মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী সব অপরাধের বিচার হতেই হবে

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা দিয়েছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের এশিয়া সংবাদদাতা কর্ডেলিয়া লিঞ্চকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই কঠোর বার্তা দেন। স্কাই নিউজ বুধবার (৫ মার্চ) এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করে, যেখানে […]

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী সব অপরাধের বিচার হতেই হবে

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৫ মার্চ ২০২৫, ১১:২২

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা দিয়েছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের এশিয়া সংবাদদাতা কর্ডেলিয়া লিঞ্চকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই কঠোর বার্তা দেন।

স্কাই নিউজ বুধবার (৫ মার্চ) এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করে, যেখানে ড. ইউনূস দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেন, “শেখ হাসিনার বিচার হবে, তিনি দেশে থাকুন বা না থাকুন— এটি অনিবার্য।” তিনি আরও বলেন, “শুধু হাসিনা নন, তার পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক সহযোগী, মদদদাতা— সকলকেই আইনের আওতায় আনা হবে।”

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যেসব গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো জোরপূর্বক গুমের নেটওয়ার্ক পরিচালনা করা, যেখানে হাজারো বিরোধী নেতাকর্মী, ছাত্রনেতা, মানবাধিকার কর্মী এবং সাংবাদিকদের নির্যাতনের মাধ্যমে নিখোঁজ করা হয়েছে। এছাড়া, গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় বর্বর গণহত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তিনিই।

সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ইউনূস দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “শেখ হাসিনার বিচার হবে— এটি কোনো প্রতিশোধ নয়, এটি ইতিহাসের দায়।” তিনি ব্যাখ্যা করেন, আওয়ামী লীগ শাসনামলে অবৈধভাবে বন্দিশালা পরিচালনা করা হয়েছে, যেখানে নির্যাতন, গুম, হত্যা ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।

তিনি আরও জানান, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আদালত ইতোমধ্যে দুইটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে এবং তার প্রত্যর্পণের জন্য ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে নয়াদিল্লি এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আমরা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছি— শেখ হাসিনার বিচার ঠেকানো যাবে না। তিনি নিজে দেশে ফিরে আসুন, অথবা আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি হোন— আইনের হাত দীর্ঘ, কেউ রেহাই পাবে না।”

সম্প্রতি, অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত গোপন কারাগার পরিদর্শন করেছেন অধ্যাপক ইউনূস। এটি সেই বন্দিশালা, যেখানে গত এক দশকে হাজারো নিরপরাধ মানুষকে আটক রেখে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে। এই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি যা দেখেছি, তা বর্ণনাতীত। এটি মানবসভ্যতার অন্যতম কলঙ্কজনক অধ্যায়।”

শেখ হাসিনার ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “তার পুরো প্রশাসনই ছিল এক ভয়ংকর দমনযন্ত্র। যেখানে পুলিশ, র‍্যাব, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নির্যাতনের অস্ত্রে পরিণত করা হয়েছিল। এটি ছিল রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ভয়ংকর মানবাধিকার লঙ্ঘনের নীলনকশা।”

অপরাধীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পুরো প্রশাসন এতে জড়িত ছিল। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে— কে সরাসরি অপরাধ সংঘটিত করেছে, কে আদেশ দিয়েছে, আর কে নীরব সমর্থন দিয়েছে— তা বের করে তাদের বিচারের আওতায় আনা।”

এদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলতি মাসেই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই বিচার শুরু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে, নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করব। তবে অপরাধীরা ছাড় পাবে না। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা সর্বোচ্চ কঠোরতা অবলম্বন করব।”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিচার শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিচার মানবাধিকার লঙ্ঘন ও রাষ্ট্রীয় অপরাধ দমনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০