বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মায়ের সাথে জানুয়ারীতেই দেশে ফিরতে চান তারেক রহমান

আগামী জানুয়ারিতে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দিনতারিখ চূড়ান্ত না হলেও নতুন বছরের শুরুতেই তাঁর দেশে ফেরার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের শীর্ষনেতার দেশে ফেরা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় এদিন দল ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে বিশাল শোডাউনের আয়োজন করা হবে। সারা দেশ থেকে আসা মানুষের ঢল নামবে মহানগরীতে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে বাসভবন […]

নিউজ ডেস্ক

০২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:২৭

আগামী জানুয়ারিতে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দিনতারিখ চূড়ান্ত না হলেও নতুন বছরের শুরুতেই তাঁর দেশে ফেরার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের শীর্ষনেতার দেশে ফেরা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় এদিন দল ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে বিশাল শোডাউনের আয়োজন করা হবে।

সারা দেশ থেকে আসা মানুষের ঢল নামবে মহানগরীতে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে বাসভবন পর্যন্ত লাখো নেতা-কর্মী ও সমর্থক স্বাগত জানাবেন তাদের এ প্রিয় নেতাকে। সেদিন রাজধানীতে ‘মহাসমাবেশ’ আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। প্রায় ১৭ বছর বিদেশে অবস্থানের পর দেশে ফিরে সেই মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন তারেক রহমান।

দলের একাধিক নির্ভরযোগ্যসূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতার পালাবদলের পর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন দলের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল ও মাঠ পর্যায়ের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী-সমর্থক। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশে ফেরার পথ উন্মুক্ত থাকলেও ফেরেননি দলের এ কান্ডারি।

এরই মধ্যে মুক্ত হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও একের পর এক রাজনৈতিক মামলা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন। সর্বশেষ গতকাল ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা থেকে খালাস পেলেন তিনি।

এ মামলায় বিচারিক (নিম্ন) আদালতের রায়ে তাঁর যাবজ্জীবন কারাদে র রায় দেওয়া হয়েছিল। বাকি রাজনৈতিক মামলাগুলো থেকেও আগামী এক মাসের মধ্যে তিনি মুক্ত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। দলের দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, তারেক রহমান শিগগিরই দেশে ফিরবেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দেশে থেকেই দল ও জোটের নেতৃত্ব দেবেন।

এ বিষয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘সব মামলা প্রত্যাহারের মাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুব তাড়াতাড়ি দেশে ফিরে আসবেন।’ তিনি বলেন, ‘বিগত দিনগুলোয় আমরা ন্যায়বিচার পাইনি। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অনেক অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। আশা করি তিনি আমাদের মাঝে খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসবেন।

স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেন, ‘তারেক রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রচ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তাদের পতনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বর্তমানে লন্ডন সফররত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে মামলাগুলোর নিষ্পত্তি ও তাঁর দেশে ফেরার বিষয়ে কথা বলবেন।

ফলে তিনি দ্রুতই দেশে ফিরবেন বলে আশা করছি।’ স্থায়ী কমিটির অন্য সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘শিগগিরই দেশে ফিরে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তারেক রহমান বিএনপির নেতৃত্ব দেবেন। সমগ্র বাংলাদেশ তাকিয়ে আছে তাঁর আগমনের অপেক্ষায়।’

আরও চার মামলায় তারেক রহমানের সাজা বহাল : বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান গতকাল খালাস পেলেন বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায়। বর্তমানে অর্থ পাচার, দুর্নীতি, মানহানিসহ আরও চার মামলায় তাঁর সাজা বহাল রয়েছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার মতো বাকি মামলাগুলোতেও তারেক রহমান ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করছেন তাঁর আইনজীবী।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে জামিনে মুক্তি নিয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই থেকে তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন। ২০০৭ সাল থেকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পর্যন্ত তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অন্তত ৮৪টি মামলায় হয়। এর মধ্যে পাঁচটিতে সাজা হয় তাঁর। আর খারিজ, খালাস ও অব্যাহতি পেয়েছেন ৩৯ মামলায়।

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল  বলেন, ‘তারেক রহমান আরও মিথ্যা, সাজানো চার মামলায়।

যেভাবে ন্যায়বিচার পেয়েছেন বাকি চার মামলায়ও আশা করছি ন্যায়বিচার পাবেন।’ তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রায় ৮৪টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ৬০-৬৫টি মানহানির। ইতোমধ্যে ৩৯টি মামলায় খালাস, খারিজ ও চার্জশিট থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।’

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯