বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

খেলা

পাকিস্তানের মাটিতে সিরিজ জয়, ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

কদিন আগেই ঘরের মাটিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে ২-০ তে টেস্ট সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। টেস্টে এমন নাজুক অবস্থা দেখে ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশকে পেয়ে খানিকটা আনন্দিত হয়েছিল পাকিস্তান। সিরিজ শুরুর আগে পিসিবির সাবেক নির্বাচক বাসিত আলী তো বলেই বসেছিলেন, একমাত্র বৃষ্টিই পারে বাংলাদেশকে বাঁচাতে। বাসিত আলীর সেই উক্তি বাংলাদেশ মিথ্যা প্রমাণ করে দেয় রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টেই। […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৬:০১

কদিন আগেই ঘরের মাটিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে ২-০ তে টেস্ট সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। টেস্টে এমন নাজুক অবস্থা দেখে ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশকে পেয়ে খানিকটা আনন্দিত হয়েছিল পাকিস্তান। সিরিজ শুরুর আগে পিসিবির সাবেক নির্বাচক বাসিত আলী তো বলেই বসেছিলেন, একমাত্র বৃষ্টিই পারে বাংলাদেশকে বাঁচাতে।

বাসিত আলীর সেই উক্তি বাংলাদেশ মিথ্যা প্রমাণ করে দেয় রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টেই। ১০ উইকেটের বড় জয়ে সিরিজ শুরু করে বাংলাদেশ। এবার দ্বিতীয় টেস্টে বৃষ্টির প্রার্থনায় বসা পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দিয়ে ভাগিয়ে নিয়েছে গোটা সিরিজটায়। পাকিস্তানকে তাদের মাটিতে ধবলধোলাই করে রীতিমতো লজ্জায় ফেলে দিয়েছে বাংলাদেশ।

জয়টা অবশ্য মিলতে পারত রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের চতুর্থ দিনেই। যদি না শেষ বিকালে জয়ের পথে থাকা বাংলাদেশের পথ আগলে দাঁড়াত বৃষ্টি। জয় থেকে তখন ১৪৩ রান দূরে ছিল বাংলাদেশ, হাতে ১০ উইকেট। পঞ্চম দিনে বৃষ্টির প্রার্থনায় তাই পাকিস্তানকেই বসতে হয়েছিল। এরপরও নিশ্চিত হার যেনেও বোলারদের নিয়ে বড় গলা করে কথা বলেছিলেন দলটির কোচ জেসন গিলেস্পি। বাংলাদেশকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, প্রথম ইনিংসে ২৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে হুঙ্কার দিয়ে বলে ছিলেন পঞ্চম দিনে তার বোলাররা আরও নির্মম হবে।

তবে বাংলাদেশি ব্যাটাররাও যে জবাবটা দিতে শিখে গেছে সেটা হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন গিলেস্পি। প্রথম ইনিংসে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে ঘুরে দাঁড়ানো বাংলাদেশ যে এই টেস্টে অন্তত হারছে না, সেটা বোধয় তখনও বুঝতে পারেননি এই অজি কিংবদন্তি। শেষ পর্যন্ত তাই হারই সঙ্গী হয়েছে তার। আঘাতটা বোধয় আর সবার চেয়ে একটু বেশিই পাবেন তিনি। কেননা, নিজের প্রথম অ্যাসানমেন্টেই যে ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে ধবলধোলাই হতে হয়েছে তার দলের। এ কথা কি করে ভুলবেন তিনি।

প্রকৃতি নাকি সাহসীদের পক্ষে থাকে। এখানেও তাই। পঞ্চম দিনে বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও নির্ধারিত সময়েই মাঠে গড়িয়েছে খেলা। ৪২ রানে পঞ্চম দিনে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ ৫৮ রানে প্রথম উইকেট হারায়। ৪০ রানে থামেন জাকির। এরপর ৭০ রানে এসে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। খুররম শেহজাদের বলে ২৪ রানে সাজঘরের পথ ধরতে হয় সাদমানকে। এরপর অধিনায়ক নাজমুল শান্ত ৩৮ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে নেন। বাকি কাজটুকু দায়িত্ব নিয়ে শেষ করে এসেছেন মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসান। তাতে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

এর আগে, দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়। পরে টসে জিতে বোলিং করতে নেমে পাকিস্তানকে ২৭২ রানে থামিয়ে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ২৬ রানে হারায় ৬ উইকেট। লিটন দাস ও মিরাজ এসে হাল ধরে দলকে টেনে তুলেন। বাংলাদেশের ইনিংস থামে ২৬২ রানে। লিটন-মিরাজের জুটিতেই জয়ের রসদ পেয়ে যায় বাংলাদেশ। যেই রসদ কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানকে ১৭২ রানে গুড়িয়ে দিয়ে ১৮৫ রান তাড়া করে পাকিস্তানের মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

বিদেশের মাটিতে যা বাংলাদেশের তৃতীয় টেস্ট সিরিজ জয়। এর আগে ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। অন্যদিকে ২০২২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের মাটিতে টেস্ট সিরিজ হারের পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের বিপক্ষে লজ্জার মুখে পড়তে হলো পাকিস্তানকে।

ক্রিকেট

আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিলো বিসিবি, আরবিট্রেশনে যাচ্ছে না বাংলাদেশ

আইসিসির সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ পড়লেও সে বিষয়ে কোনো আইনি বা সালিশি পথে হাঁটছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মিরপুরে বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে আইসিসির ঘোষণাকে মেনে নেওয়ার অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিসিবি। আইসিসির সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল, বিসিবি চাইলে বিষয়টি আদালত বা সালিশি ট্রাইব্যুনালে নিতে […]

আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিলো বিসিবি, আরবিট্রেশনে যাচ্ছে না বাংলাদেশ

আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিলো বিসিবি, আরবিট্রেশনে যাচ্ছে না বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৮

আইসিসির সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ পড়লেও সে বিষয়ে কোনো আইনি বা সালিশি পথে হাঁটছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মিরপুরে বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে আইসিসির ঘোষণাকে মেনে নেওয়ার অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিসিবি।

আইসিসির সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল, বিসিবি চাইলে বিষয়টি আদালত বা সালিশি ট্রাইব্যুনালে নিতে পারে। তবে আইসিসি বোর্ড সভায় ১৪–২ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ায় সেটি বদলানোর আইনি ভিত্তি নিয়ে সংশয় ছিল শুরু থেকেই।

এসব আলোচনা ও গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে বিসিবি পরিচালক এবং বোর্ডের মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন স্পষ্ট করে জানান, বিসিবির পক্ষ থেকে আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।

তিনি বলেন, “আমরা আইসিসির বোর্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি। আইসিসি যেহেতু বলেছে যে আমরা খেলতে যেতে পারব না কিংবা আমাদের খেলা অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে না, সে ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষে ভারতে গিয়ে খেলা সম্ভব নয়। এই অবস্থানেই আমরা থাকছি। কোনো ধরনের আরবিট্রেশন বা আইনি প্রক্রিয়ায় আমরা যাচ্ছি না।”

এর আগে বৃহস্পতিবার ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছিলেন, ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি বাংলাদেশ সরকারের। বিসিবি পরিচালকের বক্তব্যেও একই অবস্থান উঠে এসেছে।

আমজাদ হোসেন বলেন, “আইসিসি বোর্ড সভার পর বাংলাদেশ সরকারের ক্যাবিনেট বৈঠক হয়। সেখানে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত এসেছে—যদি নির্ধারিত সূচিতে পরিবর্তন না আনা হয়, তাহলে আমাদের দল ভারতে গিয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এটি সরকারের পক্ষ থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, আইসিসি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবস্থান জানাতে বললে বিসিবি সরকারকে সম্মান জানিয়ে একই সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করেছে। “আমরা আইসিসিকে বিনয়ের সঙ্গে জানিয়েছি, এই ফিক্সচার অনুযায়ী আমাদের পক্ষে খেলতে যাওয়া সম্ভব নয়,” বলেন তিনি।

খেলা

“ভাই, ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন”- ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ‘দুই’ হস্তক্ষেপে মুখ খুললেন বুলবুল

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:০৮

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। ধারণা করা হয়েছিল দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক উন্নয়নে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এবার জানা গেলো বিসিবির পক্ষ থেকে চিঠিটি পাঠিয়েছেন বর্তমান সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সদ্য সাবেক বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘তাকে (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে) একটা কথা বলবো, আপনি ভাই ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন।

ওনার দুটি হস্তক্ষেপের কথা বলতে পারি, প্রথম দিনই উনি সরাসরি প্রধান নির্বাহীকে ফোন করলেন সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকতে দিতে। আরেকটা হলো, কয়েক দিন আগে দেখেছেন বিসিবি একটা চিঠি দিয়েছে বিসিসিআইকে। এটা উনি সিইওর সঙ্গে বসে করেছেন, আমি শুধু কপিতে ছিলাম।

এই যে সিস্টেমটাকে নষ্ট করে ফেলছে, এর দায় কে নেবে। আমি তো চলে যাবো, হয়তো আর কোনো দিনও আসবো না। কিন্তু আপনারা তো এখানে থাকবেন, আপনাদের এই ক্রিকেটটাকে তো বাঁচাতে হবে।’

সম্প্রতি ভেঙে দেওয়া হয় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তবে এখনও নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন বুলবুল।

তিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আমিই এখনো বিসিবি সভাপতি। যারা বোর্ড ভেঙেছে, তারা তা করতে পারে না, এখতিয়ারে নেই।’

খেলা

তামিমের নেতৃত্বাধীন কমিটি ‘অবৈধ’, আইসিসির হস্তক্ষেপ চাইলেন বুলবুল

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২১

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন বুলবুল। তার দাবি, ৫ এপ্রিল প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনটি আইনগতভাবে টেকসই নয় এবং এতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনকে বৈধ ও স্বচ্ছ বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি। বুলবুল জানান, ওই নির্বাচনের জন্য ৬ সেপ্টেম্বর একটি তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়।

এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন। কমিশনের অন্য সদস্য ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান সিবগাত উল্লাহ এবং এনএসসির নির্বাহী পরিচালক।
নির্বাচনকে ঘিরে ১৫টি ক্লাব ও তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে ওঠা আপত্তিগুলোও আগেই নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানান বুলবুল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর আধা-বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব বিরোধের সমাধান করা হয়।

এনএসসির এই তদন্তকে এখতিয়ারবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে বুলবুল বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নীতিমালা অনুযায়ী বোর্ড পরিচালনায় সরকারি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে পরিচালিত এই তদন্তকে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করেন।

অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তকে ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট করেন, এই কমিটির কোনো বৈধতা নেই এবং তারা এটিকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না।

বিবৃতির শেষাংশে বুলবুল সতর্ক করে বলেন, এমন হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের ক্রিকেট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। এতে বিনিয়োগকারী ও বৈশ্বিক অংশীদারদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত নিজেকেই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দাবি করে আইসিসির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বুলবুল।

‘২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর নিরপেক্ষ তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বৈধতা কোনো সরকারি সংস্থা পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে না। হাইকোর্ট অন্য কোনো রায় না দেওয়া পর্যন্ত আমিই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছি।’