বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ.লীগের সাথে জোট করা ছিল বড় ভুল – মাহী বি চৌধুরী

দলীয় আদর্শের সঙ্গে সমঝোতা করে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে জানিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের মুখপাত্র ও প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহী বি চৌধুরী। তিনি বলেন, এই ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায় দলের মুখপাত্র হিসেবে আমি স্বীকার করে নিচ্ছি। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বারিধারায় বিকল্পধারার নিজস্ব অফিসে ডাকা এক সংবাদ […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:৪৮

দলীয় আদর্শের সঙ্গে সমঝোতা করে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে জানিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের মুখপাত্র ও প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহী বি চৌধুরী।

তিনি বলেন, এই ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায় দলের মুখপাত্র হিসেবে আমি স্বীকার করে নিচ্ছি।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বারিধারায় বিকল্পধারার নিজস্ব অফিসে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে মাহী বি চৌধুরী একথা বলেন।

তিনি বলেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২০১৮ সালে দলীয় আদর্শের সঙ্গে সমঝোতা করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তা বাংলাদেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে একটি ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

আমি উপলব্ধি করি, এই রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে আমার এবং বিকল্পধারার ভাবমুর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দলীয় নেতৃবৃন্দ ও বিকল্পধারার নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের অন্যান্য শরিক দলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৎকালীন বাস্তবতার বিচারে মহজোটে শরিক হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন।

মাহী বি. চৌধুরী বলেন, পরিবর্তন প্রত্যাশী অনেক তরুণ এবং সংস্কারপন্থী নাগরিকরা আমার দলের, বিশেষ করে আমার এই পদক্ষেপকে সুবিধাবাদী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। যার ফলে আমার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা এবং দলের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে।

এই ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায় দলের মুখপাত্র হিসেবে আমি স্বীকার করে নিচ্ছি। উপলব্ধি ও আত্মসমালোচনার মাধ্যমে এই ভুল থেকে বেরিয়ে এসে বিকল্পধারার আদর্শকে সমুন্নত করতে না পারলে আমি মনে করি বর্তমান প্রজন্মের কাছে বিকল্পধারা তার প্রাসঙ্গিকতা হারাবে।

‘নির্ভীক সত্যানুসন্ধানে উপলব্ধি হয়েছে যে, আমাদের এই সিদ্ধান্ত বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে বিস্মিত করেছে এবং আমাদের স্বাধীন রাজনৈতিক পরিচয় ক্ষুন্ন করার পাশাপাশি আমাদের স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের প্রতি প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। সর্বোপরি দলের আদর্শকে দুর্বল করেছে এবং পরিবর্তন প্রত্যাশী সমর্থকদের হতাশ করেছে’,বলেন তিনি।

বিকল্পধারার মুখপাত্র বলেন, ২০১৮ সালে নির্বাচন পরবর্তী খুব স্বল্পতম সময়ের মধ্যে আমরা উপলব্ধি করতে সক্ষম হই যে, আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে কোন আদর্শিক যোগাযোগ স্থাপন করা, একসঙ্গে পথচলা আমাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। ওই নির্বাচনের পর সরকারের পুরো মেয়াদে শাসক দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিকল্পধারার আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক কোন বৈঠক হয়নি।

সরকারি বা প্রধানমন্ত্রীর কোন অনুষ্ঠানে বিকল্পধারার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিও ছিল না। তথাপি সরকারবিরোধী দৃঢ় অবস্থানে না যেতে পারার ব্যর্থতা আমরা স্বীকার করে নিচ্ছি এবং আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি।

২০২৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ২০১৮ সালের ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণের সংশোধনের প্রথম পদক্ষেপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ছিল ২০২৪-এ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী একমাত্র দল, যারা শাসকদল তথা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনা বা সমঝোতার চেষ্টা করেনি।

নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিজয় অর্জনের উদ্দেশ্য ছিল না, উদ্দেশ্য ছিল বিকল্পধারা বাংলাদেশের স্বকীয় রাজনীতি ও নিজ আদর্শে ফিরে আসা। যে কারণে ২০১৮ সালের একতরফা প্রহসনমূলক নির্বাচনে অসম্মানজনক বিজয়ের চাইতে ২০২৪ সালের পরাজয় আমাদের কাছে অধিকতর সম্মানজনক ছিল।

মৃত্যুর তিন সপ্তাহ পূর্বে ১৬ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক বি. চৌধুরী ৯ দফা নির্দেশনা দিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি তা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

>> প্রজন্ম পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতি ২০ বছর অন্তর গঠনতন্ত্রে ব্যাপক সংশোধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে বিকল্পধারার দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে।

>> দলীয় কাঠামোয় বিকল্পধারা হবে সিঙ্গেল ইউনিট পার্টি। যেখানে ব্যক্তিতান্ত্রিক নেতৃত্বের ঊর্ধ্বে উঠে বিকল্পধারায় সমন্বিত ও যৌথ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একই সঙ্গে কর্মসূচিভিত্তিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

>> ৩টি দর্শনের ভিত্তিতে বিকল্পধারা পরিচালিত হবে। বিকল্প রাজনীতির দর্শনকে সবসময় প্রজন্মের সাথে প্রাসঙ্গিক রাখতে হবে।

১ম দর্শন হবে আধ্যাত্মিকতা/ রুহানিয়াত হবে বিকল্পধারার দর্শনের মূলভিত্তি। স্রষ্টা ও সৃষ্টির সাথে সংযোগ স্থাপন, নির্ভয় সত্যানুসন্ধান এবং অহঙ্কার থেকে মুক্তি অর্জনের চেষ্টার মাধ্যমে সংগঠন পরিচালনা করতে হবে।

২য় দর্শন হবে প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন থাকতে হবে ও চূড়ান্ত গন্তব্য হবে সামষ্টিক জাতীয় সুখ বা Gross National Happiness, (GNH)
>> রাজপথে নূন্যতম দৃশ্যমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলবে বিকল্পধারা।

>> সব পর্যায়ে এবং সকল ক্ষেত্রে বিকল্পধারার রাজনৈতিক ভাষা হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিময় ও সম্মানজনক।

>> বিকল্পধারা হবে অহিংস ও রক্তপাতহীন কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক সংগঠন। প্রজন্মের কাছে বিকল্পধারাকে উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ এবং নান্দনিক ধারার রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। বিকল্পধারাকে একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সূচনা এবং নেতৃত্ব দিতে হবে।

>> বিকল্পধারা হবে নিজস্ব উপার্জিত অর্থে পরিচালিত একটি দল। শুধুমাত্র দলীয় সদস্যদের থেকে অনুদান গ্রহণ করা যাবে।

>> বিকল্পধারা বিশ্বাস করবে সর্বময় ক্ষমতার মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। শুধুমাত্র সামষ্টিকভাবে রাষ্ট্রের জনগণ এই ক্ষমতা উপভোগ করবে। সরকার শুধুমাত্র রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত হবে। সব ক্ষেত্রে, রাজনৈতিক বক্তব্য নিষিদ্ধ থাকবে। কর্মকাণ্ডে কোনো প্রকার পেশিশক্তি অথবা ক্ষমতার প্রদর্শন থাকবে না বিকল্পধারায়।

>> দলের যেকোন পদ বা পর্যায়ে নেতৃত্ব গ্রহণ যোগ্যতার ভিত্তিতে, গণতান্ত্রিক পন্থায় সব সদস্যের জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত থাকতে হবে। বিকল্পধারায় পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির কোন সুযোগ থাকতে পারবে না।

 

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮