মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নিজের এবং পরিবারের সব সম্পদের হিসাব দিয়ে স্বচ্ছতার নজির স্থাপন নাহিদ ইসলামের

সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সম্পদের হিসাব প্রকাশ, স্বচ্ছতার নজির স্থাপনের দাবি অন্তর্বর্তী সরকারের সদ্য সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম তার সম্পদের হিসাব প্রকাশ করেছেন, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি এই হিসাব তুলে ধরেন এবং তার ব্যাংক স্টেটমেন্টও সংযুক্ত করেন। […]

নিজের এবং পরিবারের সব সম্পদের হিসাব দিয়ে স্বচ্ছতার নজির স্থাপন নাহিদ ইসলামের

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২৩:৪২

সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সম্পদের হিসাব প্রকাশ, স্বচ্ছতার নজির স্থাপনের দাবি

অন্তর্বর্তী সরকারের সদ্য সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম তার সম্পদের হিসাব প্রকাশ করেছেন, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি এই হিসাব তুলে ধরেন এবং তার ব্যাংক স্টেটমেন্টও সংযুক্ত করেন।

নাহিদ ইসলাম তার পোস্টে দাবি করেছেন, উপদেষ্টা হওয়ার আগে তার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না। তিনি লেখেন, “২১ আগস্ট উপদেষ্টা পদে দায়িত্ব পালনের জন্য সম্মানী গ্রহণের লক্ষ্যে সরকারিভাবে সোনালী ব্যাংকে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলি। উক্ত অ্যাকাউন্টে ২১ আগস্ট-২০২৪ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি-২০২৫ পর্যন্ত লেনদেনের হিসাব জনগণের কাছে উপস্থাপন করছি।”

তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, সোনালী ব্যাংকের ওই হিসাবে মোট ১০ লাখ ৬ হাজার ৮৮৬ টাকা জমা হয়েছে এবং ৯ লাখ ৯৬ হাজার ১৮১ টাকা উত্তোলিত হয়েছে।

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন তিনি। নাহিদ ইসলাম লেখেন, “উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন, আমার বা আমার পরিবারের কোনো সদস্যের (স্ত্রী/মা/বাবা) নামে বাংলাদেশের কোথাও জমি বা ফ্ল্যাট নেই বা আমার বা আমার পরিবার কর্তৃক ক্রয় করা হয়নি।”

এছাড়া, তার একান্ত সচিবের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ-এর হিসাবে মাত্র ৩৬ হাজার ২৮ টাকা রয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি আরও নিশ্চিত করেন, তার একান্ত সচিব দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনিও বা তার পরিবারের কেউ কোনো সম্পদ ক্রয় করেননি।

জনগণের কাছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বার্তা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “যদি কেউ এই তথ্য যাচাই করতে চান, তাহলে ‘তথ্য অধিকার আইন-২০০৯’ অনুযায়ী বাংলাদেশের যে কোনো সরকারি দপ্তরে সেটা সম্ভব।”

রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া

নাহিদ ইসলামের এই সম্পদ ঘোষণার পরপরই বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এটিকে একজন সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে, অতীতে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও তাদের সম্পদের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, কিছু মহল এটিকে রাজনৈতিক চাপে দেওয়া বক্তব্য বলে আখ্যা দিচ্ছে। তাদের মতে, নাহিদ ইসলাম যদি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ থেকে দায়িত্ব পালন করে থাকেন, তবে কেন তার পদত্যাগ করতে হলো? কেউ কেউ আবার মনে করছেন, এটি শুধুমাত্র জনসাধারণকে আশ্বস্ত করার কৌশল হতে পারে।

নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন, না কি প্রতারণার নতুন রূপ?

নাহিদ ইসলামের সম্পদ ঘোষণাকে অনেকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, কারণ এটি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের জন্য একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে পারে। তবে, এর বাস্তবিক প্রভাব কতটুকু হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।

জনগণের প্রত্যাশা

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের স্বচ্ছতা যদি অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তারাও দেখান, তাহলে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার সম্ভব হতে পারে। তবে, এক্ষেত্রে শুধুমাত্র ফেসবুকে ঘোষণা নয়, বরং আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পদ ঘোষণার একটি সরকারি কাঠামো তৈরি করাই হবে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ।

নাহিদ ইসলামের সম্পদ প্রকাশের এই পদক্ষেপ কি সত্যিই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, নাকি এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেওয়া একটি পদক্ষেপ—তা সময়ই বলে দেবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩১

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮