বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমি মায়েদের কীভাবে সম্মান করি ৯ কোটি মা তার সাক্ষী : জামায়াত আমির

শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ সন্ত্রাস চালাতে চাইলে আল্লাহর নাম নিয়ে সমান জবাব দেওয়া হবে—এর বেশি নয়। তবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অবশ্যই প্রশাসনকে জানানো হবে। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয় এবং পরিস্থিতি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়, তাহলে প্রতিহত করা ওয়াজিব হয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শেরপুর শহরের […]

আমি মায়েদের কীভাবে সম্মান করি ৯ কোটি মা তার সাক্ষী : জামায়াত আমির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৫

শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ সন্ত্রাস চালাতে চাইলে আল্লাহর নাম নিয়ে সমান জবাব দেওয়া হবে—এর বেশি নয়। তবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অবশ্যই প্রশাসনকে জানানো হবে।

প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয় এবং পরিস্থিতি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়, তাহলে প্রতিহত করা ওয়াজিব হয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শেরপুর শহরের দারোগালি পৌর মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি শেরপুরের তিনটি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন।

জামায়াত আমির বলেন, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তিনি নেতা-কর্মীদের সজাগ ও পাহারায় থাকার আহ্বান জানান। ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাজি বন্ধ করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমরা যুবকদের হাতে বেকার ভাতা দিতে চাই না। আমরা তাদের জন্য হালাল কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। যুবকরাই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার ককপিটে, আর আমরা থাকব যাত্রী আসনে।”

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ এখন এক কঠিন বাঁকে দাঁড়িয়ে আছে এবং ১২ তারিখ সেই বাঁক পরিবর্তনের দিন। তিনি বলেন, “যারা আল্লাহর গোলামি করে, তারা কালো মেঘ দেখলে ভয় পায় না। আমরা এমন দেশ চাই, যেখানে রাজনীতির নামে মানুষ খুন হবে না। মানুষ হত্যার রাজনীতি আমরা ঘৃণা করি।”

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংক্রান্ত ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, “আমি মায়েদের কীভাবে সম্মান করি—তা বাংলাদেশের ৯ কোটি মা জানেন। আমার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মায়েদের নিয়ে অরুচিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। অথচ না বুঝেই একটি দল মিছিল শুরু করেছে। কে করেছে, সবাই জানে—ঠাকুরঘরে কে, আমি কলা খাই না।”

তিনি জানান, কয়েক ঘণ্টা পর অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় যদি কোনো মা কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তিনি তাঁদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।

গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমার নামে বাজে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার খবর যেন ভুলভাবে উপস্থাপন করা না হয়।”

শেরপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনের ডাকা সভায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতেই জামায়াত নেতা রেজাউল করিমকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার তিন দিন পরও কাউকে গ্রেপ্তার না করায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, যারা নিজেদের দলের বহু মানুষকে বিদায় করেছে, তাদের কাছে মানুষের জীবন ও ইজ্জতের মূল্য নতুন কিছু নয়।

গত ১৫ বছরের রাজনৈতিক নির্যাতনের কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, একসময় দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, নিবন্ধন ও প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় সেই নিষেধাজ্ঞা দ্রুতই প্রত্যাহার হয়।

এর আগে সকালে হেলিকপ্টারে করে শ্রীবরদীর গোপালখিলা খেলার মাঠে অবতরণ করেন তিনি। পরে শেরপুরের জনসভা শেষে জামালপুর যান।

জামালপুরের সিংহজানী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের গতিপথ পরিবর্তনের নির্বাচন। শহীদদের রক্ত ও আহতদের ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে এই নির্বাচন নতুন বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা দেবে।”

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত থাকার পর এবার জনগণের সামনে প্রকৃত পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে। এই নির্বাচন শুধু সরকার পরিবর্তনের নয়, বরং ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার নির্বাচন।

তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান এবং বলেন, “এই নির্বাচন গত ৫৪ বছরের বস্তাপচা ফ্যাসিবাদী রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন।”

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০