সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ. লীগ নিষিদ্ধের দাবি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে সরকার

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রশ্নে সরকার ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। আলোচনার ভিত্তিতে খুব শিগগির এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নিউজ ডেস্ক

০৯ মে ২০২৫, ১৫:৪৭

দেশজুড়ে বিরোধী রাজনৈতিক দল, নাগরিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী ও স্বৈরাচারী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ করার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। এমন প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার বিষয়টি ‘গুরুত্বের সঙ্গে’ পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়েছে।

শুক্রবার (৯ মে) দুপুরে সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,

“আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রশ্নে সরকার ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। আলোচনার ভিত্তিতে খুব শিগগির এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

সরকার জানিয়েছে, বিষয়টি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংস্থাগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদন বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এতে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,

“যতদিন না পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হচ্ছে, ততদিন সবাইকে শান্ত ও সহনশীল অবস্থান বজায় রাখতে সরকার আন্তরিকভাবে আহ্বান জানাচ্ছে।”

এর আগে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সরকার। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়,

“আইনের আওতায় এনে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কারণ সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সশস্ত্র আধিপত্য, খুন, গুম, ধর্ষণ, টর্চার সেল এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল।”

এদিকে, মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত রাজনৈতিক সংগঠনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এ সংশোধনী আনার বিষয়েও সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় খসড়া প্রস্তুতের কাজ করছে।

এছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতি ও ২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক হত্যা মামলার অভিযুক্ত আবদুল হামিদের গোপন দেশত্যাগ এবং থাইল্যান্ডে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জনমনে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে—বিষয়টি সম্পর্কে সরকার অবগত রয়েছে।

সরকার জানায়,

“আবদুল হামিদের দেশত্যাগের বিষয়ে দায়ীদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রশাসনিক ও ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একইসাথে ইন্টারপোলের মাধ্যমে সাবেক এই রাষ্ট্রপতিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।”

প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে ধারাবাহিক বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি ও ছাত্র-জনতার সমাবেশ চলমান রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সরকার এই চাপের মুখে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪