শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের কেউ ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেননি বলে দাবি করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দিতে নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনুরোধ করেছেন তিনি।
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “এটা সত্যি যে অতীতে বাংলাদেশ থেকে অনেক হিন্দু ভারতে এসেছে, তবে এখন তারা আর আসছে না। তারা বর্তমান পরিস্থিতি দক্ষতার সাথে সামাল দিচ্ছে। সুতরাং, তাদের দেশ ছেড়ে ভারতে আসতে উৎসাহিত করা উচিত নয়।”
তিনি আরও বলেন, “গত পাঁচ মাসে আসাম এবং ত্রিপুরা রাজ্যে প্রায় এক হাজার বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে, কিন্তু তাদের মধ্যে কেউই বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু নয়।”
অনুপ্রবেশের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে হিমন্ত শর্মা বলেন, “এটি একটি গুরুতর সমস্যা, কারণ অতীতে আমরা এত বিপুল সংখ্যক অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করিনি। বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, যারা এখানে সংখ্যালঘু। আমরা তাদের গ্রেফতার করছি না, কারণ আমরা চাই না তারা আমাদের জেলখানা পূর্ণ করুক, তাই তাদের আমরা পাঠিয়ে দিচ্ছি।
হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে উদ্ধৃত করে পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়, ‘হিন্দুরা বাংলাদেশে আছেন এবং (টিকে থাকতে) তাঁরা লড়ে যাচ্ছেন। গত এক মাসে কোনো একজন হিন্দু ব্যক্তি ভারতে অনুপ্রবেশে চেষ্টা করছেন বলে ধরা পড়েনি।’
বরং প্রতিবেশী দেশটি থেকে বেশ কয়েকজন মুসলিম ব্যক্তি ভারতের পোশাক খাতে চাকরি খুঁজতে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করেছেন বলে উল্লেখ করেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘গত এক মাসে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় ৩৫ জন মুসলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁরা আসামে থাকার জন্য আসেননি। তাঁরা বেঙ্গালুরু ও তালিমনাড়ু, কোয়েম্বাটুরে পোশাক কারখানার কাজ করতে যেতে চেয়েছিলেন।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?