বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সরকারের ওপর চাপ বাড়ালেও দ্বন্দ্বে যাবে না বিএনপি

নতুন বছরের পরিকল্পনা ফ্যাসিবাদের পতনে মুক্ত পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পেলেও খুব একটা ফুরফুরে মেজাজে নেই বিএনপি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দলটির সামনে এখন একাধিক চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতার ভিত্তিতে চলতি বছর নির্বাচন আদায় করাই বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, এখনো সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না থাকলেও অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ জানুয়ারী ২০২৫, ১১:০৮

নতুন বছরের পরিকল্পনা

ফ্যাসিবাদের পতনে মুক্ত পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পেলেও খুব একটা ফুরফুরে মেজাজে নেই বিএনপি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দলটির সামনে এখন একাধিক চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতার ভিত্তিতে চলতি বছর নির্বাচন আদায় করাই বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, এখনো সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না থাকলেও অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য নির্বাচনের যে ধারণা দেওয়া হয়েছে, তাতে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের কথাও বলা হয়েছে। অন্যদিকে, চলতি বছরের মধ্যেই নির্বাচন চায় বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো। নির্বাচনমুখী প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য এটিই ‘যৌক্তিক সময়’ বলে মনে করেন তারা। এই ইস্যুতে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চ নাগাদ কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে পারে দলটি। তবে তারা সরকারের সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্বে যাবে না। বিএনপির আশা, জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার করে ‘যৌক্তিক সময়ে’ নির্বাচন দেবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, বিএনপিকে নির্বাচন আদায় ছাড়াও লন্ডনে অবস্থানরত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চলতি বছর দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। সারা দেশের নেতাকর্মীরা তার ফেরার প্রতীক্ষায় রয়েছেন। এ ছাড়া ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের ঐক্য ধরে রাখা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নানান দাবির মুখে ছাত্রদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে দেশকে নির্বাচনের দিকে নিয়ে যাওয়াও বিএনপির জন্য চ্যালেঞ্জের। নির্বাচন সামনে রেখে দলটিকে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-সংঘাত এড়িয়ে যোগ্য ও ত্যাগীদের দিয়ে সারা দেশে সংগঠনও গোছাতে হবে। দলকে সুসংগঠিত করে নতুন সব চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মন জয়ে তাদের প্রত্যাশা পূরণেও কাজ করতে হবে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সরকার অনুভব করে, পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করায় রাষ্ট্র কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া একটি অর্থবহ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে ১৫টি কমিশন গঠন করে সরকার। তবে সংস্কার আগে, নাকি নির্বাচন আগে—এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দূরত্ব বাড়তে থাকে। এ অবস্থায় দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং এর মিত্র দল ও জোটগুলোর বেশিরভাগই নির্বাচনমুখী প্রয়োজনীয় সংস্কার সেরে দ্রুত নির্বাচন চাইছে। পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের দায়িত্ব পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের হাতে ছেড়ে দিতে বলছে তারা। এমন প্রেক্ষাপটে বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘মোটাদাগে বলা যায়, ২০২৫ সালের শেষদিক থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা যায়।’

বিএনপি মনে করে, চলতি বছরের প্রথমার্ধের ভেতরে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম শেষে পরবর্তী তিন-চার মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। সেক্ষেত্রে ২০২৫ সাল অতিক্রম হওয়ার কথা নয়। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন হলে তাতে আপত্তি থাকবে না বিএনপির। তাদের অভিযোগ, দেশে এখন ‘পতিত’ ফ্যাসিবাদের দোসরদের নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র অব্যাহত থাকতে পারে। তা ছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, অর্থনীতিতে গতি আনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনে এখনো স্থিতিশীলতা আসেনি বলে মনে করে বিএনপি। দলটি আরও মনে করে, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রসহ নানা ঘটনায় দেশে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিএনপি ও তাদের মিত্ররা মনে করে, দেশবিরোধী সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা এবং দেশকে স্থিতিশীল করতে নির্বাচিত সরকারের কোনো বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপেই কাটতে পারে নির্বাচনকেন্দ্রিক জটিলতা বা সংশয়। আর নির্বাচন যত দেরি হবে, সংকট তত বাড়বে।

জানা গেছে, সার্বিক পরিস্থিতিতে ২০২৫ সালেই নির্বাচন আদায়ে সরকারের ওপর চাপ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গত দুই মাসের অধিক সময় ধরে রোডম্যাপের দাবিতে সোচ্চার থাকা বিএনপি। তবে তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে সরিয়ে দেওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় না। দাবি আদায়ে জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এর অংশ হিসেবে শরিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছে বিএনপি। দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত না হলেও আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চ নাগাদ সারা দেশে বড় বড় সভা-সমাবেশ করা হতে পারে। বিএনপির ভাবনা অনুযায়ী, এই কর্মসূচি একদিকে যেমন নির্বাচনের প্রাক-প্রস্তুতি হিসেবে কাজে লাগানো যাবে, অন্যদিকে জনগণ যে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, সেটিও তুলে ধরা যাবে। বিএনপি এখন রাষ্ট্র মেরামতের দলীয় রূপরেখা ৩১ দফাকে নতুন করে ব্র্যান্ডিংয়ে ব্যস্ত। এ নিয়ে বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালার পর এখন জেলাভিত্তিক কর্মশালা চলছে, যেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হচ্ছেন। এই কর্মসূচি শেষে নির্বাচন ইস্যুতে ফোকাস করবে দলটি।

এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগে বিএনপির কোনো আপত্তি নেই। দলটির নেতারা বলছেন, দল গঠন করে নির্বাচনের জন্য তারা জনগণের কাছে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্র বা কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হলে গণতন্ত্রমনা রাজনৈতিক দলগুলো তো বটেই, জনগণও তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে ছাত্রদের নতুন দল আওয়ামী দোসরদের পুনর্বাসনের প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠলে বিএনপির তাতে আপত্তি রয়েছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় কোনো রাজনৈতিক দল গড়ে উঠুক, বিএনপি তা-ও চায় না। তবে ছাত্রদের নানান কর্মকাণ্ডে সন্দেহ-আপত্তি থাকলেও তাদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়াবে না বিএনপি। সরকারের সঙ্গেও কোনো বিরোধে যাবে না। এই সরকার ব্যর্থ হোক, বিএনপি সেটা চায় না।

শত নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করেও ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার সরকারকে বিদায় করতে পারাকে ২০২৪-এর বড় অর্জন হিসেবে দেখছে বিএনপি। দলটির নেতাদের মতে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নতুন বছরে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা বড় চ্যালেঞ্জ। সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে চায় বিএনপি। তারা ধৈর্য ধরে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে দেশকে কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের দিকে নিয়ে যাবে।

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন বছরে বিএনপির প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানতে চাইলে দলটির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, নতুন বছরে জনগণের প্রত্যাশা, দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত হবে, গণতন্ত্র জনগণের কাছে ফিরে যাবে, জনগণ তাদের মৌলিক অধিকার ও ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পাবে, দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং বিগত ১৪ বছর ধরে যে অন্যায়-অত্যাচার-নির্যাতন, দুর্নীতি হয়েছে, তার থেকে দেশ মুক্তি পাবে।

তিনি আরও বলেন, সামনে অনেক ইস্যু আছে, সেগুলো মোকাবিলা করা অবশ্যই এক ধরনের চ্যালেঞ্জ। দুর্নীতি, ঘুষ-বাণিজ্য, চাঁদাবাজি এবং প্রশাসনে যে পক্ষপাতিত্ব, এগুলো থেকে মুক্ত হওয়া দেশের জন্য অবশ্যই চ্যালেঞ্জের। তারপরও এটা থেকে আমাদের মুক্তি পেতে হবে। বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, আমরা চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের মধ্যে নির্বাচন চাই, এটা যৌক্তিক সময়। সরকার এবং নির্বাচন কমিশন (ইসি) আন্তরিক হলে এটা সম্ভব।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮