সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে সন্তুষ্ট নয় বিএনপি, জানালেন ফখরুল

আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে দ্বিধা ও অস্পষ্টতার অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার নির্বাচন নিয়ে যে প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে তারা মোটেই সন্তুষ্ট নন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন নির্বাচন ডিসেম্বর […]

ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে সন্তুষ্ট নয় বিএনপি, জানালেন ফখরুল

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ এপ্রিল ২০২৫, ১৬:৫১

আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে দ্বিধা ও অস্পষ্টতার অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার নির্বাচন নিয়ে যে প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে তারা মোটেই সন্তুষ্ট নন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে হবে। আমরা একেবারেই সন্তুষ্ট নই। আমরা তাকে পরিষ্কার করে বলেছি—ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।”

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন,

“আমরা বারবার বলে আসছি—এ সরকারের দীর্ঘায়িত থাকার কোনো গণতান্ত্রিক ভিত্তি নেই। তাই ডিসেম্বরের মধ্যেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে।”

উল্লেখ্য, এই বৈঠকটি হয় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায়। বৈঠকে সরকার পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আরও কয়েকজন উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে অংশ নেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বৈঠকে উপস্থিত আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, “নির্বাচনের বিষয়ে যেই উপদেষ্টাই যা বলুক না কেন, প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যে হলে সেটিই উত্তম। তবে প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে এবং এই সময়সীমা কোনোভাবেই অতিক্রম করবে না। কালক্ষেপণের সুযোগ নেই।”

এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সর্বশেষ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিএনপি নেতাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে, ডিসেম্বরের মধ্যেই একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু এরপর তার সরকারের একাধিক উপদেষ্টা থেকে নির্বাচনী সময়সীমা নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য আসতে থাকে, যার ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

এই পটভূমিতেই আবারও বিএনপি প্রতিনিধিদল বৈঠকে বসে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ এবং নির্বাচনী সময়সূচি দাবি করে। দলটির নেতারা মনে করছেন, সরকারের পক্ষ থেকে বারবার তারিখ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও অস্থির করে তুলছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন নিয়ে এমন দ্ব্যর্থতা শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেই নয়, সাধারণ জনগণ এবং আন্তর্জাতিক মহলেও আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই সময়সীমা নির্ধারণ, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সংলাপ—এই তিনটি বিষয়ের গুরুত্ব বাড়ছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, দেশে যদি রাজনৈতিক সংঘাত এড়াতে হয় এবং একটি শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করতে হয়, তবে এখনই নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের ভিত্তিতে একটি প্রকাশ্য ও নির্দিষ্ট সময়সূচি দিতে হবে।

এদিকে, সরকারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা শিগগিরই একটি প্রাথমিক নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার বিষয়ে চিন্তা করছেন, যাতে ডিসেম্বরের আগেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যায় এবং সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়।

এখন দেখার বিষয়—এই সংলাপ ও দাবিদাওয়া আদৌ একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দিকে দেশকে এগিয়ে নিতে পারে কিনা, নাকি আবারও রাজনৈতিক অচলাবস্থার নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭