মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জাতীয় নাগরিক পার্টির টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রনি

সদ্য গঠিত ‘জাতীয় নাগরিক পার্টির’ অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষক গোলাম মওলা রনি। তিনি দলটির উদ্বোধনী আয়োজনের আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশ এবং বিপুল ব্যয়ের পরিমাণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যয় নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কেউ বলছেন, শত কোটি টাকা খরচ […]

জাতীয় নাগরিক পার্টির টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রনি

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৫, ১০:১০

সদ্য গঠিত ‘জাতীয় নাগরিক পার্টির’ অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষক গোলাম মওলা রনি। তিনি দলটির উদ্বোধনী আয়োজনের আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশ এবং বিপুল ব্যয়ের পরিমাণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

সম্প্রতি ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যয় নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কেউ বলছেন, শত কোটি টাকা খরচ হয়েছে, আবার কেউ ধারণা করছেন, কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বিশাল মঞ্চ, চোখ ধাঁধানো আয়োজন, সারাদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীদের উপস্থিতি এবং বিলাসবহুল ব্যবস্থাপনা দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এই অর্থের উৎস কী?

গোলাম মওলা রনি বলেন, “এই দল যারা গঠন করেছে, তারা তো কিছুদিন আগেও ছাত্র ছিলেন। তাদের অনেকেই নিম্নবিত্ত কিংবা নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। অথচ মাত্র ছয়-সাত মাসের ব্যবধানে তারা বিলাসবহুল গাড়িতে চড়ছেন, দামি ব্র্যান্ডের পোশাক পরছেন, হাতে লাখ টাকার ঘড়ি পরছেন, এমনকি অনেকে অভিজাত পরিবারে বিয়ে করছেন। প্রশ্ন হলো, তারা এত দ্রুত এত বিত্ত-বৈভব কীভাবে অর্জন করল?”

তিনি আরও বলেন, “শোনা যাচ্ছে, ধনকুবেরদের কেউ কেউ তাদের গাড়ি উপহার দিচ্ছেন, ব্যয়বহুল জীবনযাপনের সুযোগ করে দিচ্ছেন। সকালে এক গাড়ি, বিকেলে আরেক গাড়ি, রাতে নতুন গাড়ি ব্যবহার—এত বিলাসিতা তারা কীভাবে করছেন? এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটাই এখন প্রশ্ন।”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো সব সময়ই অর্থের খেলায় লিপ্ত বলে অভিযোগ করেন রনি। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ সব দলই নির্বাচনী রাজনীতিতে টাকা ব্যবহার করেছে। এরশাদ যখন সেনাপ্রধান ছিলেন, তখন তার সরকারি বেতন কত ছিল? কিন্তু তারপরও তিনি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করতেন। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি নির্বাচন ও রাজনীতির জন্য বিশাল অঙ্কের অর্থের লেনদেন করেছে, যা কারো অজানা নয়।”

গোলাম মওলা রনি আরও দাবি করেন, “যদি জাতীয় নাগরিক পার্টি কোনো শিল্পগোষ্ঠী, বিদেশি সংস্থা বা দানশীল ব্যক্তি থেকে অর্থ পেয়ে থাকে, তাহলে সেটা খুব একটা ব্যতিক্রম নয়। চীন, ভারত কিংবা আমেরিকার মতো দেশগুলোরও বাংলাদেশের রাজনীতিতে সরাসরি প্রভাব রয়েছে। এমনকি শোনা যাচ্ছে, বাইডেন প্রশাসন বাংলাদেশে ছোট রাজনৈতিক দল ও এনজিওদের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, অতীতে রাতের ভোট পরিচালনার জন্য বিদেশি শক্তিগুলো বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “তখন ভারত বিএনপিকে কিছু আসন দিতে চেয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত চীনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি বদলে যায়। এরপর রাতের আঁধারে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছিল।”

এই ধরনের রাজনৈতিক অর্থের প্রবাহ নতুন কিছু নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেন, “শুধু ছাত্রদের টাকা কোথা থেকে এলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো মানে হয় না। বরং ভবিষ্যতে তারা যদি বড় কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং ভালো খাবারের ব্যবস্থা রাখে, তাহলে সেখানে গিয়ে খেয়ে আসাই ভালো।”

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ এটিকে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করছেন। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০