মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিএনপির বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপির বহুল প্রতীক্ষিত বর্ধিত সভায় এবার সরাসরি উপস্থিত থাকবেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে এই গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত চলবে দুটি অধিবেশন। সাত বছর পর এমন উচ্চপর্যায়ের সভার আয়োজন করছে বিএনপি, যা দলটির […]

বিএনপির বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি বেগম খালেদা জিয়া

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১২:২৩

বিএনপির বহুল প্রতীক্ষিত বর্ধিত সভায় এবার সরাসরি উপস্থিত থাকবেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে এই গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত চলবে দুটি অধিবেশন। সাত বছর পর এমন উচ্চপর্যায়ের সভার আয়োজন করছে বিএনপি, যা দলটির ভবিষ্যৎ কৌশল ও নির্বাচনী পরিকল্পনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই এই সভায় মূল আলোচনা হবে। বিগত আন্দোলনের সফলতা ও ব্যর্থতার মূল্যায়ন, সাংগঠনিক দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ, এবং আগামী নির্বাচনের কৌশল কী হবে— তা নির্ধারণ করতেই এই সভা আয়োজন করা হয়েছে। তৃণমূলের নেতারা সরাসরি মতামত জানাবেন, যা সংশ্লিষ্ট সংসদীয় এলাকার সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মাঠপর্যায়ে তাদের কার্যক্রমের স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরবে।

সভায় জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌরসভা বিএনপির সভাপতি, আহ্বায়ক, সাধারণ সম্পাদক এবং সদস্যসচিবরা বক্তব্য দেবেন। তৃণমূলের বক্তব্যের ভিত্তিতে দলে নতুন পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হতে পারে। সভাকে কেন্দ্র করে “আস্থা” নামে একটি বিশেষ ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছে বিএনপি পরিবার, যেখানে দলের বর্তমান অবস্থা, আন্দোলনের ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে বিভিন্ন বিশ্লেষণ থাকবে।

সকালেই তারেক রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের পর দুপুরের পর শুরু হবে রুদ্ধদ্বার অধিবেশন, যেখানে সরাসরি তৃণমূল নেতারা তাদের মতামত তুলে ধরবেন। এর মাধ্যমে দলের ভেতরকার বাস্তব পরিস্থিতি জানা যাবে, পাশাপাশি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বও বুঝতে পারবে, কীভাবে সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে। দিনের শেষভাগে তারেক রহমান সমাপনী বক্তব্য দেবেন, যেখানে দিকনির্দেশনামূলক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আসবে।

বর্ধিত সভার সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত ও বার্তা নিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘‘যারা সভায় আসবেন, তাদের বক্তব্য থেকেই দলের বর্তমান বাস্তবতা ফুটে উঠবে। তৃণমূলের নেতারা নির্বাচনের ব্যাপারে কী ভাবছেন, কীভাবে সংগঠনকে শক্তিশালী করা যায়, সেটাই জানা যাবে। সেই অনুযায়ী আমরা সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেব।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের নেতারা রাজপথে আন্দোলন করেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন। বর্তমান বাস্তবতায় কী করণীয়, কোন ধরনের সিদ্ধান্ত দরকার, সেটাই আমরা জানতে চাই।’’

সভায় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল, জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা ও থানা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সব পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন। বিএনপির ১১টি সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরাও থাকবেন। সব মিলিয়ে সারা দেশ থেকে সাড়ে তিন হাজারের বেশি নেতা এই সভায় উপস্থিত থাকবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে বর্ধিত সভা করেছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। কিন্তু সেই সভার পাঁচ দিনের মাথায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই থেকে দীর্ঘ সাত বছর পর আবারও তিনি বর্ধিত সভায় সরাসরি উপস্থিত হচ্ছেন, যা বিএনপির রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ যোগ করেছে।

এই সভা থেকে বিএনপি কী বার্তা দেয়, কী সিদ্ধান্ত নেয়— সেটাই এখন রাজনৈতিক মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়। বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এই বর্ধিত সভা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, সেটাই দেখার অপেক্ষায় সবাই।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩১

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮