রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বনানীতে হোটেলে নারীকে মারধর, যুবদল নেতা মনির বহিষ্কার

সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়া ঘটনার চিত্র ছিল ভীষণভাবে পীড়াদায়ক। সেখানে দেখা যায়, আতঙ্কিত অবস্থায় কিছু নারী দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে নামছেন, আর সেই সময় কিছু ব্যক্তিকে তাদের পথরোধ করতে ও শারীরিকভাবে বাধা দিতে দেখা যায়। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় তারা মাটিতে পড়ে যান এবং আশপাশে থাকা আরও কয়েকজন ব্যক্তি তাতে সক্রিয় অংশ নেন।

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুলাই ২০২৫, ০৩:২৫

রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা অপরাধীরা আর কতদূর যাবে? বনানীর জাকারিয়া হোটেলে নারীদের ওপর বর্বর হামলার ঘটনায় বনানী থানা যুবদলের আহ্বায়ক মনির হোসেনকে বহিষ্কার করে দল নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার চেষ্টা করলেও—ঘটনার ভয়াবহতা এবং রাজনৈতিক গডফাদারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মনির হোসেনকে দল থেকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ওই ঘটনায় জড়িতদের দায় দল নেবে না এবং সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বহিষ্কৃত নেতার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—শুধু বহিষ্কার করেই দায় এড়ানো যায় না। এমন ঘটনা ঘটা মানেই সংগঠনের অভ্যন্তরে ‘সন্ত্রাসী মানসিকতা’ লালন করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিক নীতির ভয়ানক বিচ্যুতি।

অন্যদিকে, বনানী থানার ওসি মো. রাসেল সরোয়ার জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ একটি মামলা করেছে এবং পুলিশ ঘটনাটিকে ‘গুরুত্বসহকারে’ তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তবে তদন্ত কতদূর এগোয় বা আদৌ বিচার হয় কি না, সে নিয়ে জনমনে সন্দেহ রয়েছে। কারণ, এ দেশে রাজনৈতিক পরিচয়ই অনেক সময় বিচারপ্রক্রিয়ার গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়।

সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়া ঘটনার চিত্র ছিল ভীষণভাবে পীড়াদায়ক। সেখানে দেখা যায়, আতঙ্কিত অবস্থায় কিছু নারী দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে নামছেন, আর সেই সময় কিছু ব্যক্তিকে তাদের পথরোধ করতে ও শারীরিকভাবে বাধা দিতে দেখা যায়। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় তারা মাটিতে পড়ে যান এবং আশপাশে থাকা আরও কয়েকজন ব্যক্তি তাতে সক্রিয় অংশ নেন।

ঘটনার পুরোটা যেন রাজধানীর অভিজাত এলাকায় নয়, বরং শৃঙ্খলার অনুপস্থিত এক অন্ধকার পরিবেশে ঘটেছে—এমনটাই মনে করিয়ে দেয়। ভিডিওতে উপস্থিত কিছু লোকজনের আচরণ ছিল সংগঠিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা শুধুমাত্র তাৎক্ষণিক উত্তেজনা নয়, বরং পূর্ব পরিকল্পনারও ইঙ্গিত দেয়।

রাজনৈতিক সংস্কৃতির পচন কোথায় গিয়ে ঠেকেছে?

এই ঘটনায় শুধু একক নেতা বহিষ্কারে সমাধান আসবে না। প্রশ্ন হলো—মনির হোসেন যদি অভিযুক্ত হন, তবে তার পেছনে কারা ছিল? দলীয় পদ পাওয়ার পেছনে যেসব রাজনৈতিক নেতা-মুরব্বিরা তার পরিচয়পত্র হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তারা দায় এড়াতে পারেন কি?

রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। আজ তারই ভয়াবহ প্রতিফলন ঘটেছে নারীদের ওপর চালানো এই হামলায়।

একদিকে দল বলছে, “আমরা দায় নেব না,” কিন্তু অন্যদিকে বছর পর বছর এইসব নেতাদের সংগঠনের নেতৃত্বে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। তাহলে দায় কার?

এই ঘটনার বিচার কেবল আইনি নয়, রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশেও জরুরি। নইলে সংগঠনের নামের আড়ালে যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করছে, তাদের হাতেই বারবার ধর্ষিত হবে রাজনীতি, আর পদদলিত হবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৪