রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নগরভবনে কারা তালা মেরেছে জানি না : ইশরাক হোসেন

নগরভবনে কে বা কারা তালা মেরেছে তা জানেন না বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। বৃহস্পতিবার গুলশানে তার নিজ বাসভবনে কয়েকটি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক বলেন, আদালতের রায়ের পর নির্বাচন কমিশন গেজেট করে তাকে মেয়র ঘোষণা করেছেন। শপথ পড়াতে আইনি কোনো বাধা ছিল না। কিন্তু অন্তর্বর্তী […]

নিউজ ডেস্ক

২০ জুন ২০২৫, ১২:০৯

নগরভবনে কে বা কারা তালা মেরেছে তা জানেন না বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। বৃহস্পতিবার গুলশানে তার নিজ বাসভবনে কয়েকটি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক বলেন, আদালতের রায়ের পর নির্বাচন কমিশন গেজেট করে তাকে মেয়র ঘোষণা করেছেন। শপথ পড়াতে আইনি কোনো বাধা ছিল না। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার তা আমলে নেয়নি। এখানে সংবিধান ও উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বর্তমান সরকার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার তাকে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে দেখে নগরবাসী ফুঁসে ওঠে।

তারা স্বেচ্ছায় রাজপথে নেমে আসে। ওই আন্দোলনে যুক্ত হন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। তবে কাউকে নগর ভবনে তালা মারতে বা কর্মকর্তাদের সেবা বন্ধ করতে বলা হয়নি। স্থানীয় সরকার বিভাগ ইচ্ছাকৃতভাবে কর্মকর্তাদের অফিসে যেতে নিষেধ করেছেন। সেবা বিঘ্ন করতেও গোপনে ষড়যন্ত্র করেছেন।

সেবা বিঘ্নিত করে তার (ইশরাক) সুনাম নষ্ট করতে চেয়েছেন। তিনি জানান, ডিএসসিসি’র প্রশাসক রয়েছেন। অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছেন; তারা ইচ্ছাকৃতভাবে নগরভবনে যাচ্ছেন না। তাদের তো কখনো নগর সেবা কাজে বাধা দেওয়া হয়নি। আন্দোলনরত নগরবাসী শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছে। এটা সারা বছর চলবে-এমন তো নয়। মেয়রের চেয়ারে বসা তার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না; মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল এই সরকারের ভুলগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো।

কেননা, এই সরকার বিশেষ একটি দলের প্রতি নমনীয়তা প্রদর্শন করে চলেছে। সেই সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে তা দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই আন্দোলন সফল হয়েছে। কেননা, ওই সময়ে সরকারের মনোভাব যা ছিল, তাতে নির্বাচন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। এরপর বিএনপির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা চলমান রয়েছে। বৃহৎ স্বার্থে সংগঠিত আন্দোলন সফল হয়েছে।

নগর ভবনের তালা খুলে দেওয়া হবে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, তার সমর্থকরা নগর ভবনের গেটে তালা মেরেছে তা তিনি বিশ্বাস করেন না। নগর ভবন সচল রাখা যাদের দায়িত্ব, তাদের উচিত নগর ভবনের তালা খুলে দেওয়া।

সেবা বিঘ্নিত করতে স্থানীয় সরকার বিভাগ ষড়যন্ত্র করছে। এজন্য প্রতীকী প্রতিবাদ হিসাবে কয়েকদিন সেবা কার্যক্রম তদারকি করা হয়েছে। তবে এতেও যদি কোনো অপরাধ হয়ে থাকে, সে বিষয়ে সরকার মামলা করুক, ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

মেয়রের দায়িত্ব বুঝে পাওয়ার আন্দোলনে দলীয় সমর্থন ছিল কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে ইশরাক বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তিনি কখনো কিছু করেননি, করছেন না এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। বৃহৎ অর্থে এই আন্দোলন গণতন্ত্রের উত্তোরণ প্রক্রিয়া সহজতর করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।

আইন ভেঙে ডিএসসিসির কর্মচারীরা আন্দোলন করেছেন-এতে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তি হতে পারে। সেক্ষেত্রে তারাতো ক্ষতিগ্রস্ত হবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ডিএসসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ন্যায্য বিষয়ে সহমত পোষণ করেছেন। এখানে দোষের কিছু নেই। এরপরও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ওপর যদি কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, তাহলে পুনরায় তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪