সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ইতিহাস গড়ে স্বদেশে ফিরলেন তারেক রহমান

ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায় রচিত হলো বাংলাদেশের রাজনীতিতে। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার স্বদেশে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের মাটিতে পা রেখেই খোলা পায়ে মাতৃভূমির স্নিগ্ধ পরশ অনুভব করেন তিনি। আবেগাপ্লুত হয়ে একমুঠো মাটিও হাতে তুলে নেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জনতার মহাসমুদ্রে উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হন সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর […]

ইতিহাস গড়ে স্বদেশে ফিরলেন তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫১

ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায় রচিত হলো বাংলাদেশের রাজনীতিতে। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার স্বদেশে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের মাটিতে পা রেখেই খোলা পায়ে মাতৃভূমির স্নিগ্ধ পরশ অনুভব করেন তিনি।

আবেগাপ্লুত হয়ে একমুঠো মাটিও হাতে তুলে নেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জনতার মহাসমুদ্রে উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হন সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর এই উত্তরসূরি।

ঢাকায় অবতরণের পরপরই তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। এরপর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি রওনা হন পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ের গণসংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে।

সেখানে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন নিজের স্বপ্নের বাংলাদেশের রূপরেখা। দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেন— “I have a plan.” সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেশের প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সংবর্ধনা শেষে চিকিৎসাধীন মায়ের কাছে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান তারেক রহমান।

জুলাই বিপ্লবের মুখে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পতন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র ভারতে পলায়নের পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে গণতান্ত্রিক উত্তরণের আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় থেকেই রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের প্রশ্ন।

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকায় অবতরণ করেন। এর আগে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করে। সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দরের ভিআইপি গেট দিয়ে বের হয়ে জুতা-মোজা খুলে খালি পায়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। এক আবেগঘন মুহূর্তে তিনি দেশের মাটি হাতে তুলে নেন। এরপর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা লাল-সবুজ বাসে চড়ে সংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। পথে পথে হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।

সাধারণ সময়ে যেখানে ১৫–২৫ মিনিট লাগে, সেখানে লাখো মানুষের ভিড় ঠেলে সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছাতে তারেক রহমানের গাড়িবহরের সময় লাগে প্রায় চার ঘণ্টা। শেষ পর্যন্ত বাস থেকে নেমে হেঁটেই মঞ্চে ওঠেন তিনি। মঞ্চের তিনদিক ঘুরে জনসমুদ্রের অভিবাদন গ্রহণ করেন, মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বারবার জনগণের ত্যাগের মাধ্যমেই রক্ষা পেয়েছে—১৯৭১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ইতিহাস তার সাক্ষী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ এমন এক সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে, যখন সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার দায়িত্ব নিতে হবে। পাহাড়-সমতল, নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি নিরাপদ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

গত ১৫ বছরে গুম-খুন ও নিপীড়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম জীবন উৎসর্গ করেছে। শহীদ শরীফ ওসমান হাদিসহ সব শহীদের স্মরণ করে তিনি বলেন, তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতেই হবে।

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই, তাই ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সামনে এগোতে হবে। গণতান্ত্রিক ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি।

মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর বিখ্যাত উক্তি ‘I have a dream’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আজ তিনি বাংলাদেশের মানুষের সামনে বলছেন— “I have a plan for the people of my country.” এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণতন্ত্রকামী প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা চান তিনি।

বক্তব্যের শেষভাগে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার ওপর জোর দিয়ে তিনবার উচ্চারণ করেন— “আমরা দেশে শান্তি চাই।” এরপর অসুস্থ মা খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।

সংবর্ধনাস্থল ছাড়াও বিমানবন্দর ও পুরো ৩০০ ফিট এলাকা সকাল থেকেই জনসমুদ্রে রূপ নেয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিনের নির্যাতন ও ভোটাধিকারহীনতার অবসান ঘটবে—এই প্রত্যাশা নিয়েই তারা উপস্থিত হয়েছেন।

২০০৮ সালের ওয়ান-ইলেভেনের সময় জোরপূর্বক নির্বাসনে পাঠানো এই নেতা দীর্ঘ রাজনৈতিক নিপীড়ন, কারাবরণ ও প্রবাসজীবন পেরিয়ে আজ এক পরিপক্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে রূপ নিয়েছেন। দেড় যুগের নির্বাসন শেষে বীরের বেশে তার এই প্রত্যাবর্তন শুধু বাংলাদেশের নয়, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতেও এক বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭