মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

চুয়াডাঙ্গায় সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সঙ্কট; রমজানে বাড়বে বিপদ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গায় মাইকিং শুরু করে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত নিত্যপণ্যের দাম চলমান হারে ঠিক থাকলেও পরদিন শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পবিত্র শবে বরাতের দিন আর ছাড় দেয়নি ব্যবসায়ীরা। সেদিন রোজার ১৪ দিন বাকী থাকলেও বাজারে নিত্যপণ্যের সাথে অলরেডি দাম বাড়িয়ে দিয়েছে রমজান পণ্যের। যার অন্যতম পণ্য হিসেবে সয়াবিন তেল প্রকৃত পক্ষে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৯:০৮

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গায় মাইকিং শুরু করে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত নিত্যপণ্যের দাম চলমান হারে ঠিক থাকলেও পরদিন শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পবিত্র শবে বরাতের দিন আর ছাড় দেয়নি ব্যবসায়ীরা। সেদিন রোজার ১৪ দিন বাকী থাকলেও বাজারে নিত্যপণ্যের সাথে অলরেডি দাম বাড়িয়ে দিয়েছে রমজান পণ্যের। যার অন্যতম পণ্য হিসেবে সয়াবিন তেল প্রকৃত পক্ষে সঙ্কট না থাকলেও কৃত্রিমভাবেও সঙ্কট দেখাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।

বাজারে ৫ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতল শর্তসাপেক্ষে পাওয়া গেলেও এক ও দুই লিটার বোতলের সয়াবিন তেল একেবারেই পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে, ৫ লিটারের সয়াবিন কেনার সামর্থ্য না থাকায় সাধারণ ভোক্তারা পড়েছে বড় বিপদে। রমজানের আরমাত্র ৪/৫ দিন পর শুরু হবে ভোজ্যষ জিনিসপত্র তৈরীর প্রস্তুতি। অথচ ১৪/১৫ দিন আগে থেকে সয়াবিন তেল উধাও হয়ে গেছে চুয়াডাঙ্গার বাজার থেকে।

সরকারের ব্যর্থতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও রমজানকে সামনে রেখে সি-িকেটধারী ব্যবসায়ীরা তাদের অপকর্ম শুরু করে দিয়েছে।

এতে করে সাধারণ ভোক্তাদের মনে যেমন নানা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে তেমনী ভোক্তাপর্যায়ে বাড়িয়ে তুলেছে হতাশা। 

এদিকে, রোজার মাত্র ৪/৫ দিন বাকি রয়েছে। এরই মধ্যে বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকার চ্যালেঞ্জের মধ্যে থাকলেও এখন পর্যন্ত বাজার স্বাভাবিক করতে পারেনি। বরং দেশে নানা অস্থিরতায় নানা অপরাধসহ চাঁদাবাজি বেড়ে যাওয়ায় নিত্যপণ্যের দামও ভারি হচ্ছে দিন দিন। অথচ জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কার্যক্রম স্বাভাবিকই রয়ে গেছে। যে কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভয়কে উপেক্ষা করে এবারও রমজানকে টার্গেট করেছে ব্যবসায়ীরা। সেকারণে রমজানকে সামনে রেখে অসাধু ব্যবসায়ীদেরকে সামলাতে ভোক্তা অধিকারসহ জেলা প্রশাসনের কড়া নজরদাড়ি রাখা জরুরী হয়ে দেখা দিয়েছে।

তবে বাজার করতে এসে ভোক্তারা বারবারই দুষছেন সংশ্লিষ্ট অধিদফতরকে। তারা বলছেন তাদের অবহেলার কথা। তারা ক্ষমতার অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও অসাধু ব্যবসায়ীরা কীভাবে জিনিসের দাম বাড়ায় এ নিয়েও ভোক্তারা সংশ্লিষ্টদের সন্দেহের চোখে দেখছেন এখনও।

এদিকে, বাজার নিয়ন্ত্রণে অযোগ্য প্রমাণিত হওয়ায় বড় বাজার ব্যবসায়ীরা রোজার আগে থেকেই বাড়িয়ে তুলেছে লোভ। যে কারণে গতকাল শুক্রবার থেকেই রমজান পণ্যসহ বাড়িয়ে দিয়েছে নিত্যপণ্যের দাম।

তবে এই ৫ লিটার বোতলের তেল কিনতে হলে ক্রেতাদের নিতে হবে বাড়তি আরেকটি পণ্য। গত কয়েকমাস ধরে এক লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ টাকায়। আর ৫ লিটার তেলের দাম ৮৫০ টাকা। গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গা শহরের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

জানা গেছে, গত সপ্তাহের বেশি সময় ধরেই চুয়াডাঙ্গার বাজার থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এক লিটার ও দুই লিটারের বোতল নেই বললে চলে। তবে কিছু কিছু দোকানে ৫ লিটারের সয়াবিন তেল পাওয়া গেলেও প্রয়োজন না হলেও কোম্পানির শর্তসাপেক্ষে কিনতে হচ্ছে অন্যান্য পণ্য। কোম্পানির শর্তের বেড়াজালে বন্দি হয়ে পড়েছে খুচরা ব্যবসায়িরা। আর যত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদের। এমন সংকট শুধু বাজারে নয়। বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট দেখা দিয়েছে সুপার শপগুলোতেও। তবে পর্যাপ্ত মজুদ আছে খোলা সয়াবিন তেলের।

খুচরা ব্যবসায়িদের অভিযোগ করে বলছেন, ডিলার পর্যায়ের ব্যবসায়িরা বাজারে তেলের সংকট দেখাচ্ছেন। ফলে সয়াবিন তেলশূন্য হয়ে যাচ্ছে বাজারের দোকান গুলোতে।

বাজারের খুচরা মুদি ব্যবসায়িরা জানান, এক ও দুই লিটার তেল একদমই নেই। যদিও বা ৫ লিটার তেল কোম্পানি দিচ্ছে-কিন্তু এই তেলের সাথে এক কেজি পোলাও চাল ৫ কেজি প্যাকেট আটা কিংবা অন্যান্য পন্য কিনতে হচ্ছে। এই পণ্যগুলো না নিলে সয়াবিন তেল দিচ্ছে না কোম্পানির প্রতিনিধিরা। এদিকে, ক্রেতারা তেলের সাথে কন্ডিশন পণ্যগুলো নিচ্ছে না। যে কারণে বাড়তি পণ্যগুলো দোকানে পড়ে থাকছে। মূলত কোম্পানিই এই কারসাজিগুলো করছে।

অথচ সয়াবিন তেল কিনতে ব্যবসায়ীরা কোনো শর্ত দিয়ে অন্যান্য পণ্য কিনতে বাধ্য করলে কঠোর ব্যবস্থাসহ জরিমানার নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান।

বাজারে আসা এক ক্রেতা রাব্বি হোসেন বলেন, বাজারে এসে এক ও দুই লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল পেলাম না। যদুও বা ৫ লিটার তেল পেলাম তবে শর্ত অনুযায়ি নিতে হলো পোলাও চাল, আটা, সরিষার তেল। কিন্তু আমার এই বাড়তি পণ্যের প্রয়োজন নেই। এভাবে তেল সংকট থাকলে রোজার মাসে বিপদ হয়ে যাবে।

আরেক ক্রেতা হাসিবুর রহমান বলেন, সুপারশপ ঘুরে বাজারে আসলাম তবুও পেলাম না বোতলজাত সয়াবিন তেল। এরকমভাবে বাজারে কৃত্রিম সংকট দেখানোর কারণ কি? আবার কি বাড়তে পারে তেলের দাম? এজন্য প্রশাসনের অভিযান প্রয়োজন। সামনে রোজার মাস তাই আগে থেকেই বাজার তদারকি করতে হবে।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান বলেন, বাজারে এক ও দুই লিটার তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। তবে এই সংকট কাটানোর জন্য ইতিমধ্যে ডিলার ব্যবসায়িদের সাথে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া বাজার তদারকি আরও বাড়ানো হয়েছে। রোজার মাসে যেন তেলের সংকট দেখা না দেয় সেজন্য বাজার মনিটরিং অব্যহত আছে।

অন্যান্য খবর

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন […]

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

নিউজ ডেস্ক

৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:৫৮

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন ও পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনআস্থা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ–এর বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো স্বচ্ছ ভিশন বা পরিকল্পনা নেই। তার মতে, আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও থাকবে এবং জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে—দুটোই একই রাজনৈতিক সমীকরণের অংশ।

আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিজে না দাঁড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর পেছনে মূল কারণ হলো জামায়াত–আওয়ামী লীগের এই পারস্পরিক অস্তিত্বের বাস্তবতা। তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ার চেষ্টা ছিল। তবে এনসিপি যখন পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।

জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা পুরোনো কাঠামোর অংশ। এ ধরনের জোটে এমন প্রশ্ন তৈরি হয়, যার সন্তোষজনক উত্তর নেই। আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতির দিক থেকে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের মেলবন্ধন সম্ভব নয় বলেও মত দেন তিনি।

ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক করে মাহফুজ আলম বলেন, ক্ষমতায় যে দলই আসুক—বিএনপি বা জামায়াত—সমাজের ভেতরের ক্ষত সারাতে না পারলে কোনো সরকারই টিকবে না। তার মতে, কাগজে–কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা না হলে মব সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতে থাকবে।

সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমেছে; সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে তাদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় আসতে হবে।

বর্তমানে রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম বই পড়া ও হতাশ তরুণদের সঙ্গে আলাপে সময় দিচ্ছেন বলে জানান। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো কেন বাস্তবায়িত হয়নি এবং সামনে কীভাবে এগোনো উচিত।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ২৮ আগস্ট মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হন এবং ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যান্য খবর

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

বিএনপির সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে টেলিফোনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র। এদিকে আজ সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকালে মন্ত্রিসভার […]

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

নিউজ ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১১

বিএনপির সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে টেলিফোনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র।


এদিকে আজ সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকালে মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর উপজেলা) আসনের সাংসদ। তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি তৃতীয়বারের মতো এই আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫। এ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৯ ভোট।

অন্যান্য খবর

নাসিরনগরে মহানবী (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে বিক্ষোভ

মো: সোবেল মিয়া,নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে এক ব্যক্তির শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় ধর্মভিত্তিক সংগঠনের নেতা–কর্মীরা। আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর নাসিরনগর কলেজ মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড়ের ইমরান চত্বরে গিয়ে সমাবেশে পরিণত হয়। […]

নাসিরনগরে মহানবী (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে বিক্ষোভ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩:৫০

মো: সোবেল মিয়া,নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে এক ব্যক্তির শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় ধর্মভিত্তিক সংগঠনের নেতা–কর্মীরা।

আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর নাসিরনগর কলেজ মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড়ের ইমরান চত্বরে গিয়ে সমাবেশে পরিণত হয়।

সমাবেশের আয়োজন করে নাসিরনগর ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ। এতে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা হুসাইন আহমদ নুরপুরী এবং সঞ্চালনা করেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম। বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা মুফতি আব্দুল্লাহ বিন সাঈদসহ আরও কয়েকজন বক্তা।

বক্তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী (সা.)–এর শানে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।