা। ফলে ২০১৪-১৫ মৌসুমের পর আবারও বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি ঘরে […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জানুয়ারী ২০২৫, ১৫:৩১

দশ বছর পর বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি জিতলো অস্ট্রেলিয়া। ভারতের বিপক্ষে সিডনি টেস্ট জিতে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি ৩-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে অজিরা।

সিডনি টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুতেই ১৫৭ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত। তাতে অস্ট্রেলিয়ার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬২ রানের। ৬ উইকেট হাতে রেখেই সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অজিরা।

ফলে ২০১৪-১৫ মৌসুমের পর আবারও বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি ঘরে তুললো অস্ট্রেলিয়া। তার পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার পর টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে প্যাট কামিন্সের দল।

সিডনিতে দ্বিতীয় দিনেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল তৃতীয় দিনেই চলে আসবে এই টেস্টের ফল। আর হয়েছেও তাই। দিনের শুরুতেই ভারতের বাকি উইকেটগুলো দ্রুত তুলে নেয় অজি বোলাররা।

তাদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন অজি পেসার স্কট বোল্যান্ড। ৩৫ বছর বয়সী এই অজি পেসার ৪৫ রানে নেন ৬ উইকেট। যা টেস্ট ক্রিকেটে তার দ্বিতীয়বার পাঁচ উইকেট। এছাড়াও প্যাট কামিন্স পেয়েছেন ৩ উইকেট।

এ দিকে ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসের এক রিঝভ পন্থ বাদে কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। দ্বিতীয় দিনে টি-টোয়েন্টি স্টাইলে ব্যাট করে ৩৩ বলে ৬১ রান করেছিলেন পন্থ।

১৬২ রানের জবাব দিতে নেমে শুরুটা ভালো করে অস্ট্রেলিয়া। স্যাম কনস্টাস ও উসমান খাজার ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৩৯ রান। এরপর হঠাৎ দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে অজিরা।

তবে শেষ দিকে ট্রাভিস হেড এবং অভিষেক টেস্ট খেলা বিউ ওয়েবস্টার অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। হেড ৩৪ এবং ওয়েবস্টার ৩৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। ভারতের হয়ে ৩ উইকেট পান প্রসিধ কৃষ্ণ।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং তোপে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৮৫ রানেই গুটিয়ে যায় ভারত। তবে বল হাতে জবাবটা ভালোই দিয়েছিল ভারত। অস্ট্রেলিয়াকে ১৮১ রানে অলআউট করে তারা। তাতে ৪ রানে লিডও পেয়ে যায়।

তবে ভারতের প্রথম ইনিংসে চোটের কারণে মাত্র ১০ ওভার বোলিং করার পর মাঠ ছাড়েন বুমরাহ। এরপর আর বোলিং করতে পারেননি তিনি। ব্যাটিং করতে নামলেও দ্বিতীয় ইনিংসে আর বোলিং করতে পারেননি ভারতের এই অভিজ্ঞ পেসার।

 

ক্রিকেট

আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিলো বিসিবি, আরবিট্রেশনে যাচ্ছে না বাংলাদেশ

আইসিসির সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ পড়লেও সে বিষয়ে কোনো আইনি বা সালিশি পথে হাঁটছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মিরপুরে বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে আইসিসির ঘোষণাকে মেনে নেওয়ার অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিসিবি। আইসিসির সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল, বিসিবি চাইলে বিষয়টি আদালত বা সালিশি ট্রাইব্যুনালে নিতে […]

আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিলো বিসিবি, আরবিট্রেশনে যাচ্ছে না বাংলাদেশ

আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিলো বিসিবি, আরবিট্রেশনে যাচ্ছে না বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৮

আইসিসির সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ পড়লেও সে বিষয়ে কোনো আইনি বা সালিশি পথে হাঁটছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মিরপুরে বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে আইসিসির ঘোষণাকে মেনে নেওয়ার অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিসিবি।

আইসিসির সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল, বিসিবি চাইলে বিষয়টি আদালত বা সালিশি ট্রাইব্যুনালে নিতে পারে। তবে আইসিসি বোর্ড সভায় ১৪–২ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ায় সেটি বদলানোর আইনি ভিত্তি নিয়ে সংশয় ছিল শুরু থেকেই।

এসব আলোচনা ও গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে বিসিবি পরিচালক এবং বোর্ডের মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন স্পষ্ট করে জানান, বিসিবির পক্ষ থেকে আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।

তিনি বলেন, “আমরা আইসিসির বোর্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি। আইসিসি যেহেতু বলেছে যে আমরা খেলতে যেতে পারব না কিংবা আমাদের খেলা অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে না, সে ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষে ভারতে গিয়ে খেলা সম্ভব নয়। এই অবস্থানেই আমরা থাকছি। কোনো ধরনের আরবিট্রেশন বা আইনি প্রক্রিয়ায় আমরা যাচ্ছি না।”

এর আগে বৃহস্পতিবার ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছিলেন, ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি বাংলাদেশ সরকারের। বিসিবি পরিচালকের বক্তব্যেও একই অবস্থান উঠে এসেছে।

আমজাদ হোসেন বলেন, “আইসিসি বোর্ড সভার পর বাংলাদেশ সরকারের ক্যাবিনেট বৈঠক হয়। সেখানে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত এসেছে—যদি নির্ধারিত সূচিতে পরিবর্তন না আনা হয়, তাহলে আমাদের দল ভারতে গিয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এটি সরকারের পক্ষ থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, আইসিসি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবস্থান জানাতে বললে বিসিবি সরকারকে সম্মান জানিয়ে একই সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করেছে। “আমরা আইসিসিকে বিনয়ের সঙ্গে জানিয়েছি, এই ফিক্সচার অনুযায়ী আমাদের পক্ষে খেলতে যাওয়া সম্ভব নয়,” বলেন তিনি।

খেলা

“ভাই, ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন”- ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ‘দুই’ হস্তক্ষেপে মুখ খুললেন বুলবুল

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:০৮

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। ধারণা করা হয়েছিল দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক উন্নয়নে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এবার জানা গেলো বিসিবির পক্ষ থেকে চিঠিটি পাঠিয়েছেন বর্তমান সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সদ্য সাবেক বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘তাকে (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে) একটা কথা বলবো, আপনি ভাই ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন।

ওনার দুটি হস্তক্ষেপের কথা বলতে পারি, প্রথম দিনই উনি সরাসরি প্রধান নির্বাহীকে ফোন করলেন সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকতে দিতে। আরেকটা হলো, কয়েক দিন আগে দেখেছেন বিসিবি একটা চিঠি দিয়েছে বিসিসিআইকে। এটা উনি সিইওর সঙ্গে বসে করেছেন, আমি শুধু কপিতে ছিলাম।

এই যে সিস্টেমটাকে নষ্ট করে ফেলছে, এর দায় কে নেবে। আমি তো চলে যাবো, হয়তো আর কোনো দিনও আসবো না। কিন্তু আপনারা তো এখানে থাকবেন, আপনাদের এই ক্রিকেটটাকে তো বাঁচাতে হবে।’

সম্প্রতি ভেঙে দেওয়া হয় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তবে এখনও নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন বুলবুল।

তিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আমিই এখনো বিসিবি সভাপতি। যারা বোর্ড ভেঙেছে, তারা তা করতে পারে না, এখতিয়ারে নেই।’

খেলা

তামিমের নেতৃত্বাধীন কমিটি ‘অবৈধ’, আইসিসির হস্তক্ষেপ চাইলেন বুলবুল

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২১

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন বুলবুল। তার দাবি, ৫ এপ্রিল প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনটি আইনগতভাবে টেকসই নয় এবং এতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনকে বৈধ ও স্বচ্ছ বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি। বুলবুল জানান, ওই নির্বাচনের জন্য ৬ সেপ্টেম্বর একটি তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়।

এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন। কমিশনের অন্য সদস্য ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান সিবগাত উল্লাহ এবং এনএসসির নির্বাহী পরিচালক।
নির্বাচনকে ঘিরে ১৫টি ক্লাব ও তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে ওঠা আপত্তিগুলোও আগেই নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানান বুলবুল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর আধা-বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব বিরোধের সমাধান করা হয়।

এনএসসির এই তদন্তকে এখতিয়ারবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে বুলবুল বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নীতিমালা অনুযায়ী বোর্ড পরিচালনায় সরকারি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে পরিচালিত এই তদন্তকে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করেন।

অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তকে ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট করেন, এই কমিটির কোনো বৈধতা নেই এবং তারা এটিকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না।

বিবৃতির শেষাংশে বুলবুল সতর্ক করে বলেন, এমন হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের ক্রিকেট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। এতে বিনিয়োগকারী ও বৈশ্বিক অংশীদারদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত নিজেকেই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দাবি করে আইসিসির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বুলবুল।

‘২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর নিরপেক্ষ তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বৈধতা কোনো সরকারি সংস্থা পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে না। হাইকোর্ট অন্য কোনো রায় না দেওয়া পর্যন্ত আমিই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছি।’