সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের আরেকটা নাম : রুমিন ফারহানা

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তির ইতিহাস এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার ইতিহাসের সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। আমরা এমন একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থক, যে দলটি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মানুষকে তাদের জাতীয় পরিচয় দিয়েছে। আমরা সবাই বাংলাদেশি হিসেবে সাংবিধানিক পরিচয় লাভ করেছি, এবং সেই পরিচয়ের ভিত্তি […]

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের আরেকটা নাম : রুমিন ফারহানা

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১৪:২৭

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তির ইতিহাস এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার ইতিহাসের সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। আমরা এমন একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থক, যে দলটি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মানুষকে তাদের জাতীয় পরিচয় দিয়েছে।

আমরা সবাই বাংলাদেশি হিসেবে সাংবিধানিক পরিচয় লাভ করেছি, এবং সেই পরিচয়ের ভিত্তি দিয়েছেন শহীদ জিয়াউর রহমান বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নেত্রী রুমিন ফারহানা।

তিনি বলেন, শুধু পরিচয় নয়, বিএনপি বারবার দেশের মানুষকে গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। মনে রাখতে হবে, স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করেছিল।

তখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই ছিলেন সেই নেতা, যিনি সকল দলকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন। এমনকি আওয়ামী লীগেরও দ্বিতীয় জন্ম সম্ভব হয়েছে তাঁর কারণেই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, রঙিন বিটিভি – সবই এসেছে শহীদ জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। বিএনপি এমন একটি দল, যারা নিজেদের সমালোচনা করতে দ্বিধা করে না, নিজের ভুল স্বীকার করে এবং সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।

আজকের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মতো পদক্ষেপও এসেছে তাঁর হাত ধরেই। কৃষি, শিল্প, গার্মেন্টস, রেমিটেন্স – দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তিগুলো গড়ে দিয়েছেন তিনি।

২০১৬ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর Vision 2030-এর মাধ্যমে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এরপর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এসেছে ২৭ দফা, ৩১ দফা – পরিবর্তিত বাংলাদেশ, নতুন বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা। আজ যেসব দল এসব কথা বলছে, তাদের আগেই বিএনপি সেই স্বপ্ন দেখিয়েছে।

বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্যের সঙ্গে জিয়া পরিবারের ভাগ্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই যখন দেশের মানুষ কষ্টে থাকে, তখন জিয়া পরিবারও কষ্ট পায়। যখন মানুষের ভোটাধিকার হরণ হয়, বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়, তখন বিএনপির নেতাকর্মীরাও হয়রানির শিকার হয়।

মামলার পর মামলা, গ্রেপ্তার, চাকরি না পাওয়া, ব্যবসা না করতে পারা – এইসবের শিকার হয়েছেন তারেক রহমানও। ৭৬ বছর বয়সে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি বাংলাদেশের আরেকটা নাম হয়ে দাঁড়িয়েছেন তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে।

তিনি ন্যূনতম মানবাধিকারও পাননি, চিকিৎসার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি আজ শুধু নির্বাচনের কথা বলছে না, গত ১৭ বছর ধরেই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য লড়াই করছে। এই দাবির জন্য অসংখ্য নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন, বছরের পর বছর কারাবরণ করেছেন, পেশা ও ঠিকানা হারিয়েছেন।

তাই, বিএনপি শুধু এখন নির্বাচন চায় এমন নয় – বিএনপি বরাবরই একটি সত্যিকারের নির্বাচনের পক্ষে। এবং এটাই প্রমাণ করে, বিএনপি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সঠিক ধারক ও বাহক বলে মনে করেন তিনি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪