মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ইতিহাস গড়ে স্বদেশে ফিরলেন তারেক রহমান

ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায় রচিত হলো বাংলাদেশের রাজনীতিতে। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার স্বদেশে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের মাটিতে পা রেখেই খোলা পায়ে মাতৃভূমির স্নিগ্ধ পরশ অনুভব করেন তিনি। আবেগাপ্লুত হয়ে একমুঠো মাটিও হাতে তুলে নেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জনতার মহাসমুদ্রে উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হন সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর […]

ইতিহাস গড়ে স্বদেশে ফিরলেন তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫১

ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায় রচিত হলো বাংলাদেশের রাজনীতিতে। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার স্বদেশে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের মাটিতে পা রেখেই খোলা পায়ে মাতৃভূমির স্নিগ্ধ পরশ অনুভব করেন তিনি।

আবেগাপ্লুত হয়ে একমুঠো মাটিও হাতে তুলে নেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জনতার মহাসমুদ্রে উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হন সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর এই উত্তরসূরি।

ঢাকায় অবতরণের পরপরই তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। এরপর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি রওনা হন পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ের গণসংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে।

সেখানে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন নিজের স্বপ্নের বাংলাদেশের রূপরেখা। দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেন— “I have a plan.” সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেশের প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সংবর্ধনা শেষে চিকিৎসাধীন মায়ের কাছে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান তারেক রহমান।

জুলাই বিপ্লবের মুখে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পতন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র ভারতে পলায়নের পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে গণতান্ত্রিক উত্তরণের আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় থেকেই রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের প্রশ্ন।

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকায় অবতরণ করেন। এর আগে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করে। সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দরের ভিআইপি গেট দিয়ে বের হয়ে জুতা-মোজা খুলে খালি পায়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। এক আবেগঘন মুহূর্তে তিনি দেশের মাটি হাতে তুলে নেন। এরপর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা লাল-সবুজ বাসে চড়ে সংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। পথে পথে হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।

সাধারণ সময়ে যেখানে ১৫–২৫ মিনিট লাগে, সেখানে লাখো মানুষের ভিড় ঠেলে সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছাতে তারেক রহমানের গাড়িবহরের সময় লাগে প্রায় চার ঘণ্টা। শেষ পর্যন্ত বাস থেকে নেমে হেঁটেই মঞ্চে ওঠেন তিনি। মঞ্চের তিনদিক ঘুরে জনসমুদ্রের অভিবাদন গ্রহণ করেন, মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বারবার জনগণের ত্যাগের মাধ্যমেই রক্ষা পেয়েছে—১৯৭১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ইতিহাস তার সাক্ষী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ এমন এক সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে, যখন সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার দায়িত্ব নিতে হবে। পাহাড়-সমতল, নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি নিরাপদ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

গত ১৫ বছরে গুম-খুন ও নিপীড়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম জীবন উৎসর্গ করেছে। শহীদ শরীফ ওসমান হাদিসহ সব শহীদের স্মরণ করে তিনি বলেন, তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতেই হবে।

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই, তাই ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সামনে এগোতে হবে। গণতান্ত্রিক ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি।

মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর বিখ্যাত উক্তি ‘I have a dream’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আজ তিনি বাংলাদেশের মানুষের সামনে বলছেন— “I have a plan for the people of my country.” এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণতন্ত্রকামী প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা চান তিনি।

বক্তব্যের শেষভাগে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার ওপর জোর দিয়ে তিনবার উচ্চারণ করেন— “আমরা দেশে শান্তি চাই।” এরপর অসুস্থ মা খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।

সংবর্ধনাস্থল ছাড়াও বিমানবন্দর ও পুরো ৩০০ ফিট এলাকা সকাল থেকেই জনসমুদ্রে রূপ নেয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিনের নির্যাতন ও ভোটাধিকারহীনতার অবসান ঘটবে—এই প্রত্যাশা নিয়েই তারা উপস্থিত হয়েছেন।

২০০৮ সালের ওয়ান-ইলেভেনের সময় জোরপূর্বক নির্বাসনে পাঠানো এই নেতা দীর্ঘ রাজনৈতিক নিপীড়ন, কারাবরণ ও প্রবাসজীবন পেরিয়ে আজ এক পরিপক্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে রূপ নিয়েছেন। দেড় যুগের নির্বাসন শেষে বীরের বেশে তার এই প্রত্যাবর্তন শুধু বাংলাদেশের নয়, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতেও এক বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৪