শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমির বরাবর চিঠি দিয়ে সিলেটে জামায়াত নেতার দলত্যাগ

সিলেটের জামায়াত নেতা সালাহ উদ্দিন মিরাজ দলের রুকনিয়াতসহ সব ধরনের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন। সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির ফখরুল ইসলামের কাছে অব্যাহতিপত্র পাঠানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আমিরের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বহুবিধ অসুবিধার কারণে তার ওপর অর্পিত সব ধরনের দায়িত্ব পালন […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ মার্চ ২০২৬, ১৫:১০

সিলেটের জামায়াত নেতা সালাহ উদ্দিন মিরাজ দলের রুকনিয়াতসহ সব ধরনের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন। সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির ফখরুল ইসলামের কাছে অব্যাহতিপত্র পাঠানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আমিরের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বহুবিধ অসুবিধার কারণে তার ওপর অর্পিত সব ধরনের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। তাই তিনি সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিতে ইচ্ছুক। এরপর শুক্রবার (৬ মার্চ) ফেসবুকে দেয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি রাজনীতি ও দলত্যাগের নানা কারণ তুলে ধরেন।

ফেসবুকে সালাহ উদ্দিন মিরাজ লেখেন, ‘জীবনের সূচনালগ্ন থেকে সংগঠন আমার আত্মার আত্মীয়। ২০০৫ সালে সাথী হিসেবে শপথ গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাই।’ এ সময় তিনি তাকে পরম স্নেহে গড়ে তোলা কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করেন।

দীর্ঘ পথপরিক্রমা শেষে ২০১৩ সালে তিনি রোকন হিসেবে শপথ নেন। এরপর ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ২৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি, ২০১৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত ২৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি এবং ২০২৩ সালে একই ওয়ার্ডের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ সুরমা থানা জামায়াতের নির্বাচিত শুরা সদস্য ও ২০২১ সাল থেকে থানা যুব বিভাগের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, এই পথচলায় আমি নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে সাংগঠনিক কোনো আমানতের খেয়ানত করিনি কিংবা সংগঠনকে নিজ স্বার্থে কোথাও ব্যবহার করিনি।’

সাংগঠনিক স্বার্থ রক্ষায় অনেক বিষয়ে দৃঢ় প্রতিবাদ করেছেন জানিয়ে সালাহ উদ্দিন মিরাজ লেখেন, ‘আমার অতীত সাংগঠনিক তৎপরতার উসিলায় আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে আপনারা ক্ষমা করে দেবেন। কোনো অবদানের স্বীকৃতি নয়, আপনাদের ভাই হিসেবে অনুরোধ আগামীতে পথচলায় আমি যাতে দ্বীনের জন্য ভালো কিছু করতে পারি, সেই দোয়া রাখবেন। আমি আমার জীবনের এই সময়দানটুকুকে আল্লাহর কাছে নাজাতের উসিলা হিসেবে কবুল করার দোয়া করি।’

পদত্যাগের পেছনের ক্ষোভের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি লেখেন, ‘চেষ্টা করেছি ২৫ নম্বর ওয়ার্ডকে নিজের যোগ্যতার আলোকে সর্বোচ্চ উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু কিছু অযাচিত সিদ্ধান্ত বারবার আমার যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

আমি সামনে এই ছাদের নিচে নিজেকে কেবলই অপরাধী হিসেবে দেখতে পাচ্ছি। আমার ক্ষুদ্র রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বলে, আমার কারণে বিশৃঙ্খল হওয়া থেকে আমি এই প্ল্যাটফর্ম থেকে সরে যাওয়া উত্তম। সবার কাছে দোয়া প্রত্যাশী।’

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৫

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৫

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৩