সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি, এই শিক্ষার্থীদের সেদিন পাওয়া যায় নি : রবিউল

বিএনপি নেতা রবিউল আলম সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শোতে অংশ নিয়ে বিএনপির রাজনৈতিক সংগ্রাম, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ আমরা রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি। আমরা ছাত্রলীগ বা জামাতের সাথে যুক্ত ছিলাম না, বরং বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা হিসেবে রাজপথে সংগ্রাম […]

১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি, এই শিক্ষার্থীদের সেদিন পাওয়া যায় নি : রবিউল

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ মার্চ ২০২৫, ১২:১৮

বিএনপি নেতা রবিউল আলম সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শোতে অংশ নিয়ে বিএনপির রাজনৈতিক সংগ্রাম, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ আমরা রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি। আমরা ছাত্রলীগ বা জামাতের সাথে যুক্ত ছিলাম না, বরং বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা হিসেবে রাজপথে সংগ্রাম করেছি।

বিএনপি কখনো আপোষ করেনি বা রণে ভঙ্গ দেয়নি। আমরা ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি, শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসান চেয়েছি।”

তিনি আরও যোগ করেন, “গণঅভ্যুত্থানই হলো রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঠিক পথ। জুলাই মাসে সব শ্রেণী-পেশার মানুষ আমাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। এক দফা দাবি ছিল—হাসিনাকে যেতে হবে।

শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, কিন্তু এই শিক্ষার্থীরা সেই দিনই পাওয়া যায়নি, যেদিন মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি, কারণ আমরা একটি বড় রাজনৈতিক দল এবং এটাই আমাদের দায়িত্ব ছিল। আমরা জাতির জন্য করুণা করিনি, দায়িত্ব পালন করেছি মাত্র।”

রবিউল আলম বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন ও অর্থের প্রভাব নিয়ে বলেন, “৫৩ বছর ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি শুধু আন্দোলন, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর ফলে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তদের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু রাজনৈতিক চর্চা করতে পারিনি।

১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত আমরা একটি গণতান্ত্রিক ট্র্যাকে ছিলাম, কিন্তু আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৭ বছর অনির্বাচিতভাবে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছে, যা বাংলাদেশের রাজনীতিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।”

তিনি মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, “বিএনপি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল, কিন্তু কিছু মিডিয়া বিএনপির বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রায়াল চালাচ্ছে। যেমন, বিএনপি নেতার ড্রাইভার কোনো অপরাধ করলে তা বিএনপি নেতার সাথে জড়িত বলে চালানো হচ্ছে।

এটা সম্পূর্ণ অন্যায়। ড্রাইভার যদি কোনো অপরাধ করে থাকেন, তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে দায়ী, দল বা নেতার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এভাবে দল ও নেতাকে ট্যাগ করা উচিত নয়।”

রবিউল আলম বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়নের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে বিএনপি নেতাকর্মীরা এলাকা ছাড়া হয়েছে, তাদের সম্পদ দখল করা হয়েছে। তারা উদ্বাস্তুর মতো জীবনযাপন করছে।

যখন তারা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চেষ্টা করে, তখন তাদের বিরুদ্ধে দখলদারিত্বের অভিযোগ তোলা হয়। এটা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”

তিনি আরও বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত থাকবেই, কিন্তু কোনো দলই অপরাধকে সমর্থন করে না। অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত অপরাধকে প্রশ্রয় না দেওয়া।”

শেষে তিনি নতুন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও জনসমর্থন নিয়ে বলেন, “নতুন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও আঙ্গিক প্রয়োজন। গতানুগতিক ধারায় রাজনীতি করলে জনগণের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। যারা অর্থায়ন করেন, তাদের উচিত প্রকাশ্যে দলকে সমর্থন করা।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মতো নতুন দলগুলো যদি জনগণের সমর্থন পায়, তবে তারা নির্বাচিত হবে এবং নতুন কিছু করতে সক্ষম হবে।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০