মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘তারেক রহমানের নাম উচ্চারণ করতে অজু করবেন’ এমন মন্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্কের ঝড় কিছুতেই থামছে না। তারেক রহমানের নাম উচ্চারণের আগে ওজু করা উচিত— এমন মন্তব্যের জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে শেষমেশ দুঃখ প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্বীকার করেন যে, তার বক্তব্য […]

‘তারেক রহমানের নাম উচ্চারণ করতে অজু করবেন’ এমন মন্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১১:৩৫

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্কের ঝড় কিছুতেই থামছে না। তারেক রহমানের নাম উচ্চারণের আগে ওজু করা উচিত— এমন মন্তব্যের জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে শেষমেশ দুঃখ প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্বীকার করেন যে, তার বক্তব্য অযৌক্তিক ও অনভিপ্রেত ছিল।

বরকত উল্লাহ বুলু তার বিবৃতিতে বলেন, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিলে উদ্বোধনী বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘তারেক রহমানের নাম উচ্চারণ করতে হলে ওজু করবেন’— এই মন্তব্যটি অজান্তে বলে ফেলেছি। এটি মোটেও শোভনীয় হয়নি এবং আমার এই বক্তব্যের কারণে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, বুলুর এ বক্তব্য কোনো হঠাৎ করে বলা কথা ছিল না, বরং বিএনপির অভ্যন্তরীণ চাটুকারিতার চরম বহিঃপ্রকাশ। দলের নেতৃত্বের প্রতি অন্ধ আনুগত্য ও উপাসনার মতো ভাবধারা তৈরির কৌশল হিসেবেই তিনি এমন মন্তব্য করেছেন, যা রাজনীতির স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।

গত মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে বরকত উল্লাহ বুলু বলেছিলেন, কিছু ‘অর্বাচীন নাবালক উপদেষ্টারা’ বলে থাকে— জিয়াউর রহমান নেতা হলে তারেক রহমান কেন নেতা হবেন? আমি তাদের বলতে চাই— তারেক রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরি, দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের চেয়ারপারসনের ছেলে এবং অবিসংবাদিত নেতা। তার নাম উচ্চারণ করতে হলে ওজু করে আসুন।

এমন মন্তব্যের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটা ছিল নিছক তোষামোদির এক জঘন্য উদাহরণ, যা একজন দায়িত্বশীল নেতার কাছ থেকে আশা করা যায় না। বিএনপির অনেক নেতাও এর সঙ্গে একমত নন।

দলের ভেতর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে— একজন রাজনৈতিক নেতা কি কোনো ধর্মীয় অবতার যে তার নাম উচ্চারণের আগে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে? বরকত উল্লাহ বুলুর বক্তব্য দলের সংস্কারপন্থী ও বাস্তববাদী নেতাদের মধ্যে ব্যাপক অস্বস্তির সৃষ্টি করেছে।

এই বিতর্কের কারণে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংকট আরও প্রকট হয়েছে। একদিকে দলটিকে আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও সংস্কারপন্থী ধারা বজায় রাখতে হচ্ছে, অন্যদিকে এ ধরনের চরম আনুগত্যমূলক বক্তব্য দলের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

অনেকেই মনে করছেন, তারেক রহমানকে রাজনীতির বাস্তবমুখী কৌশল থেকে সরিয়ে ‘দেবত্ব’ আরোপ করার এই প্রচেষ্টা বিএনপির দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। এমনকি দলের ভেতর থেকেই প্রশ্ন উঠতে পারে— একজন রাজনৈতিক নেতার জন্য এমন অন্ধ আনুগত্য কি গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক, নাকি এটি একনায়কতন্ত্রের পূর্বাভাস?

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিতর্ক শুধু বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংকটকেই উসকে দেবে না, বরং এর রাজনৈতিক অবস্থানকেও দুর্বল করে দেবে। বরকত উল্লাহ বুলুর দুঃখ প্রকাশ হয়তো আপাতত বিতর্ক প্রশমিত করবে, কিন্তু এটি স্পষ্ট যে, বিএনপির ভেতরকার চাটুকারিতার সংস্কৃতি এবং বাস্তববাদী রাজনীতির মধ্যে একটি বড় ফাটল তৈরি হয়েছে।

দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে বিএনপিকে এখনই চিন্তা করা উচিত, নতুবা এই ধরনের চরম তোষণাত্মক মনোভাব দলকে আরও পিছিয়ে দেবে। বরকত উল্লাহ বুলুর এই মন্তব্য তারেক রহমানের জনপ্রিয়তাকে বাড়িয়েছে, নাকি তাকে আরও বিতর্কিত করেছে— সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩১